পবিত্র ইঞ্জিল শরিফ ৮ নম্বর ছিপারা

দুছরা করিন্থিয়া

পরিচিতি

পবিত্র আছমানি কিতাবর অউ ছিপারা আল্লা পাকর হুকুমে হজরত ইছা আল-মসীর সাহাবি হজরত পাউলুছে (রাঃ) চিঠির আকারে লেখছইন। ইখান অইলো করিন্থ জমাতর গেছে তান লেখা দুছরা ছহিফা। অনুমান করা অয়, হজরত ইছায় বেহেস্তো তশরিফ নেওয়ার ২১ বছর বাদে ইখান লেখা অইছে।

করিন্থ জমাতর লগে যেবলা হজরত পাউলুছর সম্পর্ক ভালা আছিল না, অউ সময় তাইন জমাতর গেছে ই চিঠি লেখছিলা। পাউলুছর সাহাবি পদ লইয়া করিন্থ জমাতর কয়জন মানষে খুব বিরুধিতা করছিল। অউ ছিপারার মাজে তাইন ইতার জুয়াপ দিছইন।

হজরত পাউলুছর লেখা অউ ছহিফার মাজদি তানরে আরো ভালা করি চিনা যায়। লেখকে তান মনর কথা, আল্লাই খুশ-খবরি তবলিগর বেয়াপারে তান উত্‍সাহ, দুখ-মছিবতর কথা, আর পয়লা ইছায়ী জমাতর মাজে টেকা-পয়সার অভাবর সময় একে-অইন্যে কিলা সাইয্য করছইন, ইতা অউ ছিপারার মাজে লেখছইন। ই ছিপারার মাজে উল্লেখ করা আছিয়া দেশ অখনকুর তুরস্ক দেশর ভিতরে, আর মাকিদনিয়া অখনকুর গ্রীস দেশর ভিতরে। হউ সময় ইতা স্বাধীন দেশ আছিল।

এরমাজে আছে,

(ক) ভুমিকা ১:১-১১ আয়াত

(খ) করিন্থ জমাতর লগে হজরত পাউলুছর সম্পর্ক ১:১২—৭:১৬

(গ) এহুদিয়ার ইছায়ী ইমানদার অকলর লাগি দান ৮—৯ রুকু

(ঘ) সাহাবি হিসাবে হজরত পাউলুছর অধিকার ১০—১৩ রুকু

1

ভুমিকা (১:১-১১)

ছালাম জানানি

1আমি পাউলুছ, আল্লা পাকর মর্জি মাফিক হজরত ইছা আল-মসীর একজন সাহাবি। করিন্থ টাউনর ইছায়ী জমাত আর আস্তা গ্রীস দেশর মাজে আল্লার যতো পাক বন্দা অকল বসত করইন, এরার গেছে আমি আর আমরার মুমিন ভাই তিমথিয়ে অউ ছহিফা খান লেখরাম।

2আমরার গাইবি বাফ আল্লা পাকে আর মালিক ইছা আল-মসীয়ে আপনারা হকলর উপরে রহমত আর শান্তি নাজিল করউক্কা।

বুজ দেওয়ার মালিক আল্লা

3আমরার মালিক ইছা আল-মসীর গাইবি বাফ আল্লা পাকর তারিফ অউক। তাইনউ রহমানুর রহিম আল্লা, হক্কলর দিলর বুজ দেওরা আল্লা। 4হকল জাত দুখ-মছিবতর সময় তাইন আমরারে বুজ দেইন, যাতে তান গেছ থাকি বুজ পাইয়া, অইন্যর দুখ-মছিবতর সময় আমরাও তারারে বুজ দিতাম পারি। 5আল-মসীর লাখান আমরা যেলা বউত দুখ-মছিবত সইয্য করিয়ার, অউলা তান উছিলায় বউত বুজ-শান্তিও পাইয়ার। 6আমরা যে দুখ-মছিবত সইয্য করি, ইতা তো তুমরার মনর সান্তনা আর নাজাতর লাগিউ করি। তুমরারে বুজ দেওয়ার নিয়তেউ আল্লায় আমরারে বুজ দেইন। তুমরা যেবলা আমরার লাখান দুখ-মছিবতো পড়বায়, অউ সময় আমরার দেওয়া বুজ মাফিক তুমরার কষ্টরে সইয্য করতে সাইয্য করবো। 7তুমরার উপরে আমরার মজবুত একিন আছে, তুমরা যেলা আমরার দুখ-মছিবতো শরিক আছো, অউলা আল্লার দেওয়া বুজ-সান্তনার মাজেও শরিক আছো।

8তুরস্কর আছিয়া দেশো আমরা যে মছিবতো পড়ছলাম, অতা তুমরারে জানাইতাম চাই। হিনো থাকতে আমরার উপরে যে আজাব আইছিল, অউ আজাব অলা মারাত্মক আছিল, এরলাগি আমরা জানর মায়া ছাড়ি দিছলাম। 9মনো করছলাম, আমরা নিচ্চিত মারা যাইমু। তে আমরার ই হালত অইছিল, যাতে আমরা নিজর উপরে ভরসা না করিয়া, যে আল্লায় মুর্দারে জিন্দা করি তুলইন, অউ আল্লার উপরে ভরসা করি। 10এক বেজুইতা মউতর আত থাকি তাইন আমরারে বাচাইছইন, আর অখনও বাচাইরা। আমরা তান উপরে ভরসা করতাম পারি, তাইন হামেশাউ আমরারে অলাখান বাচাইবা। 11তুমরাও দোয়া-মুনাজাত করিয়া আমরারে সাইয্য কররায়, এরলাগি বউত জনর দোয়ার খাতিরে আমরা যে রহম পাইছি, অতার ফল দেখিয়া বউতে আল্লার শুকরিয়া আদায় করবা।

করিন্থ জমাতর লগে হজরত পাউলুছর সম্পর্ক (১:১২-৭:১৬)

হজরত পাউলুছর ছফরর দেরি

12আমরা যেতা লইয়া গৌরব করিয়ার, আমরার বিবেকেও অলা কয়, আল্লার দেওয়া পবিত্র আর সরল মন লইয়া হকল মানষর মাজে জিন্দেগি কাটাইছি, খাছ করি তুমরার মাজেউ কাটাইছি। ই জিন্দেগি আমরা দুনিয়াবি আখল-হেকমতে নায়, খালি আল্লার রহমতর বলে কাটাইছি। 13আমরা তো তুমরার গেছে লুকাই-চাপাই কুনুতা লেখিয়ার না, তুমরা যে লেখা পড়রায় আর বুজরায়, খালি অউ বেয়াপারেউ লেখিয়ার। আর আশা করিয়ার, তুমরা হামেশাউ অলা বুজাত রইবায়। 14আসলে আমরার বেয়াপারে তুমরা থুড়া কিছু জানিয়াউ, আমরারে লইয়া যেলা বড়াই কররায়, মালিক ইছায় তশরিফ আনার সময় তুমরারে লইয়া আমরাও অলা বড়াই করমু।

15আর অউ কথার উপরে ভরসা করিয়া আমি খুব খিয়ালি অইছলাম, আমি আওয়া-যাওয়ার পথো দুইও বার তুমরার গেছে যাইমু, গেলে তুমরা দুইও বারউ রহম-নিয়ামত পাইবায়। 16আমি মনো করছলাম, মাকিদনিয়াত যাওয়ার পথে তুমরার লগে দেখা করমু আর হন থাকি হিরবার তুমরার গেছে আইমু, যাতে এহুদিয়া জিলাত যাওয়ার কালো তুমরা আমারে আগুয়াইয়া দেও। 17অইলে আমি না আওয়ায় তুমরা মনো কররায় নি, আমি ইতা ঢং করছলাম? জগতর মানষে যেলা একবার কয় “অয়, অয়” আরকবার কয় “না, না”, আমিও অলা নি?

18আল্লা পাক তো হক আর খাটি, ইখান যেলা হাছা, অউলা এওখানও হাছা, তুমরার গেছে আমরার জবান একবার “অয়” আর আরকবার “না” অয় না। 19আমি, সিলাছ, আর ভাই তিমথিয়ে তুমরার গেছে যার কথা তবলিগ করছি, হউ ইছা আল-মসীউ অইলা আল্লার খাছ মায়ার জন ইবনুল্লা, তাইন একবার “অয়” আর একবার “না” নায়, তাইন তো হকল সময়উ “অয়।” 20আল্লা পাকর হকল ওয়াদাউ তো আল-মসীর মাজদি পুরা অয়। এরলাগি মুনাজাতর সময় আল্লার গৌরবর লাগি আল-মসীর নামর উছিলায় আমরা “আমিন” মানি “অয়” কই। 21আর আল-মসীর লাগি আমরারে আর তুমরারে যেইন মজবুত করি টিকাই রাখছইন, তান নাম আল্লা। তাইনউ আমরারে খেলাফতি দিছইন। 22তান নিজর ধন হিসাবে আমরারে সীল-চাপ্পড় মারিয়া রাখছইন, আর তাইন যেতা আমরারে দিবার ওয়াদা করছইন, ইতার পয়লা কিস্তি হিসাবে আমরার দিলর মাজে আল্লাই পাক রুহ দান করছইন।

23আমি আল্লারে সাক্ষি রাখিয়া আমার জিন্দেগির কছম খাইয়া কইরাম, তুমরার বায় দয়া-মায়া থাকায় তুমরারে বাচানির খিয়ালে আমি করিন্থ টাউনো যাওয়া বন্দ রাখছি। 24আমরা নিজরে তুমরার ইমানর মালিক মনো কররাম না, বরং তুমরারে খুশি-বাসিয়ে রাখার লাগি তুমরার লগে রইয়া কাম কররাম। কারন তুমরা ইমানে মজবুত আছো।

