পবিত্র ইঞ্জিল শরিফ ৭ নম্বর ছিপারা

পয়লা করিন্থিয়া

পরিচিতি

পবিত্র আছমানি কিতাবর অউ ছিপারা আল্লা পাকর হুকুমে হজরত ইছা আল-মসীর সাহাবি হজরত পাউলুছে (রাঃ) চিঠির আকারে লেখছইন। ইখান অইলো করিন্থ জমাতর গেছে তান লেখা পয়লা ছহিফা। অনুমান করা অয়, হজরত ইছায় বেহেস্তো তশরিফ নেওয়ার ২০ বছর বাদে ইখান লেখা অইছে।

রোমান বাদশাইর ভিতরে গ্রীস দেশর রাজধানি করিন্থ আছিল কায়-কারবারর লাগি নামি-দামি এক টাউন। ই টাউনো বউত বেশ্যা-বাজি সহ নানান নমুনার জিনার কাম আছিল।

সাহাবি হজরত পাউলুছে দুছরা বার তবলিগি ছফরর কালো পয়লাউ অউ টাউনো তশরিফ আনছিলা (সাহাবি নামা ১৮ রুকু দেখউক্কা)। তাইন করিন্থ টাউন থাকি ফিরিয়া আওয়ার তিন বছর বাদে যেবলা ইফিছ টাউনো তবলিগ করাত আইলা, অউ সময় করিন্থ জমাতর মুরব্বি অকলে খবর দিলা, জমাতর মাজে নানান নমুনার গন্ডগোল আর ভুল তালিমে ভরি গেছে।

জমাতর এবাদত-বন্দেগির মাজে এরা গাইবি ভাষায় মাতারে বউত দাম দিরা। তেউ হজরত পাউলুছে তারারে পরামিশ দিলা পীরাকি মাত মাতার লাগি। অউ দুইও নিয়ামতউ আল্লাই পাক রুহর দান, তা-ও পীরাকি মাত মাতারে তাইন বেশি দাম দিছইন, কারন অউ মাতে মানষে আল্লাই মুনশা, হেদায়ত আর হুশিয়ারি পায়।

আরো খবর পাইলা, ইমানদার অকলর মাজে খুব বেশি দলাদলি, জিনার কাম, মামলা-মকদ্দমা, বিশৃংখলা, মদ খাওয়া, আর ভন্ডামি চলের। তাইন অউ জঘইন্য কাম-কাজরে, হজরত মুছা (আঃ) অর জমানার নাফরমান বনি ইছরাইলর লগে তুলনা করছইন (১০ রুকু দেখউক্কা)। তারারে তৌবা করার পরামিশ দিয়া অউ মুল্যবান চিঠি লেখছইন, যাতে ইমানদার অকলে গুনার কাম ছাড়িয়া, আল্লার ডর-খফে পাক-পবিত্র জিন্দেগির পথে ফিরিয়া আইন, আর তারা পবিত্র মহব্বতর আশিক অইন। মহব্বতউ অইলো হকল থাকি বড় ধন।

এরমাজে আছে,

(ক) ছালাম জানানি ১:১-৯ আয়াত

(খ) আল্লার জমাতর দায়-দায়িত্ব ১:১০—৪:২১

(গ) মানষর যৌবন আর পরিবারর তালিম ৫—৭ রুকু

(ঘ) ইছায়ী মুমিন আর দেব-দেবীর পুজা ৮:১—১১:১ আয়াত

(ঙ) জমাতো আল্লার এবাদত-বন্দেগি ১১:২—১৪:৪০

(চ) মুর্দা থাকি জিন্দা অইয়া উঠা ১৫ রুকু

(ছ) বিদায়ি পরামিশ আর দোয়া ১৬ রুকু

1

ছালাম জানানি

1আমি পাউলুছ, আল্লা পাকর মর্জিয়ে আল্লাই দাওত পাইয়া হজরত ইছা আল-মসীর একজন সাহাবি অইছি। আমি আর আমার মুমিন ভাই সোছিনে, 2করিন্থ টাউনর আল্লার জমাতর মানষর গেছে, মানি তুমরার গেছে লেখরাম। হজরত ইছা আল-মসীর তরিকা কবুল করায় আল্লায় তুমরারে পাক-পবিত্র করছইন আর তান আপন বন্দা অইবার লাগি দাওত দিছইন। তুমরার গেছে আর অইন্যান্য জাগার যতো মানষে আমরার হজরত ইছা আল-মসীরে মালিক কইয়া মানইন, তারা হকলর গেছে আমরা অউ চিঠি খান লেখরাম। তাইন তারারও মালিক, আমরারও মালিক।

3আমরার গাইবি বাফ আল্লা পাকে আর হজরত ইছা আল-মসীয়ে তুমরারে রহমত আর শান্তি দান করউক্কা।

4আমি হামেশা তুমরার লাগি আমার আল্লার দরবারো শুকরিয়া আদায় করি, কারন ইছা আল-মসীর তরিকা কবুল করায় তুমরা আল্লার রহমতর তলে আইছো। 5অউ রহমত অইলো, হজরত ইছা আল-মসীর লগে শরিক অইয়া তুমরা হকল নমুনায় মাত-কথা মাতা আর আখল-ইলিমে ধনি অইছো। 6অখন দেখা যার, আল-মসীর বেয়াপারে আমরা যেতা তালিম দিছলাম, ইতা তুমরার দিলো গাথিয়া রাখছো। 7আর হজরত ইছা আল-মসীয়ে দুছরা বার তশরিফ আনার লাগি তুমরা বার চাইরায়, এরমাজে আল্লার দেওয়া বাতুনি খেমতার যেকুনু নিয়ামত পাইতে তুমরার অভাব অর না। 8আমি জানি, আমরার হজরত ইছা আল-মসীয়ে তুমরারে আখের পর্যন্ত ইমানে মজবুত রাখবা, যাতে তাইন আইবার আগ পর্যন্ত তুমরা পুরাপুর নিখুত রইবায়। 9আল্লা পাক তো হক আর খাটি, তাইন যেলা কইন অলা অয়। তাইন তুমরারে দাওত দিছইন, তুমরা যানু তান খাছ মায়ার জন ইছা ইবনুল্লার লগে খাতির-সম্পর্ক রাখো, এইনউ আল-মসী, আমরার মালিক।

আল্লার জমাতর দায়-দায়িত্ব (১:১০-৪:২১)

জমাতর মাজে দলাদলি

10তে ভাই অকল, হজরত ইছা আল-মসীর অইয়া আমি তুমরারে জুড় আতে মিনত করিয়ার, তুমরা হকল এক অও। তুমরার মাজে কুনু দলাদলি না রউক, এক মন আর এক মত অও। 11হুনো, কুলুয়া বিবির বাড়ির মানষর গেছ থাকি জানলাম, তুমরার মাজে কাইজ্জা-ফসাদ চলের। 12আমি হুনলাম, তুমরার মাজে কেউ কয়, “আমি পাউলুছর দলর,” কেউ কয়, “আমি আপল্লছর দলর,” কেউ কয়, “আমি পিতরর দলর,” আর কেউ কয়, “আমি আল-মসীর দলর।”

13তে কওছাইন, আল-মসীরে কিতা বাটা-বাটি করা অইগেছে নি? আমি পাউলুছরে তুমরার লাগি সলিবো লটকাইয়া মারা অইছে নি? তুমরা কিতা আমার নামে তৌবার গোছল করছো নি? 14আমি আল্লার দরবারো শুকরিয়া জানাই, খালি কিরিস্পো আর গউছ ছাড়া, দুছরা কুনু মানষরে আমি তৌবার গোছল করাইছি না। 15যাতে কেউ কইতো না পারে, তুমরা আমার নামে তৌবার গোছল করছো। 16আস্তিফান ভাইর পরিবারর মানষরেও আমি তৌবার গোছল করাইছি, এছাড়া আর কুনু মানষরে গোছল করাইছি করিয়া আমার মনো অর না। 17আল-মসীয়ে তো আমারে তৌবার গোছল করানির লাগি পাঠাইছইন না, খালি খুশ-খবরি তবলিগর লাগিউ পাঠাইছইন। আর অউ খুশ-খবরিও কুনু আখলদারি পন্ডিতি ভাব-ভংগিয়ে তবলিগ করাত পাঠাইছইন না, যাতে সলিবর উপরে আল-মসীর কুরবানি অওয়া বেকামা না বনে।

আল-মসীউ আল্লাই আখল আর বল

18যারা গজবি পথেদি দৌড়ার, আল-মসীর সলিবর উপরর কুরবানি তারার গেছে তো খালি বেআখলি মনো অয়, অইলে আমরা যারা নাজাতর পথে দৌড়াইরাম, আমরার গেছে ইতা অইলো আল্লাই বল। 19আছমানি কিতাবো লেখা আছে, “আমি আখলদার অকলর আখলরে বেকামা করমু, আর বুদ্ধিমান অকলর বুদ্ধিরে বিফল করমু।”

