পবিত্র ইঞ্জিল শরিফ ১০ নম্বর ছিপারা
আল-ইফিছিয়া
পরিচিতি
পবিত্র আছমানি কিতাবর অউ ছিপারা আল্লার হুকুমে লেখছইন, হজরত ইছা আল-মসীর সাহাবি হজরত পাউলুছ (রাঃ)। হজরত ইছায় বেহেস্তো তশরিফ নেওয়ার অনুমান ২৭ বছর বাদে ইখান লেখা অইছে। আল্লার কালাম তবলিগ করায় তাইন অউ সময় জেল খানাত বন্দি আছলা।
ইফিছ টাউনো বসত কররা হজরত ইছার উম্মতরে উৎসাহ দিবার লাগি তাইন চিঠির আকারে অউ ছহিফা লেখছইন। তাইন আগে অউ টাউনো তিন বছর রইয়া জমাত তিয়ার করছইন। অন থাকি বিদায় বালা তাইন কইছলা, “মনো রাখবা, আমি তিন বরছ ধরিয়া রাইত-দিন চউখর পানি ফালাইয়া আপনারারে হুশিয়ার করতে দম লইছি না।” (সাহাবি নামা ২০:৩১)
অউ ছহিফার মুল বয়ান অইলো, আল্লা পাকর বাতুনি মুনশা জাইর অওয়া। লেখকে কইরা, আল্লার ওয়াদা করা আল-মসীর মাজদি হউ বাতুনি মুনশা অখন জাইর অইছে। আল-মসীয়ে তশরিফ আনার আগে খালি বনি ইছরাইল জাতি আছিল আল্লার খাছ প্রজা, অইলে তাইন আইয়া হারি দুনিয়ার তামাম জাতির লগে আল্লা পাকর মিলন ঘটাইছইন। তান নিজর জান কুরবানি দিয়া হকলরে এক সমান অধিকার পাওয়ার পথ করি দিছইন। অউ ছহিফার মাজে পাক-পবিত্র জিন্দেগি কাটানি আর ইবলিছর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার কথাও জানাইল অইছে।
এরমাজে আছে,
(ক) ছালাম, দোয়া আর শুকরিয়া ১ রুকু
(খ) হজরত ইছার উছিলায় আল্লার নয়া প্রজা ২—৩ রুকু
(গ) আল্লার নুরে নয়া জিন্দেগি কাটাও ৪:১—৬:৯ আয়াত
(ঘ) আল্লাই আতিয়ারদি ইবলিছর লগে যুদ্ধ করো ৬:৯-২৪
11আমি পাউলুছ, আল্লা পাকর মর্জি মাফিক হজরত ইছা আল-মসীর একজন সাহাবি। ইফিছ টাউনর মাজে আল-মসীর তরিকার পাক বন্দা আর মুমিন অকলর গেছে আমি পাউলুছে অউ ছহিফা খান লেখরাম। 2আমরার গাইবি বাফ আল্লা পাকে আর হজরত ইছা আল-মসীয়ে আপনারা হকলর উপরে রহমত আর শান্তি নাজিল করউক্কা।
হজরত ইছা আল-মসীর মাজেউ রহমত
3আল্লা পাকর তারিফ অউক, তাইনউ ইছা আল-মসীর আল্লা আর তান গাইবি বাফ, আর অউ হজরত ইছাউ আমরার মালিক। আল্লা পাকে তো আল-মসীর উছিলায় আছমানর পরতেক নমুনার রুহানি রহমত আমরারে দান করছইন। 4আল্লা পাকর দরবারো আমরা যাতে পাক-পবিত্র আর নিখুত অইতাম পারি, অউ খিয়ালে তাইন ই দুনিয়া পয়দার আগেউ, নিজর মায়া-মহব্বতে আল-মসীর উছিলায় আমরারে পছন্দ করছইন। 5আল্লায় তান নিজর মর্জি আর নিজর খুশিয়ে আগেউ ঠিক করিয়া রাখছইন, যাতে ইছা আল-মসীর উছিলায় আমরারে তান আপন আওলাদ হিসাবে কবুল করবা। 6আল্লায় ইতা করছইন, যাতে তান খাছ মায়ার জন ইছার উছিলায় আমরারে যতো পরিমানে রহমত আর মহিমা দান করছইন, অতায় তান তারিফ অয়।
7আল-মসীর পবিত্র কুরবানির উছিলায় তান লউর বদলা আমরা গুনার সাজা থাকি খালাছ পাইছি, আমরা অউ মাফি পাইছি, ইতা তো আল্লা পাকর খাছ রহমত। 8অউ রহমত তো আল্লায় তান খাছ আখল-হেকমতে আমরার উপরে ঢালিয়া দিছইন। 9তাইন আগে থাকি যেলাখান খিয়াল করছলা, আল-মসীর মাজদি যেতা করার নিয়ত করছিলা, অউ খিয়াল-খুশির হক্কল বাতুনি বেয়াপার তাইন আমরারে জানাইছইন। 10তাইন তো আগেউ অখান ঠিক করিয়া রাখছিলা, যাতে সময় পুরা অইয়া হারলে, তান আপন মর্জি মাফিক আছমান-জমিনর হক্কলতারে একখানো করিয়া, আল-মসীর আওতায় আনবা। 11আল্লায় তান নিজর আখল-ইনছাফ দিয়া নিজর মর্জি মাফিক হকল কাম করইন। তান মুনশা মাফিক তাইন আগেউ যেতা ঠিক করিয়া রাখছিলা, হউ মুনশা মাফিক তাইন আমরারেও পছন্দ করছইন আল-মসীর উছিলায় তান খাছ বন্দা অওয়ার লাগি। 12এরলাগি আমরা যেরা আগ থাকিউ আল-মসীর উপরে ভরসা করতাম, অউ আমরার মাজদিউ যাতে আল্লার গৌরব-মহিমার তারিফ অয়, অউ খিয়ালেউ তাইন আমরারে পছন্দ করছইন।