2

1এরলাগি মনে মনে ঠিক করলাম, তুমরার মনো দুখ দেওয়ার লাগি আমি আর তুমরার গেছে যাইতাম নায়। 2কারন আমি তুমরারে দুখ দিলে আমারে খুশি করবো কে? আর আমি যারারে দুখ দিমু, অউ তুমরা ছাড়া আমারে খুশি করার আর তো কেউ নাই। 3আমার ইলা লেখার কারন অইলো, আমি যেবলা যাইমু, অউ সময় যেরা আমারে খুশি করার কথা, তারার গেছ থাকি যানু কুনু দুখ না পাই। তুমরার উপরে আমার ই বিশ্বাস আছে, আমি যেতাত খুশি অইমু, তুমরাও ইতাত খুশি অইবায়। 4আমার মনো বড় দুখ লইয়া, চখুর পানি ফালাইয়া আগে তুমরার গেছে লেখছলাম। আসলে আমি তুমরারে দুখ দেওয়ার লাগি লেখছি না, বরং তুমরার লাগি আমার যে কতো মহব্বত, অখান জানানির লাগিউ লেখছি।

অপরাধিরে মাফ করা

5আমারে যুদি কেউ দুখ দিয়া থাকে, তে হে খালি আমারে নায়, থুড়া অইলেও তুমরা হকলরেউ দুখ দিছে। 6তুমরা বেশির ভাগ জনে মিলিয়া তারে যে সাজা দিছো, অতাউ তার লাগি যথেষ্ট। 7অখন তুমরা তারে মাফ করি দিলাও, তারে বুজ দেও, যাতে বেশি দুখে হে কাতর না অয়। 8এরলাগি খাছ করি তুমরারে কইরাম, তুমরা যেন তারে মায়া করো, ইতা পরমান করি দেখাও। 9আমি পরিক্ষা করি দেখতাম চাইছলাম, তুমরা হকল বেয়াপারে বাইধ্য আছো কি না, এরলাগিউ আমি তুমরার গেছে লেখছি। 10তুমরা যুদি কুনু বেয়াপারে কেউররে মাফ করি দিলাও, তে আমিও তারে মাফ করি দেই। আর হাছাউ যুদি আমি কুন্তা মাফ করিয়া থাকি, তে আল-মসীর ছামনে তুমরার লাগিউ করিয়ার, 11যাতে শয়তানে আমরারে ধুকা দিতো না পারে। তার কু-মতলবর কথা তো আমরার অজানা নায়।

আল-মসীরে চিনাউ তো ঘেরানর লাখান

12আমি তরোয়াছ টাউনো আল-মসীর বেয়াপারে খুশ-খবরি তবলিগ করাত গিয়া দেখলাম, হনো কাম করার লাগি মালিকে আমারে একটা সুযোগ করি দিছইন। 13অইলে আমার ইমানদার ভাই তীতাছরে হনো না পাওয়ায় আমার মনো খুব অশান্তি আছিল। এরলাগি তরোয়াছ টাউনর মানষর গেছ থাকি বিদায় লইয়া মাকিদনিয়াত গেলামগি।

14অইলে আমরা আল্লার শুকরিয়া জানাই, তাইন আমরারে হামেশা আল-মসীর বিজয়র মহা ফুর্তির মিছিলর লগে চালাইরা। আল-মসীরে চিনা তো এক ঘেরানর লাখান। আল্লায় তান জয়-যাত্রায় অউ ঘেরান আমরার মাজদি হকল জাগাত ছিতরাই দেইন। 15যেরা নাজাত হাছিল কররা আর যেরা বিনাশ অইরা, অউ দুইও দলর লাগি আমরা অইলাম আল-মসীর এক ঘেরান, অউ ঘেরানরে আল-মসীয়ে আল্লার দরবারো কুরবানির লাখান সপিয়া দিরা। 16যেরা বিনাশ অইযার, তারার গেছে আমরার ঘেরান অইলো মরার গন্দ, যার ফল অইলো নিচ্চিত মরন। আর যেরা নাজাত হাছিল কররা, তারার গেছে আমরা অইলাম জিন্দেগির ঘেরান, এর ফল অইলো আখেরাতর জিন্দেগি। ই অতো বড় নেক কাম করার লাখ কুন জন? 17নিজর লাভর লাগি যেলা বউত জনে আল্লার কালাম লইয়া ব্যবসা করে, আমরা তো ইতার লাখান নায়। আমরা বরং আল্লার পাঠাইল জন হিসাবে সরল মনে আল-মসীর নামে আল্লারে আজির-নাজির রাখিয়া তবলিগ করিয়ার।

3

আল্লার লগে মিলনর নয়া এক উছিলার খাদিম

1তুমরা কিতা মনো করো, আমরা ইতা কইয়া হিরবার আমরার নিজর সুনাম গাওয়াত লাগছি নি? কুনু কুনু মানষর যেলা অইন্যর গেছ থাকি সনদ নেওয়া লাগে, আমরাও অলাখান তুমরার গেছে বা তুমরা থাকি সনদ পাওয়া লাগবো নি? না, মোটেউ না। 2তুমরার নাম তো আমরার দিলর মাজে লেখা আছে, তুমরাউ অইলায় আমরার সনদ। আর অউ সনদর কথা তো হকলেউ জানে আর হকলেউ পড়ে। 3ইখান তো পরিস্কার বুজা যায়, আল-মসীর লেখা সনদ অইলায় তুমরাউ, তুমরাউ আমরার মেনতর ফল। ই সনদ তো কুনু কালি-কলম দিয়া লেখা অইছে না, খালি আল্লার পাক রুহ দিয়া লেখা অইছে। ইখান তো তুর পাড়ো পাওয়া শরিয়তর লাখান কুনু পাথরর উপরে লেখা নায়, বরং মানষর দিলর মাজেউ লেখা অইছে।

4অউ বেয়াপারে আল-মসীর উছিলায় আল্লার দরবারো আমরার পুরাপুর নিচ্চয়তা আছে, 5তা-ও আমরা যে নিজর গুনে হকলতা করিলতাম পারমু, ইলা কুনু কথা নায়। ই খেজমতি গুন তো খালি আল্লার গেছ থাকিউ পাই। 6আল্লার লগে মিলনর নয়া উছিলার কথা জানানির লাগি, তাইনউ আমরারে ই খেজমতি গুন দান করছইন। ই উছিলা তো অক্ষরে অক্ষরে শরিয়ত মানার বেয়াপার নায়, বরং পাক রুহর পরিচালনায় দিলর ইমান-আকিদার বেয়াপার। কারন অক্ষরে মউত, আর রুহে জিন্দেগি।

7পাথরর উপরে লেখা শরিয়তি যে খেজমতে মরন আয়, অউ শরিয়ত নাজিলর সময় তো আল্লার মহিমা জাইর অইছিল। অউ সময় হজরত মুছার চেহারাও আল্লার মহিমায় নুরানি অইগেছিল। তান মুখর নুরানি ছুরত যুদিও আস্তে আস্তে কমি যাওয়া ধরছিল, তেবউ বনি ইছরাইল অকলে তান চেহারা বায় চাওয়ার তাক্কত অইছে না। 8অউ শরিয়তর খেজমতি ফল যুদি অতো মহিমা আলা অয়, তে পাক রুহর খেজমতি ফল কতো বেশি মহিমা আলা! 9অউ যে অক্ষরি শরিয়তে মানষরে দুষি সাইবস্তো করে, তার খেজমতি কাম যুদি অতো মহিমা আলা অয়, তে যে খেজমতে বে-কছুর খালাছ কইয়া গইন্য করে, ই খেজমত তো আরো কতো বেশি মহিমা আলা! 10বুজরায় নি, আগে যেতা মহিমা আলা আছিল, অখন ইতার কুনু মহিমা নাই কইলেউ চলে, তার তুলনায় অখনকুর নয়া খেজমতর মহিমা বউত বেশি। 11যে নুরানির তেজ কমা ধরছিল, ইতা যেবলা অতো মহিমা আলা, তে যেতা চিরকাল রইবো, ইতা তো আরো কতো বেশি মহিমা আলা!