20তে অউ আখলদার অকল কুয়াই? আলিম অকলউ বা কুয়াই? আর অউ জমানাত তর্ক করার খেমতা যার আছে, হে অখন কুয়াই? দুনিয়াবি আখল তো খালি বেআখলি, ইতা আল্লায়উ দেখাইরা। 21আল্লায় তান নিজর আখল দিয়া ফয়ছালা করছইন, যাতে দুনিয়ায় যানু তার আখল দিয়া তানরে চিনতো না পারে। এরলাগি বেআখলির অউ খুশ-খবরি তবলিগর মাজদি আল্লায় মুমিন অকলর জান বাচাইতা চাইলা। 22ইহুদি অকলে খালি কেরামতি কাম দেখতা চাইন, ইউনানি অকলে আখলর তালাশ করইন, 23অইলে আমরা তবলিগ করি সলিবর উপরে কুরবানি অওয়া আল-মসীর কথা। ইতা অইলো বনি ইছরাইলর গেছে একটা বে-দীনি কাম আর ভিন জাতি অকলে মনো করইন বেআখলি কাম। 24অইলে বনি ইছরাইল অউক্কা বা ইউনানি অউক্কা, আল্লার দাওতি বন্দা অকলর গেছে অউ আল-মসীউ অইলা আল্লাই আখল আর আল্লাই বল। 25আল্লাই বেআখলি মানষর আখল থাকি বউত বড় আখলদার, আর আল্লাই কমজুরি মানষর শক্তি থাকি বউত সবল।

26ভাই অকল, চিন্তা করি দেখো, তুমরারে যেবলা দাওত দেওয়া অইছিল, হি সময় তুমরা কিলাখান আছলায়। তুমরার মাজর বউত জনউ মানষর চখুত আখলদার, খেমতাবান বা নামি-দামি বংশর আছলায় না। 27অইলে দুনিয়ায় যেতারে বেআখলি কইয়া মনো করে আল্লায় অতারেউ পছন্দ করছইন, যাতে দুনিয়ার আখলদার অকলে শরম পাইন। আর দুনিয়ায় যেতারে কমজুর মনো করে, আল্লায় অতারে পছন্দ করছইন, যাতে দুনিয়ার বলবান হকলতা শরমিন্দা অইন। 28দুনিয়ার মানষে যেতারে খুব তুচ্ছ মনো করে, দুনিয়ার বুকুত যেতার কুনু দাম নাই, আল্লায় অতারেউ পছন্দ করছইন, যাতে দুনিয়ার চখুত যেতা নামি-দামি, ইতা বে-দামি অইযায়। 29তাইন ইতারে পছন্দ করছইন, যাতে দুনিয়ার কুনু মানষে তান ছামনে বড়াই দেখানির সুযোগ না পাইন। 30আর তুমরা যেরা ইছা আল-মসীর আপন জন বনছো, ইতা তো আল্লা থাকিউ অইছে। আল-মসীউ অইলা আমরার গেছে আল্লার দেওয়া আখল, পাক-পরেজগারি, পবিত্রতা আর আজাদির খুটি। 31এরলাগি আছমানি কিতাবো লেখা আছে, “যে মানষে বড়াই করে, হে মাবুদরে লইয়াউ বড়াই করউক।”

2

1ভাই অকল, আল্লার দেওয়া খুশ-খবরি তুমরার গেছে তবলিগ করাত গিয়া আমি তো সুন্দর সুন্দর ভাষায় মাতিছি না, বা বড় কুনু আলিম-উলামার লাখান বয়ান করছি না। 2আমি মনে মনে ঠিক করছলাম, তুমরার লগে থাকার কালো আমি খালি অউ ইছা আল-মসীর বিষয়ে মাতিমু, যে ইছারে সলিবর উপরে লটকাইয়া মারা অইছে, ইতা ছাড়া আর কুন্তা মাততাম নায়। 3আমি যেবলা তুমরার লগে রইতাম, অউ সময় নিজরে কমজুর মনো করতাম আর ডরাইয়া কাপিতাম। 4আমার তবলিগ আর আমার বয়ানর মাজে মানষর মন জয় করার মতো কুনু আখল-হেকমত আর যুক্তি আছিল না, খালি আল্লাই পাক রুহ আর কুদরতি বল দেখা গেছিল। 5আমি চাইলাম, তুমরার ইমান মানষর আখল-ইলিমর উপরে ভরসা না করিয়া, খালি আল্লাই বলর উপরে ভরসা করে।

আল্লাই পাক রুহর দেওয়া আখল

6তা-ও যেরা ইমানে কামিল, তারার গেছে আমরা আখলর মাত মাতি। অইলে অউ আখল তো ই জগতর নায় বা জগতর নেতা অকলর লাখানও নায়, তারা তো বরবাদ অওয়ার পথি। 7আসলে আমরা খালি আল্লাই আখল-হেকমতর বাতুনি গোপন বেয়াপারে মাতি। অউ বাতুনি বেয়াপার তো দুনিয়া পয়দা করার আগেউ আল্লায় তান নিজর মর্জিয়ে ঠিক করিয়া রাখছইন, যাতে আমরা তান গৌরবর ভাগি অই। 8অইলে অউ জগতর নেতা অকলে ইতা বুজরা না। ইতা বুজলে তারা, হউ গৌরবর ধন আমরার মালিক ইছারে সলিবর উপরে লটকাইয়া মারলো না অনে।

9অইলে আমরা জানি, আল্লার কালামে কয়,

যারা আল্লারে মহব্বত করইন,

তারার লাগি তাইন যেতা রাখছইন,

ইতা কেউ চউখে দেখছে না, কানেও হুনছে না,

দিলর মাজে কুনুদিন চিন্তাও করছে না।

10ইতা অখন তান পাক রুহর মাজদি আমরার গেছে জাইর করছইন। পাক রুহর অজানা কুন্তাউ নাই, তাইন আল্লার হকল বাতুনি বেয়াপারও জানইন। 11মানষর মাজে অলা কেউ আছে নি, যেরা একজনে আরক জনর মনর খবর জানইন? খালি নিজর রুহেউ তার মনর খবর জানে। ঠিক অউ লাখান, আল্লার পাক রুহ ছাড়া দুছরা কেউ তান গাইবি বেয়াপার জানে না। 12আর আমরা তো দুনিয়াবি রুহ পাইছি না, বরং আল্লার তরফ থাকি তান রুহ পাইছি, এরলাগি তান দেওয়া নিয়ামত অকল আমরা চিনি। 13আর অউ নিয়ামতর বেয়াপারেউ আমরা কই, ইতা কওয়ার সময় আমরা মানষর আখল বেবহার করি না, খালি পাক রুহর মাজদি তালিম পাইয়া কই। রুহানি হকিকতরে জাইর করার লাগি, আমরা রুহানি মাত মাতি। 14যে মানুষ রুহানি মনোভাবর নায়, আল্লাই পাক রুহর মাজদি যেতা মিলে হে ইতারে কবুল করে না, কারন তার গেছে ইতা বেকামা। ইতা বেয়াপার হে বুজেও না, কারন ইতা রুহানি জগতর বেয়াপার, খালি রুহদি যাচাই করা যায়। 15যে জনর মাজে পাক রুহ আছে, হে হক্কলতা যাচাই করিয়া দেখে, তারে কেউ যাচাই করতো পারে না। 16যেলা আল্লার কালামো আছে,

মাবুদর মন খেগিয়ে বুজতো পারছে,

তানরে পরামিশ দিবার সাইধ্য কার?

অইলে আল-মসীর মন আমরার দিলো থাকায়, আমরা ইতা বুজরাম।

3

তবলিগ কাম অইলো আল্লাই খেজমত

1ভাই অকল, রুহানিক জনর লগে যেলাখান মাতা উচিত, আমি তুমরার লগে ইলা মাততাম পারছি না। বরং দুনিয়াবি মানষর লগে যেলা মাতা উচিত, তুমরার লগে অলাউ মাতিছি। তুমরা তো ইছায়ী তরিকাত এক্কেরে হুরুতাইন্তর লাখান, এরলাগিউ অউলা মাতিলাম। 2পয়লা আমি তুমরারে শক্ত খানি না দিয়া খালি দুধ খাবাইছলাম, হি সময় শক্ত খানি খাওয়ার জুকা আছলায় না, আর অতো দিন বাদেও তুমরা ই বেয়াপারে হুরুতা রইছো। 3কারন তুমরা অখনও দুনিয়াবি রক্ত-মাংসে চলরায়। তুমরার মাজে অখনও ইংসা, কাইজ্জা-ফসাদ লাগাইলউ আছে। তে তুমরা রক্ত-মাংসর বশে রইছো না নি? 4তুমরার মাজে কেউ যেবলা কয়, হে পাউলুছর দলর, কেউ কয় আপল্লছর দলর, তে তুমরা দুনিয়াবি মানষর লাখান নায় নি?