13আর আপনারাও আল্লার হক কালাম, মানি নাজাতর খুশ-খবরি পাইয়া আল-মসীর উপরে ইমান আনছইন। আল-মসীর উম্মত অওয়ায় আল্লা পাকে তান ওয়াদা করা পাক রুহ দিয়া আপনাইন্তরে সীল-চাপ্পড় মারছইন। 14তে যেতা মানষরে আল্লা পাকে তান নিজর সম্পদ কইয়া ডাকিছইন, এরারে তাইন একটা অধিকার দিবার ওয়াদা করছইন। এরলাগি যতদিন পর্যন্ত এরা পুরাপুর খালাছ না অইছইন, অতদিন পর্যন্ত অউ অধিকারর পয়লা কিস্তি হিসাবে এরারে পাক রুহ দান করছইন। আর অউ হক্কলতার মাজদি আল্লার গৌরব-মহিমার তারিফ অইবো।
হজরত পাউলুছর শুকরিয়া আর মুনাজাত
15তে হজরত ইছার উপরে আপনারা ইমান আনছইন আর আল্লার হকল বন্দারেউ আপনারা মায়া-মহব্বত কররা, অউ খবর আমি যেবলা হুনলাম, 16হুনার বাদ থাকিউ, আমি আপনারার লাগি আল্লার দরবারো শুকরিয়া আদায় করা কুনু সময়ও বন্দ করছি না। আমি যেবলা মুনাজাত করি, ই সময় আপনাইন্তর কথা ফাউরি না। 17আমি আল্লার দরবারো আরজ করি, আমরার মালিক ইছা আল-মসীর আল্লায়, জালাল আর শান আলা গাইবি বাফে আপনাইন্তরে রুহানি আখল আর বুজার খেমতা দেউক্কা। তেউ আপনারা আরো ভালামন্তে তানরে চিনবা। 18আমি আরো মুনাজাত করিয়ার, আপনারার দিলর চউখ খুলি যাউক, তেউ আল্লাই দাওত পাইয়া আপনারার দিলর মাজে যে এশকি পয়দা অইছে অতা আরো ভালামন্তে বুজবা। এরলগে এওখানও বুজতা পারবা, আল্লার দরবারো তান পাক বন্দা অকল কতো বড় সম্পত্তি। 19আর আমরা যেরা তান উপরে ইমান আনছি, আমরার দিলর মাজে কতো বড় শক্তিয়ে কাম করের। ই শক্তি অইলো, তান কুদরতর মহাশক্তি। 20অউ শক্তির বলেউ তাইন আল-মসীরে মরা থাকি জিন্দা করছইন, আর বেহেস্তর আরশে-আজিমো তান ডাইনর তখতো নিয়া বওয়াইছইন। 21আছমানর হক্কল নমুনার খেমতা, শাসন, শক্তি, আর বাহাদুরি যারার আতো আছে, এরা হকলরেউ তাইন আল-মসীর তলে রাখছইন। আর যারে যে নামেউ ডাকা অয় না কেনে, ইতা ই জগতর অউক বা আখেরি জগতর অউক, হক্কল নামর উপরে ইছা আল-মসীর নাম। 22আল্লায় হক্কলতারেউ আল-মসীর আওতায় রাখছইন। মানষর মাথা যেলা তার শরিলর বাদশা, আল-মসীরে অলা জমাতর মাথা, মানি বাদশা হিসাবে বওয়াল করছইন। 23আর ই জমাত অইলোগি আল-মসীর শরিল। যেইন আছমান-জমিনর হক্কলতারে ষোলআনা পুরাপুর করছইন, অউ আল-মসীয়ে জমাতরে পুরাপুর করইন।
2মরা জিন্দেগি থাকি জিতা অওয়া
1তুমরা তো গুনা আর নাফরমানির মাজে মরা আছলায়। 2জগতর ভাবর মাজে পড়িয়া তুমরাও এক সময় হউ নাফরমানি আর গুনার পথে চলা-ফিরা করতায়। যে বদ রুহ আছমানর হকল থাকি শক্তিআলা রাজা, হউ বদ রুহে নাফরমান অকলর ভিতরে কাম করে, আর তুমরাও হউ বদ রুহর মুরিদ আছলায়। 3আমরা হকলেউ এক সময় গুনার স্বভাবর গুলাম বনিয়া, অতা নাফরমান মানষর লাখান জিন্দেগি কাটাইতাম। অউ বদ স্বভাব থাকি যে বদ খাইশ আমরার দিলো আইতো, আমরা অলা কাম করতাম। আর অউ কাম-কাজর লাগি হতা মানষর লাখান আমরাও আল্লার গজবর লাখ আছলাম।