12আমরার মনো অলাখান আশা আছে গতিকেউ আমরা খুলা-খুলি মাতি। 13আমরা তো হজরত মুছার লাখান নায়, তাইন পর্দা দিয়া তান মুখ গুরিয়া থইছলা, যাতে তান মুখর কমি যাওয়া নুরানি ছুরত বনি ইছরাইলে না দেখইন। 14অইলে তারার দিল পাষান অইগেছিল। আর অখনও তৌরাত শরিফো লেখা, আল্লার লগে মিলনর হউ পুরানা উছিলার কথা তিলাওত করলে, তারার দিলর মাজে পর্দা থাকে। খালি ইছা আল-মসীর উপরে ইমান আনলে অউ পর্দা হরি যায়। 15আর অখন পর্যন্ত হজরত মুছার তৌরাত শরিফ তিলাওত করার সময় বনি ইছরাইল অকলর দিল পর্দা দিয়া গুরা থাকে। 16তারার মাজে কেউ যেবলা মালিকর উপরে ইমান আনে, অউ সময় হউ পর্দা হরি যায়। 17অউ মালিক অইলা পাক রুহ, আর মালিকর রুহ যেনো আছে, অনোউ স্বাধীনতা আছে। 18আয়নার ছামনে যেলা পর্দা ছাড়া মুখ সরাসরি দেখা যায়, অউলা আমরা হকলউ আল-মসীর নুরানি মহিমা দেখি দেখি আরো বেশি মহিমা আলা বনিয়া তান লাখান মহিমা আলা অইরাম। আমরার মালিক ইছা, মানি পাক রুহর কুদরতি বলেউ ইলা অর।

4

মাটির বাসনো রাখা ধন

1অউ কারনে, আল্লায় মেহেরবানি করিয়া অউ নয়া খেজমতি কামর দায়িত্ব আমরার আতো দিছইন করি, আমরা নিরাশ অই না। 2তবলিগ কামো মানষে লুকাইয়া যেতা বে-হায়ামি করইন, ইতা আমরা মোটেউ করি না। আমরা কুনু কামো ছল-চতুরি করি না, আল্লার কালামো ভেজাল মিশাই না। বরং হক কথারে খুলা-মেলা কইয়া হকল মানষর গেছে আর আল্লার দরবারো আমরারে যোইগ্য হিসাবে পরমান করি। 3আমরার খুশ-খবরি যুদি লুকাইল থাকে, তে লান্নতি পথে যেরা যাইরা, তারার গেছেউ লুকাইল থাকে। 4অউ জগতর দেবতা ইবলিছে অ-ইমানদার অকলর দিলরে আন্দা বানাইলিছে, যাতে তারা খুশ-খবরির নুর না দেখে। অউ খুশ-খবরির মাজদি আল-মসীর গৌরব জাইর অইছে, আর অউ আল-মসীউ অইলা আল্লার অবিকল ছুরত। 5আমরা তো নিজর বেয়াপারে তবলিগ কররাম না, খালি ইছা আল-মসীরে তবলিগ কররাম, তাইনউ মালিক, তান লাগিউ আমরা তুমরার গুলাম বনছি। 6আমরা ইতা তবলিগ কররাম, কারন যে আল্লায় কইছইন, “আন্দাইর থাকি ফর অউক,” হউ আল্লা পাকে তান নুর আমরার দিলো জালাইছইন, যাতে আল-মসীর চেহারার মাজে আল্লার নুরর মহিমা জাইর অয়।

7আল্লাই অউ নুরর ধন তো মাটির বাসনো রাখা অইছে, অউ বাসন অইলাম আমরাউ। মাটির বাসনো রাখা অইছে, যাতে মানষে বুজতো পারে অউ কুদরতি মহাশক্তি আমরার নিজর গেছ থাকি আইছে না, বরং আল্লার গেছ থাকিউ আইছে। 8হকল বায় থাকি আমরার উপরে বউত লাখান চাপ আইলেও, আমরা চুরমার অইছি না। আমরা বেদিশা লাগলেও পুরাপুর নিরাশ অইছি না। 9আমরার উপরে জুলুম করা অইলেও আল্লায় তো আমরার লগ ছাড়ছইন না। মাটিত ফালাইয়া আছাড়লেও আমরা বিনাশ অইছি না। 10হামেশা মালিক ইছার মউতর দুখ-কষ্টর নিশানা আমরার শরিলো লইয়া ঘুরিয়ার, যাতে আমরার শরিলর মাজে তান জিন্দেগিও দেখা যায়। 11আর আমরা যতো সময় বাচিয়া আছি, মালিক ইছার লাগি আমরারে তো হর-হামেশাউ মউতর আতো তুলি দেওয়া অর, যাতে অউ মউতর অধীন শরিলো তান জিন্দেগি জাইর অয়। 12অউ নমুনায় আমরার মাজে কাম করের মউতে, আর তুমরার মাজে কাম করের জিন্দেগিয়ে।

13পবিত্র জবুর শরিফো আছে, “আমি ইমান আনছি গতিকেউ কইলাম।” অউ একই ইমানর ভাগি অইয়া আমরাও অলা কই। 14কারন আমরা জানি, যে আল্লায় মালিক ইছারে জিন্দা করছলা, হউ আল্লায় তান লগে আমরারেও জিন্দা করবা, আর আমরার লগে করি তুমরারেও তান ছামনে আজির করবা। 15ইতা হকলতা তুমরার ভালাইর লাগিউ অইছে, যাতে মানষর উপরে আল্লার যে রহমত নাজিল অইছে, হউ রহমতর খাতিরে বউতে আরো বেশি করি আল্লার শুকরিয়া আদায় করে আর আল্লার গৌরব অয়।

ইমানে জিন্দেগি কাটানি

16এরলাগি আমরা নিরাশ অই না। যুদিও আমরার রক্ত-মাংসর শরিল ক্ষয় অইযার, তেবউ আমরার রুহ দিন দিন তাজা অইয়া উঠের। 17অখন আমরা যে কয়দিনর লাগি সামাইন্য কষ্ট করিয়ার, ই কষ্টর বদলা আমরা চিরকালর লাগি অফুরন্ত শান-মহিমা লাভ করমু। 18চউখদি যেতা দেখা যায়, আমরা তো ইতার বায় চাইরাম না, বরং যেতা দেখা যায় না, অতার বায় চাইরাম। চউখে যেতা দেখা যায়, ইতা তো থুড়া কয়দিনর, অইলে যেতা দেখা যায় না, ইতা চিরকালর।

5

1আমরা জানি, আমরা ই দুনিয়াবি যে ডেরা-ঘরো বসত করি, মানি যে কমজুর শরিল লইয়া আছি, ইখান যুদি বিনাশও অইযায়, তেবউ আল্লার দেওয়া একখান ঘর আমরার আছে। ই ঘর কুনু মানষর আতর বানাইল নায়, ইখান তো হামেশা বেহেস্তো আছে। 2অউ ডেরা-ঘরো বসত করা হালতে আমরা লাম্বা করি দম ফালাইয়ার আর দিলে-জানে আশা করিয়ার, যাতে বেহেস্তি হউ নয়া ঘরর মাজে আমরারে গুরা অয়। 3তা-ও কথা অইলো, অউ ডেরা-ঘর ভাংগার বাদে আমরারে যানু লেমটা দেখা না যায়। 4অউ ডেরা-ঘরো রইয়া ভার-বোঝা বইতে বইতে আমরা আহাজারি করিয়ার। এরবাদেও আমরা রক্ত-মাংসর ই ডেরা-ঘর ছাড়তাম চাই না, তা-ও ভালা ঘরর লাগি বার চাইরাম, যাতে অখনকুর অউ মউতর অধীন ডেরা-ঘর ফালাইয়া, চিরকাল জিন্দা থাকার জুকা ঘর পাই। 5অতার লাগিউ আল্লায় আমরারে জুইত করছইন আর ইতার বায়নামা হিসাবে আমরারে পাক রুহ দান করছইন।

6এরদায় আমরার সাওসর কুনু কমতি নাই। আমরা তো বুজিলিছি, যতদিন অউ রক্ত-মাংসর শরিল লইয়া বসত করমু, অতদিন আমরা মালিকর গেছ থাকি হরাইল রইমু। 7আমরা তো চখুর দেখা কুন্তার ভরসায় চলি না, খালি ইমানর বলেউ চলি। 8আসলে আমরার ভিতর ভরা সাওস আছে, আর আমরা রক্ত-মাংসর শরিলো রওয়া থাকি মালিকর লগে বসত করা খানউ ভালা মনো করি। 9এরলাগি আমরা শরিলর মাজে থাকি বা না থাকি, আমরার নিয়ত অইলো মালিকরে খুশি করা। 10কারন আল-মসীর আদালতো আমরা হকলেউ উবানি লাগবো, যাতে দুনিয়াবি অউ শরিলে আমরা যতো নমুনার বাদ-ভালা কাম করছি, অউ কামর বদলা পাই।

আল্লার লগে মিলনর খুশ-খবরি তবলিগ

11আমরা তো আল্লা পাকরে ডরাইয়া চলি, এরলাগি মানষরে বুজানির চেষ্টা কররাম। আমরার বেয়াপার তো আল্লার দরবারো পরিস্কার, আশা করি তুমরার গেছেও অলা পরিস্কার আছি। 12ইখান কইয়া আমরা হিরবার নিজর তারিফ গাইরাম না, বরং আমরারে লইয়া তুমরার বড়াইর কারন জানাইরাম। তে যেতা মানষে ভিতর না দেখিয়া, খালি মানষর বার গালা লইয়া বড়াই করে, তুমরা তারারে একটা জুয়াপ দিতায় পারো। 13আমরা যুদি পাগল অই, তে আল্লার পাগল অইছি, আর যুদি মাথা ভালা থাকে, তে তুমরার লাগিউ ভালা আছে। 14আল-মসীর মহব্বতে আমরারে পুশ মানাইয়া চালায়। আমরা নিচ্চিত বুজছি, হকলর তরফ থাকি একজনর মউত অইছিল, এরলাগি হকলরউ মউত অইছে। 15তাইন হকলর লাগি মারা গেছলা, যাতে যেরা জিন্দা আছইন, তারা যানু আর নিজর লাগি না বাচইন। বরং তারার লাগি যেইন মারা গেছলা আর হিরবার জিন্দা অইছলা, তান লাগিউ তারা বাচইন।