5আপল্লছ কে? আর পাউলুছউ বা কে? আমরা তো সামাইন্য খেজমতকারি, আমরার মাজদি তুমরা ইমানর পথে আইছো। আল্লায়উ আমরারে যারযির ই দায়িত্ব দিছইন। 6আমি বিচ লাগাইছি, আপল্লছে পানি দিছইন, আর আল্লায় ইতারে বড় করছইন। 7এরলাগি যেইন বিচ লাগাইন আর যেইন পানি দেইন, এরা আসলে কুন্তাউ নায়, অইলে যেইন ইতারে বড় করি তুলইন, তাইনউ হক্কলতা। 8বিচ লাগাওরা আর পানি দেওরার একই উদ্দেশ্য। এরা পরতেকে যারযির মেনত মাফিক কামর ফল পাইবা। 9অইলে আমরা দুইও জনেউ আল্লার কাম করিয়ার।

তুমরা আল্লারউ খেত, তান বানাইল বিল্ডিং। 10আল্লার গেছ থাকি যে খাছ রহমত আমি পাইছি, অউ রহমতর বলেউ আমি আখলদার রাজ-মেস্তরির লাখান ইয়ান খুটি গাড়ছি। আর অউ খুটির উপরে অইন্য জনে বিল্ডিং বানাইরা। অইলে কে কিলা বানাইরা, ই বেয়াপারে তারা হুশিয়ার অউক। 11যে ইয়ান খুটি আগেউ গাড়া অইগেছে, মালিক ইছা আল-মসীউ অইলা হউ খুটি, ইকটা বাদ দিয়া আর কুনু নয়া খুটি কেউ গাড়তো পারতো নায়। 12অখন ই খুটির উপরে সোনা, রুপা, দামি পাথর, লাকড়ি আর ছন দিয়া কেউ যুদি ঘর বানায়, 13তে কে কিলা বানাইছইন, ইতা ভালা করি দেখা যাইবো। রোজ হাশরর দিন ইতা জাইর অইবো, হউ দিন অগ্নি-পরিক্ষার মাজদি ইতা খুলা-মেলা অইবো। 14যেইন যেতা বানাইছইন, ইতা যুদি টিকিয়া রয়, তে এইন পুরুস্কার পাইবা। 15অইলে ইতা জলি গেলে পুরুস্কার থাকি বাদ পড়বো, তা-ও তার নিজর জান বাচিবো। তারে দেখলে বুজা যাইবো, হে আগুইনর মাজদি পাড়ি দিয়া আইছে।

16তুমরা জানো না নি, তুমরা অইলায় আল্লার কাবা ঘর, তুমরার মাজে তান পাক রুহ বসত করইন? 17কেউ যুদি আল্লার কাবা ঘর বিনাশ করে, তে আল্লায়ও তারে বিনাশ করবা। কারন তান থাকার ঘর অইলো পবিত্র, আর তুমরাউ অইলায় হউ ঘর।

18তুমরা কেউ নিজরে ফাকি দিও না। তুমরার মাজর কেউ যুদি দুনিয়ার আখল-ইলিমে নিজরে আখলদার মনো করে, তে হে বেআখল বনউক যাতে আসল আখলদার অইতো পারে। 19কারন ই জগতর আখল-বুদ্ধি, আল্লার নজরো খালি বেআখলি। আছমানি কিতাবো আছে, “আল্লায় আখলদার অকলরে তারার চালাকিত ধরইন।” 20আরক আয়াতো আছে, “আখলদার অকলর হকল চিন্তাউ বেকামা, ইতা তো মাবুদে জানইন।” 21এরলাগি আমার কথা অইলো, হক্কলতাউ তো তুমরার, তে তুমরা কুনু মানষরে লইয়া বড়াই করিও না। 22পাউলুছ, আপল্লছ, পিতর, ই দুনিয়া, জিন্দেগি, মউত, বর্তমান, ভবিষ্যত, হক্কলতাউ তুমরার। 23তুমরা অইলায় আল-মসীর, আর আল-মসী অইলা আল্লার।

4

আল-মসীর সাহাবির জিন্দেগির নমুনা

1আমরারে দেখিয়া মানষে বুজউক, আমরা আল-মসীর খাদিম, আল্লাই বাতুনি ভান্ডারর খাজাঞ্চি। 2আর যেরার উপরে ভান্ডারর খাজাঞ্চির ভার দেওয়া অয়, তারা তো পরমান দেখানি লাগবো, তারা হক-হালাল। 3তে আমি হক-হালাল কি না ই বিচার তুমরা করো বা আদালতেউ করউক, এতে আমার কুন্তা যায় আয় না। আমি তো আমার নিজর বিচারউ করি না। 4আমার মন সাদা অইলেও পরমান করা যার না আমি নির্দুষ। তে মালিক ইছায়উ আমার বিচার করবা। 5এরলাগি সঠিক সময়র আগ পর্যন্ত, মানি মালিক ইছা হিরবার না আওয়া পর্যন্ত তুমরা কুনু বিচার করিও না। আন্দাইরো যেতা লুকাইল আছে, তাইন আইয়া ইতারে ফরো আনবা আর মানষর দিলর গোপন নিয়ত অকল জাইর করবা। হউ সময় আল্লার গেছ থাকি হকলে যারযির পাওনা তারিফ পাইবা।

6ভাই অকল, তুমরার ভালাইর লাগি আমি আমার নিজর আর আপল্লছর উদাহরন দিয়া তুমরারে কইলাম, যাতে তুমরা আমরার গেছ থাকি অউ তালিম নেও, আছমানি কিতাবো যেতা লেখা আছে, ইতার বারে যাওয়া ঠিক নায়। তে তুমরা একজনরে থইয়া আরেক জনরে লইয়া বড়াই করিও না। 7কেউ যানু মনো না করে তুমি আলাদা কুন্তা বনিগেছো। তুমার নিজর এমন কুন ধন আছে, যেতা তুমি আল্লার গেছ থাকি লিল্লা পাইছো না? আর ইতা যুদি লিল্লা পাইয়া থাকো, তে লিল্লা পাইছো না কইয়া বেটাগিরি কররায় কেনে?

8তুমরারে দেখিয়া তো মনো অর, তুমরা আগেউ হক্কলতা পাইয়া ধনি অইগেছো, আমরারে বাদ দিয়াউ তুমরা বাদশা বনিগেছো! তুমরা হাছারর বাদশা অইলে ভালাউ অইতো, আমরাও তুমরার লগে বাদশা অইতাম পারতাম। 9যুদ্ধ-বন্দি অকলরে মারিলিবার নিয়তে, যুদ্ধর বিজয় মিছিলর খরর কাতারো যারারে রাখা অয়, আমার মনো অয় আল্লায় আমরার লাখান সাহাবি অকলরেও অলা হকলর খরে রাখছইন। আমরা আস্তা জগতর গেছে, হকল মানষর গেছে, আর ফিরিস্তা অকলর গেছেও তামশার নায়ক বনিগেছি। 10আমরা তো আল-মসীর লাগি বেআখল অইছি, আর তুমরা বুলে আল-মসীর নামে আখলদার বনিগেছো। আমরা কমজুর, তুমরা বলবান, তুমরা বুলে ইজ্জতি বনিগেছো, আমরার তো কুনু ইজ্জত নাই। 11আমরা অখনও পেটর ভুকে, পানির পিয়াছে, কাপড়-চুপড়র অভাবে কষ্ট করিয়ার, বাড়ি-ঘর নাই করি বৈতলর লাখান রইয়ার আর মাইর-ধইর খাইয়ার। 12হামেশা নিজর আতে মেনত করি খাইয়ার। মানষর গাইল-মন্দ হুনিয়াও, তারার ভালাই চাইয়ার, জুলুম-নির্যাতন, হুমকি-ধামকিরে ছবর করিয়ার। 13বদনাম-গিবত সইয্য করি করি, নরম সুরে তারারে বুজাইয়ার। অখন পর্যন্ত আমরা আস্তা জগতর খাছরার লাখান, হকলতার গেছেউ জইঞ্জাল বনিগেছি।

14হুনো, তুমরারে শরম দেওয়ার নিয়তে ইতা লেখরাম না, খালি আমার মায়ার আওলাদ হিসাবে হুশিয়ার করার লাগি লেখরাম। 15মনো রাখিও, আল-মসীর বেয়াপারে তালিম দেওয়ার লাগি তুমরার আজার আজার উস্তাদ থাকতা পারইন, অইলে তুমরার বাফ তো অতো জন নায়। খুশ-খবরি তবলিগর মাজদি ইছায়ী জিন্দেগিত একমাত্র আমিউ অইলাম তুমরার বাফ। 16অখন আমি তুমরারে মিনত করিয়া কইয়ার, আমি যেলা চলি, তুমরাও অলা চলো। 17অউ নিয়তে আমি তিমথিরে তুমরার গেছে পাঠাইলাম, মালিকর নামে এইন তো আমার মায়ার হক-হালাল পুত। মালিক ইছা আল-মসীরে আমি কিলা মানিয়া চলিয়ার, আর হকল জাগার হকল জমাতো কিলা তালিম দিয়ার, ইতা তাইন মনো করাই দিবা।

18তুমরার মাজর কেউ কেউ মনো করের, আমি আর তুমরার গেছে আইতাম নায়, এরলাগি তারা বড়াই-বেটাগিরি দেখাইরা। 19ইনশাল্লা আমি খুব জলদিউ আইমু। যেতায় বড়াই-বেটাগিরি দেখাইরা, তারার মাত হুনাত নায়, খালি তারার মুল খেমতা দেখাত আইমু। 20আল্লার বাদশাই তো মাত-কথার বেয়াপার নায়, ইতা অইলো কুদরতি খেমতার বেয়াপার। 21তুমরার ইচ্ছা কিতা? আমি তুমরার গেছে কিতা লইয়া আইতাম? ছিংলা লইয়া নি, না মায়া-মমতা আর নরম মিজাজ?