4অইলে আল্লা পাক তো রহমতর ভান্ডার; তাইন আমরারে খুব বেশি মায়া-মহব্বত করইন। 5এরলাগিউ নাফরমানি করিয়া আমরা যেবলা মরা জিন্দেগির মাজে হাবু-ডুবু খাইছলাম, হউ সময় আল-মসীর লগে তাইন আমরারে জিন্দা করলা। আল্লার রহমতে তুমরা রেহাই পাইছো। 6আমরা আল-মসীর লগে আছি, এরলাগি আল্লায় আমরারে আল-মসীর লগে জিন্দা করিয়া, তান লগে করি বেহেস্তর ভিতরে বওয়াইছইন। 7তাইন ইতা করছইন, যাতে তান মহা-মুল্যবান রহমত অকল যুগে যুগে চিরকাল দেখাইতা পারইন। আল-মসীর উছিলায় তাইন আমরারে যে দয়া করছইন, অউ দয়ার মাজদি তান ই রহমতর কথা জাইর অইছে। 8আল্লার রহমতে ইমান আনায় তুমরা নাজাত পাইছো। ইতা তুমরার নিজর কুনু আমলর ফল নায়, খালি আল্লার দেওয়া দান। 9ইতা তো কুনু নেক কামর বদলা নায়, যাতে কেউ কুনু লাখান বড়াই করতো না পারে। 10আমরা তো আল্লা পাকর আতর পয়দা। তাইন আল-মসীর উম্মত হিসাবে আমরারে হিরবার নয়া করি পয়দা করছইন, যাতে আমরা নেক কাম করি। অউ নেক কাম তাইন আগে থাকিউ ঠিক করিয়া রাখছিলা যাতে আমরা অলা জিন্দেগি কাটাই।
হজরত ইছার হকল উম্মত এক
11জন্মগত ভাবে তুমরা অইলায় বিধর্মী জাতির মানুষ। মানষর আত দিয়া যারারে শরিলো মছলমানি করাইল অইছে, এরা কইরা, তুমরা বুলে মছলমানি করাইছো না। 12তে মনো রাখিও, আগে তো তুমরা আল-মসীর গেছ থাকি হরাইল আছলায়; তুমরা আছলায় আল্লার পছন্দ করা বনি ইছরাইলর বাইরর মানুষ। আল্লায় বনি ইছরাইলর লগে মিলনর যতো লাখান উছিলার ওয়াদা করছইন, ইতার লগে তুমরার তো কুনু সম্পর্ক আছিল না। তুমরার কুনু আশাও আছিল না; তুমরা আছলায় ই দুনিয়াত আল্লা ছাড়া জাতি। 13এক কথায়, তুমরা আল্লা থাকি দুরই আছলায়। অইলে অখন ইছা আল-মসীর উম্মত অওয়ায়, তান কুরবানির লউর উছিলায় তুমরারে আল্লার ধারো আনা অইছে।
14তাইনউ আমরার শান্তি। ইছরাইল জাতি আর ভিন জাতি, হক্কলরে তাইন এক করছইন। ই দুইও জাতির মাজে দুশমনির যে ওয়াল আছিল, ই ওয়ালরে তাইন ভাংগিয়া চুরমার করছইন। 15আর সলিবর উপরে নিজর কায়ারে কুরবানি দিয়া, তাইন মুছা নবীর শরিয়তর হকল হুকুম-আহকাম আর আইন-কানুনর খেমতারে বাতিল করছইন। তান ইলা করার কারন অইলো, তাইন চাইলা, অউ দুইওতা দিয়া তান নিজর নয়া এক জাতি পয়দা করতা, যাতে অউ জাতির মাজদি ই দুইও দলর মাজে শান্তি অয়। 16আর তাইন চাইলা, সলিবর উপরে তান নিজর জান কুরবানির উছিলায়, অউ দুইও দলরে তাইন একখানো করিয়া আল্লার লগে মিলন ঘটাইতা। এরলাগি অউ দুইও দলর মাজে দুশমনির যে ভাব আছিল, ই দুশমনিরে তাইন এক্কেবারে মিটাই দিছইন। 17তুমরা এক সময় আল্লা থাকি দুরই আছলায়, আর বনি ইছরাইল অকল কাছাত আছলা, অখন তাইন আইয়া অউ দুইও দলর গেছেউ শান্তির খুশ-খবরি তবলিগ করছইন। 18এরফলে তান উছিলায় আমরা দুইও দল পাক রুহর মাজদি, আমরার বেহেস্তি বাফ আল্লা পাকর দরবারো আজির অইতাম পারি।
19এরলাগিউ তুমরা অখন বাইরর মানুষ নায়, ভিন জাতিও নায়। বরং আল্লার খাছ বন্দা অকলর লগে তুমরাও আল্লার বাদশাই আর তান পরিবারর সদইস্য বনিগেছো। 20সাহাবি আর নবী অকল অইলা তান ঘরর খুটি, আর হজরত ইছা আল-মসী অইলা মুল ইয়ান খুটি। অউ খুটির উপরেউ তুমরারে গড়া অইছে। 21আল-মসীর লগে জুড়া লাগায়, আস্তা ঘরর হকল অংশ একলগে মিলিয়া একখান পবিত্র ঘর তিয়ার অইছে। 22তুমরাও আইয়া তান লগে জুড়া লাগছো, মানি তান উম্মত অইছো, এরলাগি তুমরারেও একলগে গড়িয়া তুলা অর, যাতে পাক রুহর মাজদি ই ঘরর মাজে আল্লার বসত খানা অয়।