16এরলাগি অখন থাকি আমরা আর মানষর বাইরর ছুরত দেখিয়া বিচার করি না। আমরা তো আগে আল-মসীরে অলাখান মনো করছলাম, অইলে অখন আর ইলা করি না। 17কেউ যুদি আল-মসীর তরিকা কবুল করে, তে হে নয়া পয়দা অইলো। তার পুরান হকলতা ফুছিয়া হারি এক্কেরে নয়া বনিগেল। 18ইতা তো আল্লা থাকিউ অয়। তাইন আল-মসীর উছিলায় তান লগে আমরার মিলন ঘটাইছইন, আর আমরারে অউ খেজমতর দায়িত্ব দিছইন, বাদ-বাকি হকল মানষরে তান লগে মিলাই দিতাম। 19এর মানি অইলো, আল্লায় মানষর গুনার বায় না চাইয়া, আল-মসীর উছিলায় তান লগে মানষর মিলন ঘটাইছইন। আর অউ মিলনর খুশ-খবরি তবলিগর দায়িত্ব আমরারে দিছইন।

20এরলাগিউ আমরা আল-মসীর নাইব হিসাবে তান পক্ষে মাতিরাম। আসলে আল্লায়উ আমরার মাজদি মানষরে মিনতি কররা। আর আল-মসীর পক্ষে আমরাও মিনত কররাম, তুমরা আল্লার লগে মিলিত অও। 21হজরত ইছা আল-মসীয়ে তো কুনু গুনা-নাফরমানি করছইন না। অইলে আমরা হকলর গুনার সাজা আল্লায় তান কান্দো তুলি দিলা, যাতে তান উপরে ইমান আনার মাজদি আল্লাই পবিত্রতায় আমরা পরেজগার হিসাবে কবুল অই।

6

1আল্লার খাদিম হিসাবে আমরা অউ মিনত করিয়ার, তুমরা যেবলা আল্লার রহমত পাইছো, তে ইকটারে বিফল অইতে দিও না। 2পাক কালামো আল্লায় বাতাইছইন,

আমি সঠিক সময়ে তুমার আরজি হুনছি,

নাজাত পাওয়ার দিন তুমারে সাইয্য করছি।

হুনো, অখনউ সঠিক সময়, অখনউ নাজাত পাওয়ার দিন।

হজরত পাউলুছর খেজমত কামর হালত

3আল-মসীর নামে আমরা যে তবলিগ করি, অউ তবলিগর বদনাম না অওয়ার লাগি আমরা ইলা কুনু কাম করি না, যে কামে মানষর মনো বাধা আয়। 4বরং হকল বেয়াপারে আমরা পরমান দেখাইরাম, আমরা আল্লার খেজমতকারি। বউত দুখ-কষ্ট, জুলুম-মছিবত, আর বিপদ-আপদ সইয্য করিয়া ইতার পরমান দিরাম। 5আমরারে বউত বার মাইর-ধইর করা অইছে, বউত বার জেলো হারানি অইছে, বউত দাংগা-হাংগামা আমরার উপরেদি গেছে, বউত মেনত করছি, না ঘুমাইয়া রাইত কাটাইছি আর উপাস-খাপাস রইছি। 6ইতা ছাড়া আমরার পাক-পরেজগার জিন্দেগি, আখল-বুদ্ধি, ছবরগারি, দয়া-মায়া, দিলর পাক রুহ, খাটি মহব্বত, 7হক কথা কওয়া আর আল্লার কুদরতি বল, দুইও আতে পরেজগারির আতিয়ার বেবহার করিয়ার। 8মানষে আমরারে দাম দেউক বা না দেউক, আমরার সুনাম গাউক বা বদনাম গাউক, ইতায় আমরার যায় আয় না। মানষে কইরা, আমরা বুলে টগ, আসলে তো আমরা হক পথে চলি। 9মানষে কইন, আমরারে চিনইন না, তেবউ হকলে আমরারে চিনে। আমরা মরার লাখ অইগেলেও বাচিয়া আছি। আমরারে মাইর-ধইর করা অর, অইলে জানে মারা অর না। 10বউত দুখর মাজেও আমরা হামেশা খুশি-বাসি আছি। আমরা নিজে গরিব অইয়াও বউতরে ধনি বানাইছি। আমরার তো কুন্তাউ নাই, তেবউ হক্কলতার মালিক। অউ লাখান আমরা পরমান করছি, আমরা আল্লার খেজমতকারি।

11ও করিন্থ জমাতর মুমিন ভাই অকল, তুমরার গেছে তো খুলা-মেলাউ মাতিছি, তুমরার লাগি আমরার মন উজাড় করি দিছি। 12আমরার দিল তুমরার লাগি খুলিয়া রাখছি, অইলে তুমরার দিল আমরার লাগি বন্দ করি থইছো। 13তে আমার আওলাদ হিসাবে তুমরারে কইরাম, আমরা যেলা তুমরার লাগি দিল খুলিয়া রাখছি, তুমরাও অলা আমরার লাগি তুমরার দিল খান খুলিয়া দেও।

বিধর্মীর লগে কুটুমিতা করিও না

14তুমরা বিধর্মী মানষর লগে খেশি-কুটুমিতা করিও না। পরেজগারর লগে নাফরমানর মিল কুয়াই? আল্লার নুরর লগে আন্দারির কুনু খাতির আছে নি? 15ইবলিছর লগে আল-মসীর কুনু খাতির আছে নি? মুমিনর লগে বিধর্মী শরিক অইবো কিলা? 16জানো তো, পাক কালামো আল্লায় কইরা,

আমি তারার ভিতরে বসত করমু,

তারার লগেউ চলা-ফিরা করমু।

আমি অইমু তারার আল্লা,

তারা অইবা আমার প্রজা।

তে আমরাউ অইলাম জিন্দা আল্লার বসত খানা। আল্লার কাবা ঘরর ভিতরে মুর্তির কুনু জাগা আছে নি? 17পাক কালামো আরো বাতাইছইন,

এরলাগি তুমরা বিধর্মীর গেছ থাকি হরো,

তারার গেছ থাকি আলগ রও,

নাপাক কুনু জিনিস ছইও না,

তেউ আমি তুমরারে কবুল করমু।

18আমি অইমু তুমরার গাইবি বাফ,

তুমরা অইবায় আমার আওলাদ,

ইখান আমি আল্লা রাব্বুল আলামিনে কইরাম।

7

1ও মায়ার ভাই অকল, অউ ওয়াদা অকল তো আমরার লাগিউ করা অইছে, তে আও আমরা শরিলর আর দিলর নাপাকি দুর করিয়া নিজরে পাক-ছাফ করি, আর আল্লার ডর-খফে পুরাপুর পাক-পবিত্র জিন্দেগির পথে চলি।

তৌবা করার বাদে খুশি-বাসি

2ভাই অকল, আমরা তো কুনু মানষর লগে অইন্যায় করছি না, কেউরর খেতিও করছি না আর কেউররে টগাইছিও না। এরলাগি আমরারে তুমরার দিলর মাজে ঠাই দেও। 3তুমরারে দুষিবার লাগি ইখান কইরাম না। আমি আগেউ কইছি, তুমরা তো আমরার জানর জান কইলজার টুকরা, আমরা মরলেও একলগে মরমু, বাচলেও একলগে বাচমু। 4তুমরার উপরে আমি খুব ভরসা করি, তুমরারে লইয়া বড়াই করি। এরলাগি অতো দুখ-মছিবতর মাজে রইয়াও আমার জানো শান্তি আছিল, আমার মন খুশি-বাসিয়ে ভরা।

5হুনো, অউ মাকিদনিয়াত আইয়াও আমরার শরিলো কুনু সুখ পাইছি না, হকল বায় থাকিউ আমরা কষ্ট পাইছি, বাইরে আছিল গন্ডগোল আর জানর ভিতরে আছিল ডর-খফ। 6অইলে আল্লা পাক, যেইন দুখি জনরে বুজ দেইন, তাইন আমরারে বুজ দিবার লাগি তীতাছ ভাইরে অনো আনাইলা। 7খালি ইখান নায়, তীতাছ ভাইয়ে তুমরার গেছ থাকি যে বুজ পাইছলা, অউ বুজে তাইন আমরারেও বুজ দিলা। তাইন তুমরার মনর এশকি, তুমরার কান্দা-কাটির কথা জানাইলা, আমার বেয়াপারে তুমরা বুলে খুব আগ্রহী। অউ হকলতা হুনিয়া আমি খুব খুশি অইছি।

8ভাইয়াইনরে, আমার আগর চিঠির মাজে যুদিও তুমরারে দুখ দিছলাম, তেবউ আমার মনো কুনু কষ্ট নাই। আমি যেবলা বুজলাম, অউ চিঠিয়ে তুমরার মনর মাজে থুড়া কয়দিন দুখ দিছে, অউ সময় আমিও কিছু দুখ পাইছলাম, 9অইলে অখন আমি খুশি। তুমরারে দুখ দেওয়ায় খুশি অইছি না, বরং দুখ পাইয়া তুমরা তৌবা করছো দেখিয়া খুশি অইছি। অউ দুখ পাইছলায় তুমরা আল্লার মর্জিয়ে, যাতে আমরার দারা তুমরার কুনু খেতি না অয়। 10আল্লার দেওয়া মনর কষ্টয় মানষে তৌবা করইন, আর জান বাচাইন। তে অউ কষ্টয় তো দুখ নাই। অইলে দুনিয়াবি মনর কষ্টয় মানষর মরন আনে। 11তুমরা বুজরায় নি, আল্লার দেওয়া মনর কষ্টয় তুমরার কতো ভালাই করছে, তুমরারে নাফরমানি থাকি বাচাইছে, গুনার বায় তুমরার ঘিন্না জন্মাইছে, মনে মনে কতো ডর ডরাইছো, আল্লার বায় কতো আগুয়াইছো, নাফরমানি কামর বিচার করছো। অউ বেয়াপারে তুমরা হকল মন্তেউ পরমান দিছো, তুমরা নিখুত। 12আমি যুদিও অউ চিঠি লেখছিলাম, অইলে যে মানষে অইন্যায় করছে বা যার উপরে অইন্যায় করা অইছে তার লাগি নায়, বরং আল্লার দরবারো যাতে তুমরার অউ হালত খান জাইর অয় যেন, তুমরা হাছাউ আমরারে মহব্বত করো, অতার লাগিউ লেখছি। 13এরলাগি আমরা বুজও পাইছি।