5

মানষর যৌবন আর পরিবারর তালিম (৫:১-৭:৪০)

নাফরমান খবিছ অকলর বিচার

1আমি হুনরাম, তুমরার মাজে যেলাখান জঘইন্য জিনার কাম চলের, ইলা কাম বিধর্মী অকলেও করে না। তুমরার মাজর এক জনে নিজর হাতন মারেও বউর লাখান রাখছে। 2এরবাদেও তুমরা বড়াই করো কিলা? ইতার লাগি তুমরা ফানা মাংগা জরুর নায় নি? আর যেগিয়ে ইতা করছে, তারে জমাত থাকি বার করি দেওয়া উচিত না নি? 3আমি স-শরিলে তুমরার মাজে না থাকলেও রুহে তো তুমরার লগে আছি, এরলাগি যেগিয়ে ইতা করছে, ছামনে থাকা বিচারির লাখান আমিও আগেউ তার বিচার করিয়া রাখছি। 4আমার বিচার অইলো, তুমরা মালিক ইছার নামে এক জাগাত দলা অও, অউ সময় আমিও রুহে তুমরার লগে রইমু আর মালিক ইছার বল-শক্তিও আমরার লগে থাকবো। 5আর অউ নাফরমানর শরিলরে বিনাশ করার লাগি শয়তানর আতো দিলাইতে অইবো, যাতে মালিক ইছা আইবার কালো তার রুহে নাজাত পায়।

6ভাইয়াইনরে, বড়াই করা তুমরার লাগি ঠিক নায়। জানো না নি, ময়দার খাইর বড় গামলারেও থুড়া খামিরে ফুলাইলায়? 7তে তুমরার দিল থাকিও হউ পুরান খামিরর ভাব ফালাই দেও, যাতে খামির ছাড়া ময়দার খাই বনো, আর আসলেউ তো তুমরা খামির ছাড়া জন। আজাদি ইদর কুরবানির মেড়ার বাইচ্চার লাখান আমরার লাগি আল-মসীরেও কুরবানি দেওয়া অইছে। জানো তো, হউ ইদো হকল লাখান খামির রাখা হারাম। 8এরলাগি আও, আমরাও হউ পুরান খামির, মানি ইংসা আর খারাপিরে বাদ দিলাই, এর বদলা খামির ছাড়া রুটি, মানি হক আর সাদা দিলে ইদ আদায় করি।

9আমি আগে তুমরারে লেখছলাম, তুমরা নাফরমান খবিছ অকলর লগে সং ধরিও না। 10আমি কইরাম না, ই জগতর খবিছ মানুষ, লোভী, দখলবাজ আর দেব-দেবীর পুজা কররার সংগো এক্কেরে ছাড়ি দিতায়। ইলা অইলে তো তুমরা জগতর বারে আরো কুনুখানো যাইতেগি অইবো। 11অইলে আমি খালি অখান কইতাম চাইরাম, কেউ যুদি নিজরে মুমিন কইয়া দাবি করে, আর হে জিনাকুর, লোভী, দেব-দেবীর পুজারি, গিবত গাওরা, মদখুর, বা চুর-ডাকাইত অয়, তে তার সং ধরিও না, তার লগে খানা-পিনাও খাইও না।

12-13হুনো, আমার অলা ঠেকা পড়ছে নি, ইছার তরিকার বাইরর মানষর বিচার করতাম? ইতার বিচার আল্লায়উ করবা। অইলে তরিকার ভিতরর মানষর বিচার করা তুমরার কাম না নি? তৌরাত কিতাবো আছে, “হউ নাফরমানরে তুমরার সমাজ থাকি বার করি দেও।”

6

মামলা-মকদ্দমার বেয়াপারে হুশিয়ার

1তুমরা কেউরর যুদি কুনু ইমানদার ভাইর বিপক্ষে নালিশ থাকে, তে আল্লার পাক বন্দা অকলর গেছে না গিয়া, হে কুন সাওসে বাইরা মানষর গেছে বিচার চায়? 2তুমরা জানো না নি, অউ পাক বন্দা অকলেউ আস্তা জগতর বিচার করবা? আর আস্তা জগতর বিচার করতে পারলে অউ মামুলি বেয়াপারর ফয়ছালা করতায় পারো না নি? 3তুমরা জানো না নি, আমরা ফিরিস্তা অকলরও বিচার করমু? তে দুনিয়ার বেয়াপার তো কুন্তাউ নায়! 4তুমরার যেবলা অউ লাখান বিচার-আচারর জরুর অয়, অউ সময় জমাতর বাইরা মানষরে কেনে বিচারর সালিশ বানাও? 5আমি তো তুমরারে শরম দেওয়ার লাগিউ লেখরাম, তুমরার মাজে ইলা আখলদার সালিশ একজনও নাই নি, যেইন তুমরার নিজর মাজর গন্ডগোল মিট-মাট করতা পারইন? 6আমি দেখরাম, বিচারর মজলিছো বইয়াও তুমরা ভাইয়ে ভাইয়ে কাইজ্জা কররায়। তা-ও আবার অ-ইমানদারর ছামনে! 7আসলে তুমরা ভাইয়ে ভাইয়ে অউ যেলা বিচার সালিশ চালাইরায়, ইতায় তো তুমরার নিজরউ খেতি অর। তুমরা ইতা সইয্য করো না কেনে বা নিজে নিজে টগা খাও না কেনে? 8বরং তুমরা নিজেউ তো অইন্যায় কররায়, মানষরে টগিরায়, আর ইতা নিজর ভাইর লগেউ কররায়!

9আসলে তুমরা জানো না নি, আল্লার বাদশাইত নাফরমান খবিছ অকলর কুনু ঠাই নাই। তে তুমরার ভুল চিন্তা দুর অউক, যেতা মানষর স্বভাব খারাপ, যেতায় জিনা করইন, মুর্তিপুজা করইন, গাটুয়া নাচাইন, সমকামি, 10চুরি, লোভ-লালছি, মদখুর, গিবত গাওরা আর দখলবাজ, ইতা মানষে তো আল্লার বাদশাইত ঠাই পাইতা নায়। 11তুমরার মাজর কুনু কুনু জনও আগে অলা আছলায়, অইলে মালিক ইছা আল-মসীর উছিলায় আর আমরার আল্লার রুহে তুমরারে ধইয়া ছাফ করছে, তুমরারে পবিত্র করা অইছে আর বে-কছুর খালাছ কইয়া গইন্য করা অইছে।

হকল নমুনার জিনা থাকি হুশিয়ার

12কুনু কুনু মানষে কইন, “আমার লাগি কুন্তাউ হারাম নায়, হক্কলতাউ জাইজ।” অইলে হক্কলতা যেন মানষর লাগি উপকারি, ইলা চিন্তা ঠিক নায়। আমার লাগি হক্কলতা জাইজ অইলেও, আমি কুন্তার গুলাম অইতাম নায়। 13কেউ কেউ কইন, “পেটর লাগি খানি আর খানির লাগি পেট দেওয়া অইছে।” খুব সুন্দর কথা, অইলে আল্লায় তো ই দুইওতাউ বিনাশ করিলিবা। মনো রাখিও, শরিল তো জিনা করার লাগি নায় বরং মালিক ইছার লাগিউ, আর মালিক ইছা শরিলর লাগি। 14আল্লায় তান কুদরতি বলে মালিক ইছারে মুর্দা থাকি জিন্দা করছইন, আর অউ বলে আমরারেও জিন্দা করবা। 15তুমরা জানো না নি, তুমরার শরিল অইলো আল-মসীর শরিলর অংগ? তে আল-মসীর শরিলরে আমি বদমাইশ বেটির শরিলর লগে মিলাইতাম নি? নাউজুবিল্লা, কুনুমন্তেউ না! 16তুমরা বুজো না নি, যে বেটায় বদমাইশ বেটির লগে মিলা-মিশা করে, তার শরিল তো অউ বেটির লগে একখানো মিলিযায়। যেলা পবিত্র তৌরাত শরিফো লেখা আছে, “তারা দুইওজন এক শরিল অইবা।” 17অইলে যে জন মালিক ইছার লগে মিলিযায়, হে তান লগে রুহেও এক অইযায়।

18ভাইয়াইনরে, তুমরা হকল জাতর জিনা থাকি জান বাচাও। মানষে বাদ-বাকি যতো গুনা করে, ইতা শরিলর বারে করে, অইলে যেগিয়ে জিনা করে, হে তার নিজর শরিলর বিরুদ্ধে গুনা করে। 19তুমরা বুজো না নি, তুমরার শরিল অইলো আল্লাই পাক রুহর কাবা ঘর, অউ রুহরে তুমরা আল্লার গেছ থাকি পাইছো, এইন তুমরার দিলো বসত করইন। তুমার শরিল তো তুমার নিজর সম্পদ নায়। 20বউত দাম দিয়া তুমারে খরিদ করা অইছে। এরলাগি তুমার শরিলরে আল্লার গৌরবর কামো লাগাও।