3ভিন জাতির লাগি হজরত পাউলুছ
1অউ কারনে আমি পাউলুছে আল্লার দরবারো দোয়া করিয়ার। আর তুমরা যারা ভিন জাতি, তুমরারে ইছা আল-মসীর তরিকার দাওত দেওয়ার লাগিউ আমি অখন জেলো বন্দি অইছি। 2তুমরা নিচয় হুনছো, আল্লায় আমারে অউ খাছ দায়িত্ব দিছইন, তান রহমতরে আমি তুমরার আতো পৌছাই দিতাম। 3আল্লায় তান নিজর বাতুনি মুনশা ওহীর মাজদি আমারে জানাইছইন, আর অউ বেয়াপার খান আমি তুমরার গেছে সংক্ষেপে লেখলাম। 4ইখান পড়লে তুমরা বুজবায়, আল-মসীর বেয়াপারে অউ বাতুনি বিষয় বুজার খেমতা আমার আছে। 5ই বাতুনি বেয়াপার খান সাহাবি আর নবী অকলর গেছে যেলা পাক রুহর মাজদি অখন জাইর অর, আগর জমানার কুনু মানষর গেছেউ ইলা জাইর অইছে না। 6আর ই বাতুনি বেয়াপার অইলো, ইঞ্জিলর খুশ-খবরির মাজদি ভিন জাতি অকলও ইছা আল-মসীর লগে এক অইয়া, বনি ইছরাইলর লগে আল্লাই অধিকারো শরিক অয়, হকল এক শরিলর অংশ অয়, একই ওয়াদার দোয়ার ভাগি অয়। 7আল্লায় তান মহা কুদরতর বলে আমারে রহমত দান করছইন, আর যেলা রহমত পাইছি, অলা খুশ-খবরি তবলিগর দায়িত্ব আদায় কররাম।
8আল্লার হক্কল বন্দার মাজে আমা থাকি হুরু আর কেউ নাই, তা-ও আল-মসীর যে ধনর কথা ষোলআনা বুজা যায় না, অউ মুল্যবান ধনর খুশ-খবরি ভিন জাতির গেছে তবলিগর দায়িত্ব আমার উপরে দিছইন, ইটাউ আল্লার রহমত। 9আর তান বাতুনি মুনশা কিলা কামো লাগাইল যায়, ইখান জাইর করার ভারও তাইন আমার উপরে দিছইন। যেইন আছমান-জমিন হক্কলতা পয়দা করছইন, হউ আল্লায় অতদিন ধরিয়া ইতা বাতুনি রাখছিলা। 10তাইন ইতা বাতুনি রাখার কারন অইলো, আছমানর হকল রাজা আর খেমতাআলা হকলর গেছে, আল্লার নানান নমুনার আখল-হেকমত আল-মসীর জমাতর মাজদি অখন খুলা-মেলা অয়। 11তান নিজর চিরকালর মুনশা মাফিক ইতা অইছে, আর অউ মুনশা-মর্জি আমরার মালিক ইছা আল-মসীর মাজদি পুরা করছইন। 12তান লগে শরিক অইয়া ইমানর বলে, বুকুত সাওস রাখিয়া আল্লার ছামনে আমরা আজির অওয়ার এখতিয়ার পাইছি। 13এরলাগি আমি তুমরারে মিনত করিয়ার, আমি দুখ-মছিবত সইয্য করিয়ার দেখিয়া তুমরা নিরাশ অইও না। ইতা তো তুমরার লাগিউ সইয্য করিয়ার, এরলাগি গৌরব করো।
মুমিন অকলর লাগি মুনাজাত
14-15তে আছমান-জমিনর হকল জানদাররে যেইন পয়দা করছইন, আমি আটু গাড়িয়া হউ বাতুনি বাফর ছামনে মুনাজাতো বইছি। 16আমি দোয়া করি, আল্লায় যানু তান অশেষ কুদরতর বলে তুমরারে অমন বল-শক্তি দেইন, যাতে পাক রুহর মাজদি তুমরার দিল মজবুত অয়, 17আর ইমানর উছিলায় আল-মসীয়ে তুমরার দিল পুরাপুর দখল করইন। আমি দোয়া করি, তুমরা যানু ইছা আল-মসীর মহব্বতর মাজে পুরাপুর ডুব দিয়া থির রও। 18তেউ হকল পাক বন্দা অকলর লগে তুমরাও বুজবায়, আল-মসীর মহব্বতর কুনু কুল-কিনার নাই, কুনু শেষ-সীমা নাই। 19অউ যে মহব্বত পুরাপুর বুজার অসাইধ্য, আমি দোয়া করিয়ার, ই মহব্বতরে যানু তুমরা চিনো, চিনিয়া হারি তুমরাও আল্লাই হকল নমুনার গুনাগুন হাছিল করিয়া পুরাপুর কামিল অও।
20আসলে আল্লার যে কুদরতি বলে আমরার দিলর মাজে কাম করে, হউ বলর উছিলায় আমরার চিন্তা-ভাবনা বা চাওয়া-পাওয়া থাকি আরো বউত বেশি কাম তাইন করতা পারইন। 21হজরত ইছা আল-মসীর মাজদিয়া আর জমাতর মাজদিয়াও যুগ যুগ ধরি হর-হামেশা আল্লা পাকর তারিফ অউক। আমিন।