অউ বুজ পাইয়া আর ভাই তীতাছর খুশি দেখিয়া আমরা আরো বেশি খুশি অইছি, কারন তুমরা হকলর গেছ থাকি তাইন খুব আরাম পাইছইন। 14আসলে আমি তুমরারে লইয়া তান গেছে বড়াই করছলাম, এতে কুনু শরমিন্দাও অইছি না। তুমরার গেছে আমরার বাতাইল হকল কথা যেলা হাছা আছিল, অউলা তুমরারে লইয়া আমরার বড়াই করাখানও তান গেছে হাছা পরমান অইছে। 15তুমরা হকলে যেলা তান নছিয়ত মানছো, মনর ডর-খফে কাপি কাপি তানরে কবুল করছো, অখান মনো অওয়ায় তুমরার বায় তান মায়া খুব বেশি বাড়িছে। 16আর আমিও খুব খুশি, তুমরার উপরে আমি অখন পুরাপুর ভরসা করতাম পারি।

8

এহুদিয়ার ইছায়ী ইমানদার অকলর লাগি দান (৮:১-৯:১৫)

মাকিদনিয়া দেশর জমাত অকলর দান-খয়রাত

1ভাই অকল, আমি তুমরারে জানাইরাম মাকিদনিয়া দেশর জমাত অকলে আল্লার গেছ থাকি কতো নিয়ামত পাইছইন। 2যুদিও বউত দুখ-মছিবত দিয়া তারারে পরিক্ষা করা অইছিল, তারা খুব গরিব হালতে আছলা, তেবউ তারার মনর মাজে বউত ফুর্তি আছিল, তারা খুলা আতে আল্লার নামে দান-খয়রাত করছইন। 3আমি তারার পক্ষে কইরাম, তারা খুশি অইয়া নিজর তৌফিক মাফিক, এমনকি তৌফিক থাকি আরো বেশিও দান করছইন। 4আর খুব খিয়ালি অইয়া আমরারে মিনত করছিলা, যাতে আল্লার যে বন্দা অকল অভাবর মাজে আছইন, এরারে অভাব থাকি বাচানির লাগি তারা শরিক অইতা পারইন। 5আমরা যতখান আশা করছলাম, তারা এর চাইতেও বেশি দান করছইন। খালি ইখান নায়, তারা পয়লা নিজরে মালিক ইছার আতো সপিছইন, বাদে আল্লার মর্জিয়ে আমরার গেছেও সপা অইছইন। 6ইতা দেখিয়া আমরা তীতাছ ভাইরে খুব মিনত করছলাম, দান-খয়রাত করার যে কাম তাইন তুমরার মাজে চালু করছইন, ইতা যানু শেষও করইন। 7তুমরা যেলা হকল বেয়াপারেউ আগুয়াইল আছো, তুমরার সবল ইমান, কথাবার্তা, আখল-হেকমত, মনর এশকি, আর আমরার বায় যেলা খুব মায়া-মহব্বত আছে, ঠিক অউ লাখান দান-খয়রাত করার নেক আমলও যানু তুমরার মাজে বাইয়া পড়ে।

8ইতা লেখিয়া আমি তুমরারে কুনু হুকুম দিরাম না, খালি পরিক্ষা করি দেখরাম, এরলাগি অইন্য মুমিন অকলর নেক কামর এশকির কথা জানাইরাম। দেখি, তুমরার মহব্বত কতখান নিখুত। 9আমরার মালিক ইছা আল-মসীর রহম-নিয়ামতর কথা তো তুমরা জানোউ, তাইন তো আল্লাই ধনে ধনি আছলা, অইলে তুমরার লাগি গরিব বনলা, যাতে তাইন গরিব বনার কারনে তুমরা ধনি অইতায় পারো। 10তে আমি তুমরারে পরামিশ দিরাম, ইতা মানলে তুমরার ভালাই অইবো, তুমরা খুব খুশি অইয়া গত বছর দান-খয়রাত তুলাত লাগছিলায়, 11অখন অউ কাম শেষ করো। মনর যে এশকি লইয়া তুমরা ই কাম শুরু করছিলায়, অউলা এশকিয়ে যারযির তৌফিক মাফিক দান-খয়রাত দিয়া ইতা শেষ করো। 12দান-খয়রাত দিবার নিয়ত করলে, আল্লায় তো নিয়ত মাফিক কবুল করইন, তে তৌফিক থাকলে দেও, না থাকলে নাই।

13ভাইয়াইনরে, আমি চাইরাম না, অইন্য মানষে আরাম করউক আর তুমরা কষ্ট করো, বরং তুমরা হকলর হালত এক লাখান অউক, অখানউ আশা কররাম। 14তুমরার যেতা ধন-দৌলত অখন বাড়তি আছে, অতায় তারার অভাব মিটাউক, আর তারার যেবলা বেশি অইবো, অউ সময় তারাও তুমরার অভাব মিটাইবা। অলাখান হকলর হালত একই লাখান অউক। 15যেলা তৌরাত শরিফো আছে, “যেইন বেশি তুকাইছলা তানও বেশি অইছে না, আর যেইন থুড়া তুকাইছলা তানও কম অইছে না।”

দান-খয়রাত বাটিবার কালো হুশিয়ারি

16হুনো, আমি আল্লার শুকরিয়া আদায় করি, আমার মনর মাজে তুমরার বায় যেলা খিয়াল আছে, আল্লায় অউ একই লাখান খিয়াল দান করছইন ভাই তীতাছর মাজেও। 17তাইন আমরার অনুরোধ মানিয়া তুমরার গেছে যাইরা, আর আসল কথা অইলো তাইন নিজেউ খুশি অইয়া যাইরা। 18তান লগে করি আমরা হউ ভাইরেও পাঠাইয়ার, খুশ-খবরি তবলিগর লাগি হকল জমাতেউ ই ভাইর তারিফ করইন। 19জমাতর মানষে খালি তান তারিফ করছে না, আমরার লগে অইয়া দান-খয়রাত লইয়া যাইবার লাগি তারাউ তানরে পছন্দ করছে। তে মালিক ইছার গৌরবর লাগি, আর অইন্য মুমিন অকলরে সাইয্য করার লাগি, আমরা অউ দান-খয়রাত নিবার বেবস্তা করছি। 20আমরা খুব হুশিয়ার অইয়া চলিয়ার, যাতে বড় আকারর অউ রিলিফ বিলানির বাদে কেউ আমরার বদনাম করার সুযোগ না পায়। 21মনো রাখিও, আমরা খালি মালিক ইছার গেছে নায়, মানষর ছামনেও হক-হালালি রওয়ার চেষ্টা করিয়ার।

22আর এরার লগে করি আমরা আরক ভাইরে পাঠাইরাম, এনরে আমরা বউত বার বউত লাখান পরিক্ষা করিয়া দেখছি, তান খুব এশকি আছে। অখন দেখরাম, তাইন তুমরারে খুব বিশ্বাস করইন, এরলাগি তুমরার বায় তান এশকি আরো বাড়িছে। 23অখন তীতাছ ভাইর বেয়াপারে আমি কইরাম, এইন তো আমার লগে রইন, আর তুমরার লাগি কাম করইন। বাদ-বাকি হকল ভাইয়াইন্তর বেয়াপারে কইরাম, হকল জমাতর মানষে পছন্দ করিয়া তারারে পাঠাইরা, তারার মাজদি আল-মসীর গৌরব অয়। 24এরলাগি কইরাম, তুমরার ভিতরর মহব্বত, আর তুমরারে লইয়া আমরা যে বড়াই-বেটাগিরি দেখাই, ইতার পরমান দেখাইও। তেউ হকল জমাতর মানষে বুজবা, তুমরা কে।

9

দান-খয়রাতর বেয়াপারে নছিয়ত

1ভাইয়াইনরে, আল্লার পাক বন্দা অকলরে সাইয্যর লাগি দান-খয়রাত তুলার যে কাম চলের, ইতা বেয়াপারে তো তুমরারে কুন্তা লেখার জরুর নায়। 2অউ বেয়াপারে তুমরার মনর খিয়াল তো আমার জানা আছে। মাকিদনিয়ার মানষর গেছে আমি তুমরার সুনাম গাইয়া কইরাম, গ্রীস দেশর মানুষ মানি তুমরা, গত বছর থাকিউ দান-খয়রাত লইয়া জুইত আছো। তুমরার ই এশকি দেখিয়া, মাকিদনিয়ার বউত মানুষ হজাগ অইছইন। 3এরলাগি আমি অউ ভাইয়াইনরে পাঠাইরাম, যাতে তুমরারে লইয়া আমরা যে বড়াই দেখাই, তারা গিয়া নিজর চউখে ইতা দেখিয়া পরমান পাইন। তে আমি যেলা বড়াই করছি তুমরাও অলাখান জুইত রইও। 4আরনায় আমার লগে অইয়া মাকিদনিয়ার কুনু ভাইয়াইন গিয়া যুদি দেখইন তুমরা জুইত নায়, তে তুমরার উপরে অতো বড় ভরসা করায়, আমরা শরম পাইমু আর তুমরাও শরমিন্দা অইবায়। 5এরলাগি অউ মুমিন অকলরে অনুরোধ করলাম, তারা যানু আমার আগে তুমরার গেছে যাইন। রিলিফ কামর লাগি দান-খয়রাত দিবার যে ওয়াদা করছিলায়, তারা গিয়া অগুইন জুইত করাত সাইয্য করবা। তে তুমরার গেছ থাকি জুর-জবরদস্তি করিয়া কুন্তা আদায় করা অইতো নায়, খালি মনর খুশিয়ে দেওয়া দান-খয়রাত নেওয়া অইব।