7

বিয়া-শাদির বেয়াপারে তালিম

1ভাইয়াইনরে, তুমরা যেতা ফতোয়া জানার লাগি আমার গেছে লেখছো, অখন অউ বেয়াপারে কইরাম। তুমরার কথা ঠিক আছে, মানষর লাগি ভালা কাম অইলো বিয়া-শাদি না করা। 2অইলে সমাজর হালত দেখিয়া আমি কইরাম, জিনা থাকি বাচিবার লাগি পরতেক বেটাইন্তর বউ থাকলে ভালা, আর পরতেক বেটিন্তরও জামাই থাকলে ভালা। 3হকল জামাইয়ে তার বউর পাওনা হক আদায় করউক, আর বউয়েও অলা জামাইর পাওনা আদায় করউক। 4বউর শরিল তো তাইর নিজর নায়, তাইর জামাইর। অলাখান জামাইর শরিলও তার নিজর নায়, তার বউর। 5জামাই-বউয়ে একে-অইন্যরে নিরাশ করিও না, খালি খাছ কুনু দোয়া-মুনাজাতর লাগি দুইওজনে পরামিশ করিয়া কিছু সময় আলাদা রইতায় পারো। বাদে হিরবার মিলিযিও, যাতে শরিলর খাইশর লাগি শয়তানে তুমরারে গুনার পথে টানার সুযোগ না পায়। 6তে ই বেয়াপারে আমি তুমরারে কুনু হুকুম দিরাম না, খালি ইজাজত দিরাম। 7তা-ও আমার মনর আশা অইলো, হকল মানুষ আমার লাখান আবিয়াতি রউক! অইলে আল্লার গেছ থাকি তো একো মানষে একো নমুনার রহম-নিয়ামত পাইছইন।

8তে ড়াড়ি বেটিন্তরে আর বউ মরা বেটাইন্তরে আমি পরামিশ দিরাম, তারা যুদি আমার লাখান রইতা পারইন, তে ভালা। 9অইলে নিজরে সামলাইতে না পারলে তারা বিয়া-শাদি করউক। কারন শরিলর খাইশে জলিয়া-পুড়িয়া মরা থাকি বিয়া-শাদি করাউ ভালা।

10আর জামাই-বউরে আমি অউ হুকুম দিরাম, বউয়ে যানু তাইর জামাই ছাড়িয়া না যায়। ই হুকুম খালি আমি দিরাম না, স্বয়ং মালিকেউ দিরা। 11আর যুদি তাই হরিয়া যায়গি, তে দুছরা বিয়া না বউক, বরং জামাইর গেছে ফিরিয়া আউক। অলা কুনু জামাইয়েও তার বউরে তালাক না দেউক।

12অখন যেতা কইরাম, ইতা তো সরাসরি মালিকর হুকুম নায়, তান পক্ষে আমি কইরাম, কুনু মুমিন ভাইর বউ যুদি ইছায়ী তরিকার না অইন আর তাইন জামাইর লগে সংসার করতা চাইন, তে জামাইয়ে তানরে তালাক না দেউক। 13অউ লাখান কুনু বেটি মানষর জামাইও যুদি ইছায়ী তরিকার না অইন, আর জামাই তান লগে রইতা চাইন, তে বউয়ে ই জামাইরে তালাক না দেউক। 14কারন অউ বউর উছিলায় আল্লায় তাইর জামাইরে পাক-পবিত্র করছইন আর অউ জামাইর উছিলায় তার বউরেও পাক-পবিত্র করছইন। ইলা না অইলে তুমরার হুরুতাইন তো নাপাক অইলো অনে। আসলে তো আল্লায় অখন তারারেও পাক-পবিত্র মনো করইন। 15অইলে ইছায়ী তরিকার বাইরা হউ বউ বা জামাই যুদি এমনেউ আলগ অইযিতা চাইন, তে অইতা পারবা। ইলা হালতে হউ মুমিন ভাই বা বইন বিয়ার কুনু বান্দনর মাজে থাকইন না। বুজরায় নি, আমরা শান্তিয়ে রওয়ার লাগি আল্লায়উ আমরারে দাওত দিছইন। 16ও বউ অকল, তুমি কিলা বুজলায়, তুমার জামাইর জান তুমি বাচাইতায় পারতায় নায়? ও জামাই অকল, তুমিউ বা কিলা বুজলায়, তুমার বউর জান তুমি বাচাইতায় পারতায় নায়?

17যাই অউক, মালিক ইছায় যারে যেলা রাখছইন, আল্লায় যারে যেলা দাওত দিছইন, হে অলা চলউক। হকল ইছায়ী জমাতরে আমি অউ একই হুকুম দিয়ার। 18যেলা, মছলমানি কাম করাইল কুনু মানষে ইছায়ী তরিকা কবুল করলে হে তার অউ মছলমানিরে অস্বীকার না করউক, আর মছলমানি না করাইল কুনু মানষে ইছায়ী তরিকা কবুল করলে, হে মছলমানি না করউক। 19মছলমানি কাম করানি বা না করানি ইটা কুনু বড় বেয়াপার নায়, আল্লার হুকুম-আহকাম মানাউ অইলো আসল কথা। 20আল্লায় যারে যে হালতে দাওত দিছইন, হে অউ হালতেউ থাকউক। 21ইছায়ী তরিকাত আইবার কালো তুমি গুলাম আছলায় নি? তে ইতার লাগি বেজার অইও না, আর স্বাধীন অইতে পারলে স্বাধীন অও। 22গুলামি করা হালতে মালিক ইছায় যারে দাওত করি আনছইন, হে তো তান দরবারো স্বাধীন অইগেছে। আর স্বাধীন হালত থাকি যারে দাওত করি আনছইন, হে তো আল-মসীর গুলাম বনিগেছে। 23ভাইয়াইনরে, তুমরারে বউত দামদি খরিদ করা অইছে, এরলাগি মানষর গুলাম বনিও না। 24আল্লায় যারে যে হালতে দাওত দিছইন, আল্লার দরবারো হে অলাউ রউক।

25অখন আমি আবিয়াতি পুড়িন্তর মুছলার বেয়াপারে কইরাম। ই বেয়াপারে মালিকর গেছ থাকি আমি সরাসরি কুনু হুকুম পাইছি না, অইলে আল্লার রহমতে হক-হালাল রইয়া আমি আমার মতামত জানাইরাম। 26অউ আখেরি জমানাত যেলা মছিবত আইয়া আজিছে, আমার মনে অর তুমরা যেইন যেলা আছো, অলাউ রও। 27তুমার যুদি বউ থাকে, তে তাইরে তালাক দিও না, আর বউ না থাকলে বিয়া-শাদি করাতও লাগিও না। 28অইলে বিয়া করলে কুনু গুনা অইতো নায়, আর কুনু আবিয়াতি পুড়ি বিয়া বইলে তাইরও গুনা অইতো নায়। খালি জগতো তারার কষ্ট বাড়িবো, অউ কষ্ট থাকি আমি তুমরারে বাচাইতাম চাইরাম।

29ভাই অকল, আমি কইতাম চাইরাম, মালিক ইছায় খুব জলদি তশরিফ আনরা, বেশি দেরি নায়। এরলাগি অখন থাকি অউলা মনো করিও, যেরার বউ-বাইচ্চা আছে, মনো করিও বউ-বাইচ্চা নাই। 30যেরা দুখ-মছিবতো আছইন, তারা মনে করউক্কা কুনু দুখ-মছিবত নাই, যেরা খুশি-বাসি কররা, তারা মনে করউক্কা কুনু খুশি-বাসি নাই, আর যারা খরিদ-বিকি করের, তারাও মনে করউক্কা, ইতা মালর উপরে তারার কুনু দাবি-দাওয়া নাই। 31যেরা জগত-সংসার লইয়া ব্যস্ত, তারার ভাব যানু পুরাপুর সংসারি না অয়, কারন ভবর বাজার তো সাংগো অইযার।

32আমি চাইরাম, তুমরারে হকল নমুনার চিন্তা-ভাবনা থাকি হরাই রাখতাম। কারন আবিয়াতি বেটাইন্তে চিন্তা করইন মালিকর বেয়াপারে, কিলা মালিক-মউলারে খুশি রাখা যায়। 33অইলে বিয়াতি মানষে চিন্তা করইন সংসারর বেয়াপারে, কিলা ঘরর বউ-বাইচ্চারে খুশি রাখা যায়, 34এরলাগি তারার মন দু-টানাত পড়ি যায়। অউলা আবিয়াতি বেটি আর পুড়িন্তে চিন্তা করইন মালিকর বেয়াপারে, কিলা মালিক-মউলারে খুশি রাখা যায়, যাতে তারার শরিল আর মন পাক-পবিত্র থাকে। অইলে বিয়াতি বেটিন্তে চিন্তা করইন সংসারর বেয়াপারে, কিলা জামাইরে খুশি রাখা যায়। 35বুজরায় নি, অউ তালিম অকল তো তুমরার ভালাইর লাগি কইরাম। আমি তুমরার গলাত কুনু ফাস লাগাইতাম চাইরাম না, খালি কইতাম চাইরাম, তুমরা নেক পথে চলো আর দিলে-জানে মালিক-মউলার আশিক অও।

36কুনু মানষে যুদি মনো করে, হে তার আবিয়াতি পুড়ির দায়-দায়িত্ব আদায় করের না, পুড়ির বিয়ার বয়স পার অইযার করি, হে পুড়িরে বিয়া দেওয়া জরুর মনো করে, তে তার খুশি মাফিক পুড়িরে বিয়া দেউক। এতে কুনু গুনা অইতো নায়। 37অইলে যে মানষর মন থির আছে, যার মনো কুনু অশান্তি নাই, হে তার নিজর মনরে সামলাইয়া কাম করে, ই মানষে যুদি মনে করে তার পুড়ির বিয়া-শাদি জরুর নায়, তে হে ঠিক কামউ করের। 38অখন বুজা যার, যে জনে তার পুড়িরে বিয়া-শাদি দেয়, হে নেক কাম করে আর যে জনে তার পুড়িরে আবিয়াতি হালতে রাখে, হে আরো বেশি নেক কাম করে।