4এক রইয়াও নানান কাম
1আমার মালিক আল-মসীর লাগি আমি জেলো বন্দি আছি। অউ বন্দি হালতে আমি তুমরারে মিনত করিয়ার, যে কামর লাগি আল্লায় তুমরারে দাওত দিছইন, তুমরা এর উপযুক্ত অইয়া চলো। 2তুমরার আচার-বেবহার যানু পুরাপুর মিঠা আর নরম অয়। পরতেকে ছবর করো আর দিলো মহব্বত রাখিয়া একে-অইন্যরে সইয্য করো। 3আল-মসীর যে শান্তিয়ে আমরারে একখানো জুড়া লাগাইছে, হউ শান্তির বলে পাক রুহর দেওয়া একতা রক্ষার লাগি দিলে-জানে চেষ্টা করো। 4আল্লায় তুমরারে তান পথে দাওত দিছইন করিয়া তুমরার মাজে খালি একখান আশা আছে, খালি এক শরিল আর একজন পাক রুহ আছইন। 5এক ইমান, এক তরিকাবন্দি আর একজন মালিক আছইন। 6হকলর আল্লা খালি একজন, মানি বেহেস্তি বাফ একজনউ আছইন। তাইনউ হকলর উপরে, হকলর মাজে, হকলর দিলো আছইন।
7অইলে আল-মসীয়ে যেলা ঠিক করিয়া রাখছইন, হউ মাফিক আমরা পরতেকে খাছ রহমত পাইছি। 8এরলাগি জবুর শরিফো লেখা আছে,
তাইন গিয়া যেবলা বেহেস্তো উঠিলা,
অউ সময় বন্দি অকলরে বান্দিয়া টানিয়া নিলা,
আর তান মানষরে বউত দান দিলা।
9তে বেহেস্তো গিয়া উঠিলা, ই আয়াত থাকি বুজা যায় না নি, আগে তাইন দুনিয়ার তলে লামছিলা। 10আর যেইন লামছিলা, তাইন হকলতা পুরন করার লাগি, আছমান থাকি আরো উপরে গিয়া উঠিছইন। 11তাইন মানষরে অউ দান দিছইন, কয়জনরে সাহাবি, কয়জনরে নবী, কয়জনরে খুশ-খবরির তবলিগ, কয়জনরে জমাতর ইমাম আর উস্তাদ হিসাবে বওয়াল করছইন। 12তাইন ইলা করার কারন অইলো, আল্লার পাক বন্দা অকলে যানু তান এবাদত-বন্দেগি করার লাগি জুইত অয়, আর অউ নমুনায় আল-মসীর শরিল, জমাত হিসাবে গড়িয়া উঠে। 13তান খিয়াল অইলো, আমরা হকলে যানু আল্লার খাছ মায়ার জন, ইবনুল্লার উপরে ইমান আনিয়া, তানরে ভালা করি চিনিয়া একখানো অই। আর আল-মসী যেলা হকল লাখান গুনে পুরাপুর ভরা, আমরাও অলা হকল গুনে পুরাপুর অইয়া কামিল অই। 14তেউ আমরা আর হুরুতার লাখান রইতাম নায়। মানষে শয়তানি আখল খাটাইয়া বে-পথে নিবার লাগি মানষরে যে ভুল তালিম দেয়, অউ ভুল তালিমে যানু আমরারে পানির আউলা-জাউলা ঢেউর লাখান দু-দিলা না বানায়। 15বরং আমরার দিলর মহব্বতে হক মাত মাতিমু, হকল নমুনায় বড় অইয়া আল-মসীর লাখান অইমু। তাইনউ তো আস্তা শরিলর মাথা। 16আস্তা শরিল অমলা বানাইল অইছে, যাতে শরিলর হকল অংগ যারযির জাগাত রইয়া মুল কায়ার লগে জুড়া লাগাইল রয়। পরতেক অংগ যেবলা ঠিক-ঠাক কাম করে, অউ সময় আস্তা শরিলউ মাথার বলে বাড়িয়া উঠে, আর মহব্বতর মাজদি নিজরে গড়িয়া তুলে।
পুরান জিন্দেগি বদলাও, নয়া অও
17এরলাগি আমি আমার মালিকর নামে তুমরারে হুশিয়ার করি দিয়ার, ভিন ধর্মর মানষে যেলা বাজে চিন্তা করিয়া জিন্দেগি কাটাইন, তুমরা আর ইলা জিন্দেগি কাটাইও না। 18তারার দিল তো আন্দাইরর মাজে পড়ি রইছে। ইতার দিল গোমরা, এরলাগিউ তারা আল্লার বেয়াপারে কুন্তা চিনে না, কুন্তা চিনতো চায়ও না, এরলাগি আল্লার দেওয়া জিন্দেগি থাকি তারা বউত দুরই। 19তারার বিবেক অসাড় অইগেছে, অতার দায় হর-হামেশা নাপাকি কামর ধান্দা করে, তারা নিজর জিন্দেগিরে লাগাম ছাড়া বদ খাইশর আতো ছাড়ি দিছে।