6খিয়াল রাখিও, যে গিরস্তে থুড়া করি জালা বাইন দেয়, হে থুড়া ফসল দাইবো, আর যে গিরস্তে বেশ করি জালা বাইন দেয়, হে বেশ করি ফসল দাইবো। 7তে তুমরাও অলা পরতেকে যারযির নিয়ত মাফিক দান-খয়রাত দেও। মনর মাজে কষ্ট লইয়া বা দেওয়া লাগবো করি দিও না। কারন দিলর খুশিয়ে দান করলে, আল্লায় মায়া করইন। 8আল্লায় তুমরারে হকল লাখান রহম-বরকত দিতা পারইন। ই খেমতা তান আছে, যাতে তুমরার দরকারি হকলতা হামেশা তুমরার গেছে থাকে, আর নেক কামর লাগি খুলা আতে ইতা বিলাইতায় পারো। 9যেলা পবিত্র জবুর শরিফো আছে,

হে তো খুলা আতে বিলাই দিছে,

গরিব অকলরে দান করছে,

তার পরেজগারি চিরকাল স্থায়ী।

10মনো রাখিও, গিরস্তর লাগি যেইন বিচ যুগাইয়া দেইন, আর খাইবার লাগি যেইন দানা-পানি যুগাইয়া দেইন, তাইন তুমরারেও বিচ যুগাই দিবা, ইতাত বরকত দিবা, তুমরার নেক কামর ফসল বউত বাড়াই দিবা। 11অউ লাখান তুমরা হকলমন্তে ধনি অইবায়, আর খুলা আতে দান-খয়রাত বিলাইবায়, তেউ আমরার মাজদি আল্লার শুকুর-গুজার আদায় অইবো।

12অউ রিলিফ কামে খালি আল্লার বন্দা অকলর অভাবো সাইয্য অইতো নায়, বরং বউত জনর তরফ থাকি আল্লার শুকুর-গুজারও বাইয়া পড়ের। 13তুমরা আল-মসীর খুশ-খবরির উপযুক্ত অউ খেজমত করছো দেখিয়া, তারা আল্লার শুকুর-গুজার আদায় করবা। তুমরা দুইও আতে দান-খয়রাত বিলানিয়ে, মাকিদনিয়ার মানষে আর বাকি হকলেউ আল্লার গৌরব করবা। 14তুমরা দান-খয়রাত দেওয়ায় আল্লার গেছ থাকি অউ যে আচানক নিয়ামত পাইছো, অতা দেখিয়া তারা তুমরার লাগি দিলে-জানে দোয়া করবা। 15আল্লার যে দানর কথা মুখদি কইয়া ফুড়ানির সাইধ্য নাই, হউ দানর লাগি তান তারিফ অউক।

10

সাহাবি হিসাবে হজরত পাউলুছর অধিকার (১০:১-১৩:১৪)

আল্লার খেজমতো হজরত পাউলুছ

1ও মুমিন ভাইয়াইন, আল-মসীর নরম আর দয়ালু ভাবর কথা ইয়াদ করিয়া, আমি পাউলুছে তুমরারে মিনত করিয়ার, মানষে কইন, আমি যেবলা তুমরার লগে রই, অউ সময় আমি বুলে ডরাই ডরাই থাকি, আর হরিয়া গিয়া হারলে সাওসি অইযাই। 2তে যেরা মনো করে, আমরা দুনিয়াবি মানষর লাখান জিন্দেগি কাটাইয়ার, তারার লগে যতখান সাওস দেখানি দরকার, আমি চাইরাম, আমি আওয়ার বাদে যানু অতখান সাওস দেখানি না লাগে। 3আমরা যুদিও রক্ত-মাংসর মানুষ, অইলে আমরা যে লাড়াই কররাম, ইতা তো কুনু রক্ত-মাংসর লাড়াই নায়। 4দুনিয়াবি সিপাইয়ে যেতা অস্ত্র-শস্ত্র দিয়া লাড়াই করইন, আমরা তো ইতা দিয়া লাড়াই করি না, আল্লাই বলে আমরার অস্ত্র-শস্ত্রয় পাড়র উপরর বাংকারও ভাংগিলতো পারে। 5আমরার অস্ত্রদি মানষর বানোয়াট যুক্তি বিনাশ করি, আর আল্লারে চিনার পথে যতো লাখান বাধা-বিঘ্নয় দিলরে আটকাইয়া রাখে, ইতারেও বিনাশ করি। মানষর মনর হকল কু-চিন্তারে খেদাইয়া হারি আল-মসীর তলে আনি। 6তে তুমরা যেবলা ষোলআনা বাইধ্য অইয়া তান তলে আইবায়, হউ সময় যেতা অবাইধ্য রইবা, ইতারে সাজা দিবার লাগি আমরা জুইত অইমু।

7তুমরা তো খালি আমরার বাইরর ছুরত দেখছো। কুনু মানষে যুদি নিজরে আল-মসীর উম্মত মনো করে, তে তার চিন্তা করা জরুর, হে যান উম্মত, আমরাও তো তান উম্মত। 8আসলে মালিক ইছায় আমরারে যে অধিকার দিছইন, ই বেয়াপারে আমি কিছু বড়াই দেখাইলেও তো শরমিন্দা অইতাম নায়। কারন ই অধিকারর উদ্দেশ্য অইলো, তুমরারে গড়িয়া তুলা, কুনু খেতি করা নায়। 9আমার ই লেখা পড়িয়া মনো করিও না, আমি চিঠি দিয়া তুমরারে ডর দেখাইরাম। 10কুনু কুনু মানষে মাতইন, “তান লেখা চিঠিন্তে দিলো ডেক্কা মারে, ইতা শক্তিশালি চিঠি, অইলে তাইন কান্দাত আইলে দেখা যায়, তাইন কমজুর আর ওয়াজ-নছিয়তও মোটেউ গরম নায়।” 11অতা মানষরে জানানির লাগি কইরাম, আমরা দুরই থাকি চিঠির মাজদি যেতা লেখরাম, ছামনে আইলে ঠিক অলাউ করমু।

12তুমরার মাজর কুনু কুনু জনে তার নিজর তারিফ গায়। তারার লগে তো আমরার তুলনা চলে না, বা তারার দলর সদইস্য অইতেও সাওস করি না। তারা তো নিজে নিজে যেতা ভালা মনো করইন, অতার লগেউ তারার তুলনা করইন, অতাদিউ বিচার করইন, বুজরায় নি, ইতা কতো বড় আম্মক! 13হুনো, আমরার যতখান বড়াই করা উচিত, এর বেশি করতাম নায়, বরং আল্লায় আমরার কামর যে সীমানা ঠিক করি দিছইন, আমরা এর ভিতরে রইয়াউ বড়াই করমু, ই সীমানার ভিতরে তুমরাও আছো। 14এরলাগি আমরা যেবলা তুমরার গেছে গেছলাম, অউ সময় সীমার বারা তো গেছি না। তুমরার গেছে তো হকল পয়লা আমরাউ আল-মসীর খুশ-খবরি তবলিগ করাত গেছলাম। 15এছাড়া পরর কাম লইয়া আমরা গৌরব করিয়ার না, ইতা করলে সীমার বারা অইলো অনে। আমরা আশা করিয়ার, তুমরার ইমানি বল বাড়ার লগে লগে তুমরার মাজে আরো বউত কাম করতাম পারমু। 16হউ সময় তুমরার গেছ থাকি আরো দুরর দেশাইন্তো গিয়া খুশ-খবরি তবলিগ করতাম পারমু। তেউ কুনু মানষে কইতো পারতো নায়, পরর কাম লইয়া আমরা বড়াই করিয়ার। 17অইলে আল্লার কালামো আছে, “যে মানষে বড়াই করে, হে মালিক-মউলারে লইয়া বড়াই করউক।” 18কারন নিজর সুনাম নিজে গাইলেউ পরমান অয় না হে ভালা মানুষ, বরং মালিক-মউলায় যার সুনাম গাইন, হে-উ ভালা হিসাবে পরমান অয়।