39জামাই যতদিন জিন্দা থাকইন, অতদিন বউ জামাইর বান্দনো থাকইন। অইলে জামাই মারা গেলে বউয়ে খালাছ পাইন, আর নিজর পছন্দ মাফিক ইছায়ী তরিকার যেকুনু জনর গেছে বিয়া বইতা পারইন। 40তা-ও আমি মনো করি, তাইন ড়াড়ি হালতে রইলেউ আরো ভালা। আমি বুজরাম, আমি অউ হক্কলতা আল্লাই রুহর বলে কইরাম।

8

ইছায়ী মুমিন আর দেব-দেবীর পুজা (৮:১-১১:১)

দেবতার নামর পসাদ খাওয়া

1হুনো, অখন আমি দেবতার নামে বিলাই দেওয়া পসাদর মুছলার কথা কইরাম। আমরা তো জানি, আমরা হকলরউ আখল-বুদ্ধি আছে। অইলে আখলে বড়াই বাড়ে, আর মহব্বতে মানুষ গড়ে। 2কেউ যুদি নিজরে শিয়ান মনো করে, তে যতখান শিয়ান অওয়া জরুর, অতখান তো অইছে না। 3অইলে যে জনে আল্লারে মহব্বত করে, আল্লা পাকে তো তারে চিনইন। 4তে দেবতার নামে বিলাই দেওয়া পসাদর বেয়াপারে কইরাম, আমরা জানি, দেবতা বলতে ই জগতো কুন্তাউ নাই, এক আল্লা ছাড়া দুছরা কুন্তাউ নাই। 5আছমানো বা জমিনো যেকুনু জাগাত, দেব-দেবী নামে যুদি কুন্তা থাকিয়া থাকে, তে বউত দেবতা আর বউত মুনিব আছইন। 6অইলে আমরার জানা মতে খালি এক আল্লা আছইন, তাইনউ আমরার গাইবি বাফ। তান আতে হক্কলতা পয়দা অইছে, তান লাগিউ আমরা বাচিয়া আছি। ঠিক অউলা আমরার মালিকও খালি একজন, তান নাম ইছা আল-মসী। তান উছিলায় হক্কলতা পয়দা অইছে, আমরা খালি তান লাগিউ টিকিয়া আছি। 7ইতা বুজার আখল তো হকল মানষর নাই। কুনু কুনু জনে আগে দেবতারে ভজনা করতো, এরলাগি তারা অখন দেবতার নামে বিলাই দেওয়া পসাদ খাইলে, তারার বিবেকর কমজুরিয়ে তারে কলংকি বানায়। 8আসলে কুনু নমুনার খানির বলেউ আমরা আল্লার দরবারো কবুল অই না। খানি না খাইলেও আমরার ইমানর খেতি অয় না, আর খাইলেও কুনু লাভ অয় না।

9অইলে হুশিয়ার রইও, তুমরার অউ স্বাধীনতা কুনুমন্তেউ যানু কমজুর ইমানদারর লাগি গুনার কারন না অয়। 10তুমার তো আখল-বিবেক আছে, অইলে যার বিবেক কমজুর, হে যুদি তুমারে দেবতার মন্দিরো বইয়া পসাদ খাওয়াত দেখে, তে হে-ও অউ পসাদ খাইতো নায় নি? 11আর অউ কমজুর ভাইরে বাচানির লাগিউ তো আল-মসীয়ে জান কুরবানি দিছলা, অখন তুমার অউ আখলে তার ইমানর সর্বনাশ অর। 12অলাখান তুমরা যেবলা তুমরার মুমিন ভাইয়াইন্তর লগে গুনার কাম করো, তারার কমজুর বিবেকরে দুখ দেও, অউ সময় তুমরা আল-মসীর বিরুদ্ধেউ গুনা করো। 13এরলাগি আমি কইরাম, খানা-পিনার কারনে যুদি আমার ভাইর ইমানর খেতি অয়, তে তারে গুনা থাকি বাচানির লাগি আমি গোস্ত খাওয়াও এক্কেরে বাদ দিলাইমু।

9

সাহাবি অকলর অধিকার

1ভাইয়াইনরে, আমি কিতা স্বাধীন নায় নি? আমি কুনু সাহাবি নায় নি? আমি কুনু আমরার মালিক ইছারে দেখছি না নি? মালিকর লাগি আমি যে তবলিগ কাম করছি, ইতার ফল তুমরা নায় নি? 2অইন্য কেউ আমারে সাহাবি কইয়া না মানলেও তুমরা তো মানবায়, আমার সাহাবি কামর সীল-চাপ্পড় তুমরাউ, কারন আমার মাজদি তুমরা তান উম্মত অইছো।

3তে আমার সাহাবি পদ লইয়া যেরা সন্দয় করইন, তারা আমার অউ জুয়াপ হুনউক্কা। 4আমি আর সাহাবি বার্নাবাছে কিতা খানা-পিনার বেতন পাইবার অধিকার নাই নি? 5মুমিন কুনু বইনরে শাদি করার অধিকার আমরার নাই নি? অইন্য সাহাবি অকলে, মালিক ইছার ভাইয়াইন্তে আর সাহাবি পিতরে যেলা যারযির বিবিরে লইয়া ছফরো যাইন, আমরাও অলা পারি না নি? 6খালি আমি আর বার্নাবাছেউ নিজর আতে কামাই করিয়া খাইতাম নি? 7নিজর গাট্টির টেকা ভাংগিয়া কেউ সিপাইর চাকরি করে নি? যে গিরস্তে ফলর বাগান করে, হে ইতার ফল খায় না নি? যে রাখালে পশুপাল রাখে, হে ইতার দুধ খায় না নি? 8আমি তো খালি মানুষ আখলে মাতিয়ার না, মুছা নবীর শরিয়তেও অলা কইছে। 9শরিয়তো আছে, “ধান মাড়া দেওয়ার সময় গরুর মুখো হুফি লাগাইও না।” তে আল্লায় খালি গরুর কথাউ চিন্তা করইন নি? 10তাইন আসলে আমরার কথাউ কইছইন, ইখান হাছা নায় নি? নিচ্চয়, ইতা আমরার লাগিউ লেখা অইছিল, কারন যেইন খেত করইন আর যেইন ধান মাড়া দেইন, ফসলর বাট পাওয়ার আশায়উ তারার ইতা করা উচিত। 11তে আমরা যেলা তুমরার মাজে রুহানিক বিচি রুইছি, অউলা যুদি তুমরার গেছ থাকি দুনিয়াবি খানি-পানি যুগাই, তে বেশি কুন্তা নিরাম নি? 12আর অউ বেয়াপারে যুদি তুমরার উপরে অইন্য মানষর দাবি খাটে, তে আমরা আরো বেশি দাবি খাটাইতাম পারি না নি? অইলে আমরা ইলা দাবি না খাটাইয়া সইয্য করিয়ার, যাতে আল-মসীর বেয়াপারে খুশ-খবরি তবলিগ কামো আমরা কেউরর পথর কাটা না অই।

13তুমরা জানো না নি, পবিত্র বায়তুল-মুকাদ্দছো যেরা কাম করইন, তারা অখান থাকিউ খানা-পিনা পাইন, আর কুরবানি খানাত যেরা কাম করইন, তারা অউ কুরবানির মাল থাকি বাট পাইন। 14ঠিক অলাখান মালিক ইছার হুকুম আছে, যারা খুশ-খবরি তবলিগ করইন, তারা যানু অউ কামর উছিলায় খাওয়া-ফিন্দা পাইন।

15অইলে আমি তো এর কুন্তাউ নিছি না। আর অখন তুমরারেও ইতা লেখিয়ার না, আমার লাগি অতার বেবস্তা করতায় করি। অখন আমার অউ বড়াইরে যুদি কেউ বেকামা বানাইলায়, তে আমার মরি যাওয়াউ ভালা। 16আমি যে খুশ-খবরি তবলিগ করিয়ার, এতে আমার বড়াই দেখানির কুন্তা নায়, ইতা আমার লাগি ফরজ। তবলিগ না করলে আমার উপরে লান্নত পড়উক! 17অইলে আমি যুদি খুশি মনে তবলিগ করি, তে তো আমার পুরুস্কার আছে, আর যুদি নিজর খুশিয়ে না-ও করি, তে মালিকর দেওয়া জিম্মাদার হিসাবে তো করিয়ার। 18অখন আমার ই কামর পুরুস্কার কিতা? ই পুরুস্কার অইলো, খুশ-খবরি তবলিগ করিয়া হারি পাওনা বেতন নেই না, বিনা পয়সায় তবলিগ করাউ আমার বেতন।