20অইলে তুমরা তো আল-মসীর বেয়াপারে ইলাখান তালিম পাইছো না। 21তুমরা নিচ্চয় তান বেয়াপারে হুনছো, হুনিয়া তান লগে শরিক অইয়া, তান মাজে যে হক আছে, অউ হকর তালিম পাইছো। 22তান তালিম অইলো, ফিন্নর পুরান কাপড় মানষে যেবলা এক্কেরে ফালাই দেয়, অউ লাখান তুমরার ভিতরর পুরান “আমি”রে এক্কেবারে ফালাই দেও, কারন অউ “আমি”র বদ খাইশে মানষর জিন্দেগিরে বরবাদ করিলায়। 23এর বদলা আল্লা পাকরে সুযোগ দেও, তাইন তুমরার দিলরে নয়া হালতে গড়িয়া তুলউক্কা, 24তান দেওয়া নয়া “আমি”রে নয়া কাপড়র লাখান ফিন্দো। অউ নয়া “আমি”রে আসল হক-পরেজগারি আর পাক-পবিত্র করিয়া আল্লার ছুরতে গড়া অইছে।
25এরলাগি তুমরা মিছা মাতা বাদ দেও, একে-অইন্যে হাছা মাতো, কারন আমরা হকলউ একে-অইন্যে মিশিয়া আছি। 26রাগ-গুছা করলেও ই রাগর লাগি গুনা করিও না, সুরুজ ডুবার আগেউ গুছার কথা ফাউরিলাও, 27ইবলিছ-শয়তানরে কুনু সুযোগ দিও না। 28চুরে তার চুরি করা বাদ দেউক, নিজর আতে হালাল পথে মেনত করিয়া খানা খাউক, যাতে তার খাওয়া-ফিন্দার বাদেও গরিব-দুখিরে দিবার লাগি কিছু জমা রয়।
29তুমরার মুখদি যানু বাদ কথা না বারয়, বরং আরক জনর উপকারি তালিমর লাগি ভালা মাত মাতিও, যাতে ইতা হুনিয়া হুনরা জনর ভালাই অয়। 30তুমরা আল্লার পাক রুহরে দুখ দিও না, আখেরি নাজাতর আগ পর্যন্ত অউ রুহ দিয়াউ আল্লায় তুমরারে সীল-চাপ্পড় মারিয়া থইছইন। 31হকল নমুনার বিরক্তি ভাব, মিজাজ দেখানি, রাগ-গুছা, চিল্লাইয়া কাইজ্জা করা, গালা-গালি, আর হকল নমুনার ইংসা-নিন্দা তুমরার গেছ থাকি হরাইলাও। 32বরং তুমরা একে-অইন্যে দয়া করো, অইন্যর দুখে দুখি অও, আল-মসীর মাজদি আল্লায় যেলা তুমরারে মাফ করছইন, তুমরাও অলা একে-অইন্যরে মাফ করো।
5আল্লার নুরে নয়া জিন্দেগি কাটাও
1তুমরা তো আল্লার মায়ার আওলাদ, তে পুত যেলা বাফর লাখান অয়, তুমরাও অলা অও। 2আল-মসীয়ে যেলা আমরারে মহব্বত করছইন, তুমরাও অলা মায়া-মহব্বতর পথে চলো। তাইন আমরারে বাচাইতা করি নিজর জানরে খুশবয়দার কুরবানি হিসাবে আল্লার নামে বিলাই দিছইন।
3কুনু নমুনার জিনা, নাপাকি আর লোভ-লালছর কথা তুমরার মাজে যানু না হুনা যায়, কারন ইতা কাম আল্লার পাক বন্দার লাগি ঠিক নায়। 4আর বেহায়া-বেইজ্জতির যেকুনু মাত-কথা, আচার-বেবহার বা খবিছি ঠাট্টা-মশকরা যানু তুমরার মাজে না অয়, ইতায় তুমরারে মানায় না। ইতার বদলা আল্লার শুকুর-গুজার করো। 5তুমরা তো জানোউ, জিনাকুর, নাপাক আর লালছি মানষে, আল্লা পাক আর আল-মসীর বাদশাইর মাজে কুনু জাগা পাইতো নায়। ইতায় তো এক লাখান মুর্তিপুজা কররা। 6হুশিয়ার রইও, মিছা মাত মাতিয়া কেউ যানু তুমরারে বে-পথে না নেয়, আল্লার নাফরমান বনিয়া যেরা ইতা বদ কাম করে, তারার উপরে আল্লার গজব লামে। 7তুমরা ইলাখান মানষর লগে মিশিও না, 8কারন তুমরা আগে আন্দারির মাজে থাকলেও অখন তো আল-মসীর উম্মত বনিয়া নুরর পথো আইছো। এরলাগি আল্লার নুরে কামিল জনে যেলা জিন্দেগি কাটানি উচিত, তুমরা অউলা চলো। 9আর নুরে চলার ফল অইলো, পরেজগারি, সততা, হকল নমুনার নেক কাম। 10এরলাগি যে কামে মালিক খুশি অইন, তুমরা যাচাই করিয়া অউ কাম করো। 11আন্দাইর জগতর বেফায়দা কামর লগে কুনু নমুনার সম্পর্ক রাখিও না, বরং তুমরা অতার দুষ দেখাই দেও। 12মানষে লুকাইয়া যেতা কাম করইন, ইতা বেয়াপারে কুন্তা মাতাও শরম। 13নুরর মাজদি দুষ দেখাইয়া দিলাইলে ইতা জাইরা অইযায়, 14কারন অউ নুরেউ হকলতা জাইর করে। এরলাগি ছিল্লেখ আছে,