11

ভন্ড সাহাবি থাকি হুশিয়ার

1ও মুমিন ভাই অকল, আমি চাইরাম, আমার থুড়া বেআখলি তুমরা সইয্য করো, আর হাছাউ তুমরা আমারে সইয্য কররায়ও। 2আল্লাই এশকির জালায় আমার দিলো তুমরার লাগি এক জালা পয়দা অইছে। তে আমি একজন নশার লগে তুমরার বিয়ার মাত-কথা ঠিক করি রাখছি, এন নাম আল-মসী। আমি চাইরাম, সতী কইনা হিসাবে তুমরারে তান আতো সমজাই দিতাম। 3অইলে আমি ডরাইয়ার, হউ হাফে যেলা কু-বুদ্ধি দিয়া বিবি হাওয়ারে বে-পথে নিছিলগি, অলাখান তুমরারেও আল-মসীর গেছ থাকি হরাইলিতো পারে, হে তুমরার দিলর খাটি ভাব আর মনর নিশানা আলাইলিবো। 4কারন আমরা যে ইছার বেয়াপারে তবলিগ করছি, অইন্য জনে যেবলা তানরে ছাড়া দুছরা কুনু ইছার কথা তবলিগ করে, তুমরা ইতা মানরায়। আর তুমরা যে পাক রুহ পাইছো, অউ পাক রুহ ছাড়া দুছরা কুনু রুহ পাইলে, বা যে খুশ-খবরি তুমরা মানরায়, ই খুশ-খবরি ছাড়া দুছরা কুনু খুশ-খবরি হুনলে, খুব খুশি অইয়াউ মানিলিরায়। 5অইলে আমি মনো করি না, হউ নাম-ডাকি সাহাবি দল থাকি আমি কুনুমন্তেউ হুরু। 6আমি যুদিও খুব মিঠা মিঠা সুরে ওয়াজ করতাম পারি না, তেবউ আমার তো আখল-বুদ্ধির কমতি নায়, ইতা তো আমি হকল নমুনায় হকল হালতে তুমরারে দেখাইছি।

7তুমরার উন্নতি দেখানির লাগি আমি বিনা বেতনে আল্লার দেওয়া খুশ-খবরি তবলিগ করিয়া নিজরে নিচা করছি, ইতা কুনু পাপ করছি নি? 8তুমরার খেজমতর লাগি আমি অইন্য জমাত অকলর গেছ থাকি সাইয্য আনছি, কইতে গেলে তারারে লুটিয়া আনছি। 9তুমরার গেছে রওয়ার কালো আমি যেবলা অভাবো পড়লাম, হউ সময়ও আমি কেউরর বোঝা অইছি না। কারন মাকিদনিয়া থাকি যেতা ভাইয়াইন আইছলা, তারা আমারে সাইয্য করছইন। তে কুনু হালতেউ আমি তুমরার বোঝা অইছি না, অইতামও নায়। 10আল-মসীর যে হকিকতি আমার ভিতরে আছে অউ হকর বলেউ আমি কইরাম, আস্তা গ্রীস দেশর কুনু জাগাতউ আমার ই বেটাগিরি কেউ বন্দ করতো পারতো নায়। 11আমি ইলা মাতার কারন কিতা? আমি তুমরারে মায়া করি না নি? এক আল্লায়উ জানইন, আমি তুমরারে কতো মায়া করি।

12নিজর বড়াই-বেটাগিরি দেখাইয়া যেগুইন আমরার হমানি অইতা চাইন, ইতায় যানু ই সুযোগ না পাইন, অতার লাগি আমি যেখান করাত আছি, ইখান করাত রইমুউ। 13আসলে তো ইতা অইলা ভন্ড সাহাবি আর টগ কামলাইন। তারা নিজরে আল-মসীর সাহাবি দেখাইতো করি নিজর ছুরত বদলিলায়। 14এতে তাইজ্জুব অওয়ার কুন্তা নায়, ইবলিছেও তো নিজরে নুরর ফিরিস্তা দেখানির লাগি তার ছুরত বদলায়। 15এরলাগি যেগুইন্তে ইবলিছর খেজমত করইন, তারাও যুদি নিজর ছুরত বদলাইয়া দেখাইন তারা নেক কাম কররা, তে তাইজ্জুব অওয়ার কিতা আছে? তারার কামর ফল তারা আখেরাতো পাইবো।

সাহাবি কামর লাগি হজরত পাউলুছর জুলুম-কষ্ট

16আমি আরকবার কইরাম, আমারে যানু কেউ পাগল মনো না করে। আর যুদি ইলা মনো করিলাও, তে আমারে এক পাগল হিসাবেউ সমজিলাও, যাতে আমিও থুড়া বড়াই করার সুযোগ পাই। 17আমি অখন যেতা কইরাম, ইতা মালিক ইছার হুকুমে কইরাম না, খালি নিজর বড়াই দেখানিত গিয়া পাগলামি কররাম। 18বউত জনে যেবলা দুনিয়াবি বিষয় লইয়া বড়াই দেখাইরা, তে আমি কেনে দেখাইতাম না? 19তুমরা তো বেশি আখলদার, এরলাগি বেআখল অকলরে খুশ দিলে সইয্য করো। 20খালি ইখান নায়, কেউ যুদি তুমরারে নিজর গুলাম বানাইয়া রাখে, তুমরারে তার শিকার বানাইলায়, ফান্দো ফালায়, তুমরার উপরে উস্তাদি করে বা তুমরার গালো চড় মারে, তা-ও তো তুমরা খুশি অইয়া সইয্য কররায়। 21অইলে আমি খুব শরমিন্দা অইয়া স্বীকার করিয়ার, ইতা বেয়াপারে তুমরার গেছে আমরা বড় কমজুর আছলাম, ইলা নেতাগিরি করতাম পারছি না।

অইন্য মানষে যেতা লইয়া বড়াই করার সাওস পায়, আমারও সাওস আছে ইতা বেয়াপারে বড়াই দেখানির, আমি খালি পাগলর লাখান ইতা মাতিরাম। 22যেতায় বড়াই-বেটাগিরি দেখাইন, তারা কিতা ইবরানি জাতির নি? আমিও তো তারার লাখান। তারা বনি ইছরাইল জাতির নি? আমিও অলা। তারা হজরত ইব্রাহিমর আওলাদ নি? আমিও তো। 23তারা আল-মসীর খেজমতকারি নি? আমি আরো বড় খেজমতকারি। মনো রাখিও, আমি পাগলর লাখান মাতিরাম। আমি আল-মসীর খেজমতো লাগিয়া তারা থাকি বউত বেশি মেনত করছি। বউত বার জেল খাটছি, বউত বার মাইর-ধইর খাইছি, আর বউত বার মউতর মুকাবিলা অইছি। 24ইহুদি অকলে আমারে পাচ বার দুররা মারছইন, পরতেক বার উনু চাল্লিশটা করি দুররা খাইছি। 25তিনবার আমারে ছিংলাদি মারা অইছে। একবার আমারে পাত্বর মারা অইছে। তিনবার আমার জাজ ডুবি গেছিল, আর এক দিন এক রাইত দরিয়ার পানিত ভাসাইল আছলাম। 26আমি বউত দেশ ছফর করছি। বান-পানির আতো, চুর-ডাকাইতর আতো, নিজর জাতির আতো আর ভিন জাতির আতো আমি মছিবতো পড়ছি। এছাড়া টাউনো, মরুভুমিত, দরিয়াত, আর ভন্ড মুমিন অকলর আতোও আমি মছিবতো পড়ছি। 27অউ দুখ-মছিবতর মাজেও জানে-পরানে মেনত করছি, বউত রাইত উজাগরি করছি, খানি-পানির লাগি কষ্ট পাইছি, বউত উপাস-খাপাস রইছি, শীত আর কাপড়-চুপড়র অভাবেও কষ্ট পাইছি। 28ইতা ছাড়াও আল-মসীর জমাত অকলর লাগি আমি পরতেক দিন চিন্তা করি। 29কেউ কমজুর অইলে আমি নিজেও তার কমজুরির ভাগি অই না নি? কুনু কু-সংগির তালো পড়িয়া কেউ গুনার পথে গেলেগি, আমি অশান্তি করি না নি?

30আমি যুদি বড়াই দেখাইতাম চাই, তে অউ কমজুরি লইয়াউ বড়াই করমু। 31আমরার আল্লা পাক আর মালিক ইছা আল-মসীর গাইবি বাফ, যেইন হামেশা গৌরব পাওয়ার লাখ, তাইন নিজেউ জানইন, আমি কুন্তাউ মিছা মাতরাম না। 32দামেস্কর বাদশা আরিতার হাকিম ছাবে আমারে ধরার লাগি দামেস্ক টাউনো পারা দেওয়ার হুকুম দিছলা। 33অইলে টাউনর বাউন্ডরির ওয়ালর মাজে যে খিড়কি আছিল, মুমিন ভাইয়াইন্তে এক টুকরিত করি অউ খিড়কি বায়দি আমারে মাটিত লামাই দিছলা, অউ নমুনায় আমি তান আত থাকি বাগিছি।

12

হজরত পাউলুছর খাছ দরশন

1তে আমার আরো কিছু বড়াই করা দরকার, ই বড়াইয়ে কুনু ফায়দা নাই, অইলে মালিক ইছায় যে দরশন দেখাইছইন আর যেতা জানাইছইন, ইতা অখন কইরাম। 2হজরত ইছার একজন খাদিমরে আমি চিনি, অখন থাকি চৌদ্দ বছর আগে মেরাজ শরিফর লাগি তানরে বেহেস্তো তুলিয়া নেওয়া অইছিল। তাইন জান্নাতুল-ফেরদৌছো গেলা, ই সময় তাইন স-শরিলে গেছইন কি না জানি না, খালি আল্লায়উ জানইন। 3তে এনরে আমি চিনি, অইলে তানে স-শরিলে নেওয়া অইছে কি না আমি জানি না, খালি আল্লা পাকে জানইন। 4মেরাজ শরিফো নিয়া হারলে তান লগে বউত বাতচিত করা অইছে, ইতা বাতচিত মানষরে হুনানি ঠিক নায়। 5অউলা মানষরে লইয়া আমি বড়াই করমু। আমার নিজরে লইয়া কুনু বড়াই নায়, খালি আমার কমজুরির লাগি বড়াই করমু। 6অউ বড়াই দেখাইতে চাইলেও, আমি কুনু বেআখলি করতাম নায়, খালি হাছা মাত মাতিমু। তা-ও আমি বড়াই দেখানি বাদ দিলাইলাম, কিযানু আমার কাম-কাজ দেখিয়া বা আমার মুখর জবানবন্দি হুনিয়া, মানষে অখন আমারে যতখান মনো করইন, এর চাইতে বেশি মনো করিলাইন।