19আমি যুদিও কুনু বেটার গুলাম নায়, তেবউ বইত মানষর জান বাচানির লাগি নিজরে হকলর গুলাম বানাইয়া রাখছি। 20ইহুদি অকলর মন জয় করার লাগি ইহুদি সমাজো আমি ইহুদির লাখান অইছি। আমি তো মুছা নবীর শরিয়তর অধীনে নায়, অইলে যারা তান শরিয়ত মানে, তারারে জয় করার লাগি আমি তারার লাখান অইছি। 21আর যারা শরিয়তর বাইরা, তারারে জয় করার লাগি আমি শরিয়তর বাইরা মানষর লাখান অইছি। আসলে আমি আল্লার দেওয়া শরিয়তর বারে নায়, আল-মসীর শরিয়তর অধীনে আছি। 22যেরা কমজুর, তারার গেছে আমি কমজুরর লাখান অইছি, তারারেও জয় করার লাগি। বেয়াপার অইলো, যেকুনু মন্তে কিছু মানষর জান বাচানির লাগি আমি হকল সমাজর মন যুগাই চলিয়ার। 23খালি খুশ-খবরির লাগিউ আমি ইতা করিয়ার, যাতে এর রহমতর ভাগি অই।

24তুমরা জানো না নি, দৌড়র খেলাত উঠিয়া হকলেউ দৌড়ায়, অইলে পুরুস্কার খালি একজনেউ পায়। অখন তুমরাও অউলা দৌড়াও যাতে পুরুস্কার পাও। 25দৌড়র খেলাত দৌড়াইয়া হারি মানষে অলা এক মালা পায়, যে মালা বাদে নষ্ট অইযায়, আর অউ মালা পাওয়ার লাগি এরা বউত কঠিন নিয়ম-কানুনও মানে। অইলে আমরা তো আসল অক্ষয় মালা পাওয়ার লাগি ইতা কররাম। 26এরলাগি উদ্দেশ্য ছাড়া আমি দৌড়াইরাম না। যেতা বেটাইন্তে বাতাসর লগে কিলাকিলি করইন, আমি তো ইতার লাখান নায়। 27বরং আমি নিজর শরিলরে কষ্ট দিয়া গুলামর লাখান রাখছি, যাতে অইন্যর গেছে খুশ-খবরি তবলিগ করিয়া হারি, পুরুস্কার থাকি নিজে বাদ না পড়ি।

10

বনি ইছরাইলর ইতিহাস থাকি হুশিয়ারি

1ভাই অকল, আমি চাইরাম, মরুভুমির মাজে আমরার ময়-মুরব্বি অকলর ঘটনা তুমরার মনো রউক। এরা হকল তো গাইবি মেঘর খুটির তলে রইতা, হকলে পাওয়ে আটিয়া নীল দরিয়া পার অইয়া গেছলা। 2হকলেউ হউ মেঘর খুটি আর নীল দরিয়ার মাজে হজরত মুছার তরিকায় পাক গোছল করছলা। 3তারা আল্লার দেওয়া একই লাখান গাইবি খানি খাইছইন, 4একই লাখান গাইবি পানিও খাইছইন, হকলে অলা এক কুদরতি পাথর থাকি পানি খাইতা, যে পাথর তারার লগে লগে রইতো, অউ পাথরউ অইলা আল-মসী। 5তা-ও এরা বেশির ভাগ মানষর উপরে আল্লা পাক খুশি আছলা না। এরলাগিউ তারার লাশ মরুভুমির মাজে পড়ি রইলো।

6ইতা ঘটনা অইলো আমরার তালিমর লাগি এক ইতিহাস, যাতে অতা দেখিয়া আমরা হুশিয়ার অই আর তারার লাখান কু-পথর আশিক না অই। 7তারার মাজে কেউ কেউ যেলা মুর্তিপুজা করছিল, তুমরা ইলা করিও না। তৌরাত শরিফো আছে, “হকল মানুষ খানিত বইলা, বাদে তারা খাওয়া-দাওয়া করিয়া হারি, হৈ-হুল্লা করি নাচ-গান, ফুর্তি-আমোদ করাত লাগলা।” 8আরকবার তারার মাজর বউত জনে জিনা করায়, একই দিনে তেইশ আজার মানুষ মারা গেছলা। তে আমরা যানু অলাখান জিনা থাকি বাচিয়া রই। 9তারার মাজর বউতে মালিক-মউলারে পরিক্ষা করাত লাগিয়া হাফর কামড় খাইয়া মরছইন। আমরা যানু তানরে ইলা পরিক্ষা না করি। 10তারার মাজর বউতে না-খুশ অইয়া বকা-জকা করায়, আল্লার গজবর ফিরিস্তায় তারারে বিনাশ করছইন। এরলাগি তুমরা ইলা করিও না।

11তারার উপরে ইতা ঘটিছিল নিশানা হিসাবে, যাতে অতা দেখিয়া আমরা হুশিয়ার অই। আমরা যেরা অউ আখেরি জমানার মানুষ, অউ লেখা পড়িয়া আমরা যানু সাবধানে রই। 12এরলাগি কুনু মানষে যুদি মনো করে, হে মজবুত আছে, তে হে হুশিয়ার রউক যাতে তার ইমান না আলে। 13মানষর জিন্দেগিত যেলাখান পরিক্ষা আয়, অতার বাইরা নয়া কুনু পরিক্ষা তো তুমরার উপরে অর না। আল্লা পাক তো হক-হালাল, তাইন তুমরারে সইয্যর অতিরিক্ত কুনু পরিক্ষাত ফালাইতা নায়, বরং পরিক্ষা থাকি বাচিবার পথও বাতাই দিবা, যাতে তুমরা ইতা সইয্য করতায় পারো।

14ও মায়ার দুস্ত অকল, এরলাগি আমি তুমরারে কইরাম, দেব-দেবীর পুজা থাকি জান বাচাও। 15তুমরারে আখলদার জানিয়াউ আমি কইরাম, আমি যেতা কইরাম তুমরা ইতা যাচাই-বাচাই করিয়া দেখো। 16আল-মসীর মেজবানির সময়, শুকরিয়া আদায় করিয়া পিয়ালা থাকি আমরা যে শরবত খাই, ইতার মাজদি আমরা আল-মসীর লউর লগে শরিক অই না নি? আর যে রুটি ছিড়িয়া খাই, ই খানির মাজদি তান শরিলর লগে শরিক অই না নি? 17আমরা হকলে যেবলা এক রুটি বাটিয়া খাই, তে বুজা যায়, আমরা বউত জন অইলেও আমরা খালি এক শরিল।

18হুনো, বনি ইছরাইলর হালত চিন্তা করো, তারার যেতা মানষে কুরবানির গোস্ত খাইন, তারা হউ কুরবানি খানার হকল কামোও শরিক অইযাইন না নি? 19আর আমি কুনু কইরাম নি, দেবতার নামর পসাদরে হিসাবো ধরা যায়, বা অউ দেবতারে হিসাবো ধরা যায়? 20না, মোটেউ না। তা-ও বিধর্মী অকলে যতো নমুনার বলি দেইন, ইতা দেও-দানব, ভুত-পেরতর নামেউ দেইন, আল্লার নামে নায়। তে আমি চাই না, অউ ভুত-পেরতর লগে তুমরার কুনু খাতির-দুস্তি রউক। 21হুনো, মালিক ইছার মেজবানি আর ভুত-পেরতর মেজবানি, ই দুইও কামো শরিক অওয়া তুমরার লাগি ঠিক নায়। মালিকর পিয়ালা আর ভুতর পিয়ালা, দুইওতা থাকি একলগে খাওয়া ঠিক নায়। 22তে আমরা কিতা করিয়ার, আমরা মালিক ইছার দিলো আগুইন লাগাইতাম নি? তান লগে লাড়াই করিয়া জিততাম পারমু নি?

খানা-পিনার বেয়াপারে হুশিয়ারি

23মনো অর নি, আমি তো আগে কইছি, কুনু কুনু জনে কইন, “আমার লাগি কুন্তাউ হারাম নায়, হক্কলতাউ জাইজ।” অইলে হক্কলতা যেন মানষর লাগি উপকারি, ইলা চিন্তা তো ঠিক নায়। যুদিও এরা কইন, হক্কলতাউ হালাল, অইলে হকলতায় তো মানষর ইমান বাড়ায় না। 24তে কুনু জনেউ নিজর স্বার্থ লইয়া পাগল অইও না, বরং অইন্যর ভালাই করার চেষ্টা করো। 25বাজার-আটো যেকুনু গোস্ত বিকি অইলে ইতা খাইও, নিজর বিবেকরে শান্তি রাখার লাগি কুনু সন্দয় করিও না। 26পবিত্র জবুর শরিফে তো কয়, “ই জগত আর জগতর হক্কলতাউ মাবুদর।”

27এরলাগি আমরার তরিকার বাইরর কুনু মানষে যুদি তুমরারে দাওত দেইন, আর তুমরা যাইতায় চাও, তে বিবেকরে ঠান্ডা রাখার লাগি কুনু সন্দয় না করিয়া যেতা ছামনে দেইন অতাউ খাইও। 28অইলে কেউ যুদি তুমরারে জানাই দেয়, ই খানি কুনু দেবতার নামর পসাদ, তে যে জনে ইখান কইছে, তার ভালাইর লাগি আর বিবেকর আরামর লাগি ইতা খাইও না। 29আমি তো তুমরার বিবেকর কথা কইরাম না, হউ দুছরা মানষর বিবেকর কথা কইরাম। কারন অইন্য মানষর বিবেক-বিচারে, আমার ইচ্ছা-অনিচ্ছার স্বাধীনতাত কেনে নাক গলাইতো? 30আমি যুদি আল্লার শুকরিয়া আদায় করিয়া খানা-পিনা খাই, তে যে খানির লাগি শুকরিয়া আদায় করলাম, অউ খানির লাগি আর বদনাম অইতো কেনে?