ও ঘুমর মানুষ, হজাগ অও,
মরা থাকি জিতা অও,
তেউ আল-মসীর নুরে,
নুরানি করিবা তুমারে।
15তুমরা চিন্তা-ভাবনা করি দেখো, তুমরার চাল-চলন কিলাখান। বেআখলর লাখান না চলিয়া, আখলদারর লাখান চলো। 16নেক কাম করার যে সুযোগ তুমরার আতো আছে, ইতা ষোলআনা কামো লাগাও, জানো তো অখনকুর জমানা খারাপ। 17এরলাগিউ কইরাম, তুমরা বেআখল বনিও না, বরং মালিকর মর্জিরে বুজো। 18মদর নিশায় টাল অইও না, ইতায় জিন্দেগি নষ্ট করিলায়। বরং পুরাপুর পাক রুহর বশে রও, 19তুমরা হামদ, কাওয়ালি আর পবিত্র জবুর শরিফর গজল গাইয়া একে-অইন্যে বাতচিত করো; তুমরার দিলর ভিতরে মালিকর নামে গজল গাও। 20হামেশা হকল বেয়াপারে আমরার মালিক ইছা আল-মসীর নামে বেহেস্তি বাফ আল্লার শুকরিয়া আদায় করো।
জামাই-বউর বেয়াপারে তালিম
21আল-মসীর ইজ্জত আর ডরে তুমরা একে-অইন্যরে দিল থাকি মাইন্য করো। 22তুমরা যেরা বউ অইছো, তুমরা যেলা মালিক ইছারে মাইন্য করো, অউ লাখান যারযির জামাইরে মাইন্য করো। 23কারন আল-মসী যেলা জমাতর, মানি তান শরিলর মাথা, জামাইও অলা বউর মাথা। আসলে আল-মসীউ অউ আস্তা শরিলর তরানেআলা। 24আর জমাত যেলা আল-মসীর জিম্মায় আছে, অউলা বউ অকলও হকল বেয়াপারে জামাইর জিম্মায় রওয়া উচিত।
25তুমরা যেরা জামাই অইছো, হুনো, আল-মসীয়ে যেলা জমাতরে মহব্বত করছইন, ঠিক অলাখান তুমরাও যারযির বউরে মহব্বত করিও। তাইন তো জমাতর লাগি তান নিজর জান কুরবানি দিছইন। 26তান খিয়াল অইলো, তাইন জমাতরে পবিত্র করার লাগি, তান কালামর মাজদি মানষরে তরিকার গোছল করাইয়া, 27নুরর মহিমায় নিজর ছামনে আজির করা। অউ সময় জমাতর মাজে কুনু কলংকর দাগ, খুত বা ইলা কুন্তাউ রইতো নায়, ইতা পাক-পবিত্র আর নিখুত অইবো। 28এরলাগি জামাইয়ে তার নিজর শরিলরে যেলা মায়া করে, ঠিক তার বউরেও অউলা মায়া করা ফরজ। নিজর বউরে মায়া করার মানি অইলো, নিজর শরিলরে মায়া করা। 29কেউ তো কুনু সময় তার নিজর শরিলরে ঘিন্নায় না, হকলেউ যারযির শরিলর ভরন-পোষন করে। এক্কেরে অউ লাখান, আল-মসীয়েও তান জমাতর ভরন-পোষন যুগাইন। 30কারন আমরা তান শরিলর অংগ। 31আল্লার কালামো লেখা আছে, “এরলাগিউ বেটাইন্তে মা-বাফরে ছাড়িয়া বউর লগে থাকবা, তারা দুইওজন এক শরিল অইবা।” 32ইখান অইলো বউত বড় বাতুনি বেয়াপার, আসলে আমি তো আল-মসী আর তান জমাতর বেয়াপারে কইরাম। 33যাই অউক, তুমরা হকলেউ যারযির বউরে নিজর লাখান মায়া করিও, আর বউ অকলেও যারযির জামাইরে ইজ্জত করা জরুর।
6মা-বাফ আর আওলাদর বেয়াপারে তালিম
1ও আওলাদ অকল, মালিকর মর্জি মাফিক তুমরার মা-বাফর কথামতো চলিও, আর অলা চলাটাউ তো উচিত। 2আল্লার কালামর পয়লা হুকুম, যে হুকুমর লগে পুরুস্কারর ওয়াদা আছে, ইটা অইলো, “তুমার মা-বাফরে ইজ্জত করিও। 3তেউ তুমার ভালাই অইবো, আর ই দুনিয়াত তুমার হায়াতি বাড়িবো।” 4তে তুমরা যেরা হুরুতার বাফ অইছো, তুমরাও নিজর আওলাদরে ছাতাইও না, বরং মালিকর তালিম আর শৃংখলার মাজদি তারারে মানুষ বানাও।
গুলাম আর মুনিবর লাগি তালিম