7আল্লায় আমারে অতো বাতুনি বেয়াপার জানানিয়ে আমার দিলো যানু অহংকার না আয়, অউ নিয়তে তাইন আমার শরিলো একটা রিপু দিলা, আমারে কষ্ট দিবার লাগি, অউ রিপু অইলো ইবলিছর চেলা। 8মালিক ইছার দরবারো আমি তিন বার আরজ করছলাম, অউ রিপুগু আমার গেছ থাকি হরাইয়া নিতাগি। 9অইলে তাইন জুয়াপ দিলা, “আমার রহমতউ তুমার বউততা, আমার বল-শক্তি মিলে খালি কমজুর হালতে।” এরলাগি আমার কমজুরির বেয়াপারে আমি খুশি মনেউ বড়াই করমু, যাতে আল-মসীর অউ বল-শক্তি আমার মাজে বসত করে। 10তে আল-মসীর নামর লাগি নানান লাখান কমজুরি, বেইজ্জতি, অভাব-অনটন, জুলুম-মছিবত, আর বে-ফানাত পড়লেও আমি খুশি অই। কারন কমজুর হালতেউ আমি বলবান অই।

করিন্থ জমাতর লাগি চিন্তা-ভাবনা

11আমি পাগল অইছি ঠিকউ, অইলে তুমরাউ আমারে পাগল অইতে বাইধ্য করছো। তুমরার উচিত আছিল আমার তারিফ করা। আমি যুদিও খুব সাধারন মানুষ, তেবউ তুমরার হউ নাম-ডাকি সাহাবি দল থাকি কুনুমন্তেউ হুরু নায়। 12আমি নিজরে একজন হক সাহাবি হিসাবে পরমান করছি, বউত সইয্য করিয়া তুমরার মাজে নানান নমুনার কেরামতি কাম, কুদরতি নিশানা আর মোজেজা দেখাইছি। 13আইচ্ছা কওছাইন, অইন্য জমাত অকল থাকি তুমরা কুনুমন্তে হুরু নি? অয়, খালি একটা বেয়াপারে হুরু আছো, ইতা অইলো, আমি তুমরার গেছে বোঝা অইছি না। ই ভুলর লাগি আমারে মাফি দেও।

14হুনো, আমি তুমরার গেছে যাওয়ার লাগি অউ তিন নম্বর বার জুইত অইলাম, তে আমি কুনু বোঝা অইতাম নায়, তুমরার গেছে কুনু ধন-ছামানা চাইরাম না, খালি তুমরারে চাইরাম। মা-বাফর লাগি ধন-ছামানা জমানি তো আওলাদর ফরজ নায়, বরং মা-বাফর উচিত অইলো আওলাদর লাগি ধন জমানি। 15তে আমি খুব খুশি অইয়াউ তুমরার লাগি আমার হকলতা খরচ করমু, আমার নিজরেও বিলাই দিমু। আমি যেবলা তুমরারে বেশ করি মায়া-মহব্বত করিয়ার, তে তুমরা কেনে আমারে কম মায়া কররায়?

16যাই অউক, আমি তুমরার উপরে বোঝা অইছি না, আরনায় কেউ কইলিতো পারে, আমি চালাকি করিয়া তুমরারে ধুকা দিছি। 17আর তুমরার গেছে আমি যেরারে পাঠাইছলাম, এরারেদি তুমরারে টগাইছি নি? 18তীতাছ ভাইরে আমি মিনত করলাম তুমরার গেছে যাওয়ার লাগি, তান লগে হউ ভাইরেও পাঠাইলাম। তে অউ তীতাছে তুমরারে টগিছইন নি? আমি আর তীতাছ, আমরা দুইওজনে তো একই রুহে আর একই নিয়তে কাম করি। 19আইচ্ছা, তুমরা মনো কররায় নি, অউ চিঠি লেখিয়া আমরা নিজর দুষ কাটাইরাম? না, ইখান ঠিক নায়, ও দুস্ত অকল, আমরা আল-মসীর খাদিম হিসাবে আল্লা পাকরে আজির-নাজির রাখিয়া লেখরাম, তুমরারে গড়িয়া তুলার নিয়তেউ ইতা কইরাম। 20আসলে আমার খুব ডর করের, আমি যেবলা তুমরার গেছে আইমু, আইয়া হারি তুমরারে যেলা দেখতাম চাইরাম, তুমরা যুদি ইলাখান জুইত না অও, আর তুমরাও আমার যে রুপ দেখতায় চাও না, আমি যুদি হউ রুপ দেখানি লাগে। বা আইয়া দেখি তুমরার মাজে কাইজ্জা-ফসাদ, ইংসা-নিন্দা, রাগ-গুছা, দলাদলি, পরর বদনাম গাওয়া, গিবত গাওয়া, বড়াই-বেটাগিরি আর গোলমাল আছে। 21আমার ভিতরে ডর করের, আমি আরকবার যেবলা তুমরার গেছে আইমু, অউ সময় আমার আল্লায় নি তুমরার ছামনে আমারে শরমিন্দা বানাইলাইন, যেতা মানষে গুনা করছইন, যেতায় নাপাকি কাম, জিনা, আর বদমাইশি করিয়া তৌবা করছে না, অতারে দেখিয়া নি আমি মনর মাজে কষ্ট পাই।

13

করিন্থ জমাতরে আখেরি হুশিয়ারি

1ভাইয়াইনরে, আমি অউ তিন নম্বর বার তুমরার গেছে আইরাম। জানো তো, আল্লার কালামো আছে, “দুই বা তিন জন মানষে একই লাখান সাক্ষি দিলে অউ বেয়াপার হাছা পরমান অয়।” 2তে আমি যেবলা দুছরা বার তুমরার গেছে গেছলাম, হউ ছফরর আগে যেরা গুনা-কছুরি করছিল, আমি তারারে আর বাদ-বাকি হকলরে হুশিয়ার করি দিছলাম। আর অখন আমি নিজে আজির না অইলেও তারারে অলা হুশিয়ার করি দিরাম, আমি আরকবার আইলে তারা কেউ রেহাই পাইতা নায়। 3তুমরা বুলে পরমান চাইরায়, আমার মুখ দিয়া আল-মসীয়ে মাতিরা নি। আসলে আল-মসী তো তুমরার বেয়াপারে কুনুমন্তেউ কমজুর নায়, তান নিজর বল-শক্তি তুমরার মাজে আজির আছে। 4যুদিও তানরে কমজুর হালতে সলিবর উপরে লটকাইয়া জানে মারা অইছিল, তা-ও আল্লার কুদরতি বলে তাইন অখন জিন্দা আছইন। আর আমরাও অলা তান লাখান কমজুর আছি, অইলে তান লগে জিন্দা রওয়ায় আল্লাই কুদরতি বলে তুমরার গেছে আইয়া মুকাবিলা অইমু।

5তুমরা নিজরে যাচাই করি দেখো, আল-মসীর উপরে হাছারর ইমান আছে নি? তুমরা বুজো না নি, ইছা আল-মসী তুমরার দিলো আছইন। খিয়াল রাখিও, যাচাই করাত গিয়া যানু তুমরার মাজে ভেজাল না মিলে। 6আর আমি আশা করি তুমরা বুজবায়, আমরা তো খাটি হিসাবে পরমান অইগেছি। 7আমরা আল্লার দরবারো মুনাজাত কররাম, তুমরা হকল লাখান বদ কাম থাকি বাচিয়া রও। আমরা নিজর পরেজগারির পরমান দেখানির লাগি ইখান কইরাম না। আর মানষে আমরারে পরেজগার মনো না করলেও, তুমরা হামেশা নেক কাম করাত রও। 8আমরার খেমতা অইলো হকর পক্ষে, না-হকর পক্ষে আমরার কুনু বল নাই। 9তে আমরা যেবলা কমজুর আর তুমরা বলবান, ইতা দেখলে আমরা খুশি। আমরা দোয়া করিয়ার, তুমরা তৌবা করিয়া হারি পুরাপুর খাটি অও। 10এরলাগি আমি তুমরার গেছ থাকি দুরই রইয়া ইতা লেখরাম, যাতে তুমরার ছামনে আইয়া হারলে মালিক ইছার দেওয়া খেমতা খাটাইয়া কটু বেবহার করা না লাগে। মালিকে আমারে ই খেমতা দিছইন তুমরারে গড়িয়া তুলার লাগি, খেতি করার লাগি নায়।

বিদায়ি ছালাম আর দোয়া

11ও ভাই অকল, হেশ-মেশ কইরাম, তুমরা খুশি-বাসি করো, নিজরে কামিল বানাও, একে-অইন্যরে নছিয়ত করো, একই মনোভাবে রও, শান্তিয়ে বসত করো। তেউ শান্তির আর মহব্বতর আল্লাও তুমরার লগে লগে রইবা।

12তুমরা একে-অইন্যে পবিত্র গলাগলি করিও। 13আল্লার হকল পাক বন্দায় তুমরারে ছালাম জানাইরা।

14মালিক ইছা আল-মসীর রহমত, আল্লা পাকর মহব্বত, আর পাক রুহর খাতির-যতন তুমরা হকলর দিলো রউক। আমিন॥