5তুমরা যেরা গুলাম, তুমরা আল-মসীর যেলা বাইধ্য, অউলা ডর আর তাজিমে দিলে-জানে তুমরার জগতর মুনিব অকলর বাইধ্য রইও। 6খালি মানষরে খুশি করার নিয়তে মুনিবর ছামনে বাইধ্য রইও না, বরং আল-মসীর গুলাম হিসাবে দিলে-জানে আল্লার মর্জি মাফিক চলরায় করিয়া তুমরার মুনিবর বাইধ্য রইও। 7তুমরা ইখান মনো করিও না যে, তুমরা মানষর খেজমত কররায়, বরং আছমানি মালিকর খেজমত কররায় মনো করিয়া, জগতর মুনিবর খেজমতো খিয়ালি অও। 8মনো রাখিও, মালিকর গেছ থাকি পরতেক মানষে যারযির নেক কামর পুরুস্কার পাইবো, হে গুলাম অউক বা আজাদ অউক।
9তুমরা যেরা মুনিব, তুমরাও তুমরার গুলাম অকলর লগে অউলা ভালা বেবহার করো। তারারে ডর দেখানি বাদ দেও, কারন তুমরা তো জানো, তারা বা তুমরা হকলরউ মালিক একজন, তাইন বেহেস্তো আছইন; তান নজরো হকলউ সমান।
আল্লাই আতিয়ারদি ইবলিছর লগে যুদ্ধ করো
10হেশ-মেশ কইরাম, তুমরা আছমানি মালিকর লগে মিলিয়া রইয়া তান কুদরতি বলে বলআলা অও। 11যুদ্ধর লাগি আল্লার দেওয়া হকল নমুনার আতিয়ার লাগাও, তেউ ইবলিছর হকল ছল-চতুরির বিরুদ্ধে মজবুত অইয়া উবাইতায় পারবায়। 12আমরার অউ যুদ্ধ তো কুনু মানষর লগে নায়, ইতা অইলো আন্দাইর জগতর হকল রাজা আর তার খেমতাআলা অকলর বিরুদ্ধে, আন্দাইর জগতর শক্তিআলা বদ রুহ অকলর বিরুদ্ধে, আর আছমানর ইবলিছ-শয়তান দলর বিরুদ্ধে। 13তে অউ যুদ্ধর লাগি তুমরা আল্লার দেওয়া হকল নমুনার আতিয়ার ফিন্দিলাও, যাতে ইবলিছে যেবলা হামলা করবো অউ সময় মজবুত অইয়া উবাইতায় পারো, আর হেশ-মেশ থির রইতায় পারো। 14এরলাগি আল্লাই হকিকতির বেল্ট কমরো বান্দো, আর বুক বাচানির লাগি পরেজগারির আমল দিয়া বুক গুরিয়া রাখো, 15সিপাই অকলর লাখান দুইও পাওয়ো জুতা লাগাও, যাতে শান্তির খুশ-খবরি তবলিগর লাগি জুইত থাকতায় পারো। 16আর সিপাই অকলে নিজরে বাচানির লাগি যে ঢালা বেবহার করে, অউলা হকল সময় তুমরা ইমানর ঢালা আতো লও, অউ ঢালা দিয়া ইবলিছর হকল জালাইল তীর নিভাইতায় পারবায়। 17মাথারে বাচানির লাগি আল্লার দেওয়া নাজাত সিপাইর কেপর লাখান ফিন্দিলাও। আর পাক রুহর তলোয়ার মানি, আল্লার কালামরে মজবুত করি ধরো।
18পাক রুহর বলে দিলে-জানে হর-হামেশা মুনাজাত করো। এরলাগি হজাগ রইয়া হকল পাক বন্দা অকলর লাগি সব সময় মুনাজাত করাত রইও। 19আমার লাগিও দোয়া করিও, আমি কথা মাতার বালা যানু আল্লায় আমার মুখর বুলি যুগাই দেইন, যাতে তবলিগ করার সময় আমি সাওস খাটাইয়া খুশ-খবরির আসল বাতুনি ভেদ মানষরে বুজাইতাম পারি। 20অউ খুশ-খবরি তবলিগর লাগি লুয়ার চেইনদি বান্দা হালতেও আমি আল-মসীর নাইব হিসাবে কাম কররাম। তে জেলর মাজে রইয়া যেলাখান সাওস খাটাইয়া তবলিগ করা জরুর, দোয়া করিও, আমি যাতে অলা করতাম পারি।
বিদায়ি দোয়া
21আমার হাল-হকিকত কিলাখান আর আমার দিন-কাল কিলা যার, ইতা আমার মায়ার দুস্ত তুখিক ভাইর গেছ থাকি হুনবায়। এইন আমরার মালিকর হক-হালাল খেজমতকারি। 22আমি তানরে তুমরার গেছে পাঠাইলাম, তুমরা তান মুখ থাকি আমরার খবরা-খবর হুনবায়, তাইন গিয়া তুমরারে উত্সাহ দিবা।
23আমরার গাইবি বাফ আল্লা পাকে আর হজরত ইছা আল-মসীয়ে, মুমিন ভাই অকলরে শান্তি আর ইমানি মায়া-মহব্বতে রাখউক্কা। 24আমরার হজরত ইছা আল-মসীর লাগি যারার দিলো খাটি মহব্বত আছে, এরা হকলর উপরে আল্লার রহমত নাজিল অউক। আমিন॥