31এরলাগি তুমরা খানা-পিনা করো বা যেতাউ করো না কেনে, হকলতাউ আল্লার গৌরবর নিয়তে করিও। 32বনি ইছরাইল বা ভিন জাতি, বা আল্লার জমাতর কুনু মানষর পথর কাটা বনিও না। 33আমি যেলা হকল নমুনার মানষরে হকল বেয়াপারে খুশ রাখার চেষ্টা করি, তুমরাও অউলা করিও। আমি তো নিজর স্বার্থর চিন্তা করি না, সব মানষর ভালাইর চেষ্টা করি, যাতে তারা নাজাত হাছিল করইন।

11

1তে আমি যেলা আল-মসীর লাখান চলিয়ার, তুমরাও অউলা আমার লাখান চলো।

জমাতো আল্লার এবাদত-বন্দেগি (১১:২-১৪:৪০)

নিয়ম মানিয়া এবাদত করো

2ও ভাই অকল, তুমরা আমার দেওয়া তালিম মনো রাখিয়া চলরায়, আর হকল বেয়াপারেউ আমারে ইয়াদ রাখরায়, এরলাগি আমি তুমরার তারিফ করিয়ার। 3তে আমি চাইরাম, তুমরা অখান বুজো, আল-মসীউ অইলা হকল বেটাইন্তর মাথা, বেটাইন অইলা বেটিন্তর মাথা, আর আল্লা পাক অইলা আল-মসীর মাথা। 4এবাদত-বন্দেগির সময় যে বেটায় মাথা গুরিয়া দোয়া-মুনাজাত করে, বা পীরাকি মাতে, হে তো তার মাথারে অসম্মান করে। 5অলাখান যে বেটিয়ে মাথা না গুরিয়া দোয়া-মুনাজাত করে, বা পীরাকি মাতে, অউ বেটিয়েও তাইর মাথার অসম্মান করে, তাই মাথা কামাইল বেটিন্তর লাখান বনিযায়। 6কুনু বেটিয়ে যুদি মাথা না গুরে, তে তাইর চুল কামাইলাউক। অইলে বেটিন্তর চুল কামানি শরমর বিষয় মনো অইলে, তাইর মাথা গুরিয়া রাখউক। 7এবাদত-বন্দেগির সময় মাথা গুরিয়া রাখা বেটাইন্তর লাগি ঠিক নায়, আল্লায় তো বেটাইন্তরে তান নিজর ছুরতে পয়দা করছইন আর বেটাইন্তর মাজদিউ আল্লার মহিমা জাইর অয়, অইলে বেটিন্তর মাজদি বেটাইন্তর মহিমা জাইর অয়। 8পয়লা বেটা মানুষ বাবা আদম তো বেটি থাকি পয়দা অইছইন না, অইলে পয়লা বেটি মানুষ মাই হাওয়া নিচ্চয় বেটা থাকিউ পয়দা অইছইন। 9আর বেটিন্তর লাগি বেটাইন পয়দা অইছইন না, বরং বেটাইন্তর লাগিউ বেটিন পয়দা অইছইন। 10অউ তালিম মাফিক ফিরিস্তা অকলর কথা খিয়াল রাখিয়া, তাবেদারি মানার নিশানা হিসাবে হকল বেটিন্তে মাথা গুরিয়া রাখা জরুর। 11তা-ও মালিক ইছার তরিকার বেটি মানষে ঘরর বেটার উপরে ভরসা করইন, আর বেটায়ও অলা বেটির উপরে ভরসা করইন। 12কারন, পয়লা বেটা আদম থাকি যুদিও পয়লা বেটি মাই হাওয়া পয়দা, তা-ও বেটিন থাকিউ হিরবার বেটাইন্তর জনম অয়। আসলে হক্কলতাউ তো আল্লার পয়দা।

13তুমরা নিজেউ বিচার করি দেখো, মাথাত কাপড় না দিয়া কুনু বেটিয়ে দোয়া-মুনাজাত করা ঠিক নি? 14আর সমাজর হাল-চাল থাকিউ তো বুজা যায়, বেটাইন্তর মাথাত লাম্বা চুল রাখা শরমর বেয়াপার, 15অইলে বেটিন্তে লাম্বা চুল রাখলে তারার সুনাম বাড়ে না নি? নিজরে গুরিয়া রাখার লাগিউ তো তারা ই লাম্বা চুল পাইছইন। 16তে ইতা লইয়া কেউ তর্ক-বিতর্ক করলে, আমার পরিস্কার জুয়াপ অইলো, ইতা ছাড়া দুছরা কুনু নিয়ম আমরার মাজে নাই আর আল্লার জমাতর মাজেও নাই।

ইছা আল-মসীর মেজবানির বেয়াপারে

17অখন আমি যে বেয়াপারে পরামিশ দিতাম চাইরাম, ই বেয়াপারে তো তুমরা মোটেউ তারিফ পাওয়ার জুকা নায়। তুমরা জমাতো যেলা শরিক অও, ইতায় তুমরার কুনু ফায়দা অয় না, বরং খেতি অয়। 18আমি হুনিয়ার, তুমরা যেবলা জমাতো শরিক অও, অউ সময় তুমরার মাজে দলাদলি থাকে, আর ইতা কিছু আমি বিশ্বাসও করি। 19আসলে তো তুমরার মাজে মতর অমিল থাকবোউ, যাতে তুমরার মাজর খাটি নিখুত মানষর পরিচয় মিলে। 20হুনো, তুমরা যেবলা একখানো মিলিয়া এবাদত-বন্দেগি করো, অউ সময় তো আল-মসীর মেজবানির নিয়তে খানি বিলানি অয় না। 21কারন তুমরা একজনে আরক জনর বায় খিয়াল না করিয়াউ খানি খাইলাও। তুমরার একজনর পেটো ভুক থাকে, আর আরক জন খাইয়া টাল অইযায়। 22খানা-পিনা খাইবার লাগি তুমরার কুনু ঘর-বাড়ি নাই নি? তুমরা ইচ্ছা করিয়া আল্লার জমাতরে এলামি কররায় নি? আর যেরার খানির কুন্তা নাই, তারারে শরম দিরায় নি? অখন আমি আর কিতা কইতাম? তুমরার তারিফ করতাম নি? নাউজুবিল্লা!

23আসলে আমি মালিক ইছার গেছ থাকি যে তালিম পাইছি, অউ তালিমউ আমি তুমরারে দিছি। মালিক ইছারে যে রাইত দুশমনর আতো ধরাই দেওয়া অইছিল, হউ রাইত তাইন খানির রুটি আতো লইলা, 24আর আল্লার শুকরিয়া আদায় করলা, বাদে অউ রুটি টুকরাইয়া কইলা, “ইতা তো আমার শরিল, অউ শরিল তুমরার লাগি বিলাই দেওয়া অর, তে আমারে মনো রাখার লাগি অউলা করিও।” 25অলা খাওয়ার বাদে তাইন শরবতর পিয়ালা লইয়া কইলা, “আমার লউর জরিয়ায় আল্লার লগে মিলনর যে নয়া উছিলা কাইম অইবো, অউ পিয়ালা অইলো এর নিশানা। তুমরা অউ পিয়ালা থাকি খাওয়ার সময় আমারে ইয়াদ করার লাগি হামেশা অলা করিও।” 26তে তুমরা যতবার অউ রুটি খাইবায় আর অউ পিয়ালার শরবত খাইবায়, মালিক ইছা হিরবার না আওয়া পর্যন্ত অতবারউ তান মউতর কথা এলান কররায়।

27এরলাগি খাম-খেয়ালি করিয়া কেউ যুদি ই রুটি খায় আর পিয়ালার শরবত খায়, তে হে মালিক ইছার শরিল আর লউর বিরুদ্ধে গুনা করিয়া দুষি বনিযায়। 28অউ রুটি খাইবার আগে আর পিয়ালার শরবত খাইবার আগে, মানষে নিজরে যাচাই করি দেখউক। 29কারন ইতা খাওয়ার সময় হে যুদি মালিক ইছার শরিলর বেয়াপারে না বুজে, তে ইতা খাইয়া হে নিজর উপরে গজব ডাকিয়া আনে। 30অতার লাগিউ তুমরার মাজর বউত মানুষ কমজুর আর বেমারি আছইন, এমনকি কেউ কেউ মরছইন। 31আমরা নিজর বিচার নিজে করিল্লে, মালিকর আতর বিচার থাকি রেহাই পাইমু। 32অইলে মালিকে যেবলা আমরার বিচার করইন, অউ সময় তাইন আমরারে শাসন করইন, যাতে দুনিয়ার হকলর লগে আখেরাতর দিন আমরারে দুষি সাইবস্তো করা না অয়।

33এরলাগি ও ভাই অকল, তুমরা যেবলা মেজবানি খাওয়ার লাগি একখানো দলা অও, অউ সময় একে-অইন্যর বায় খিয়াল করিও। 34একজনর যুদি পেটো ভুক লাগি যায়, তে হে বাড়ি থাকি খাইয়া আউক, যাতে তুমরা একখানো অওয়ায় কুনু সাজা না পাও। তে আমি যেবলা তুমরার গেছে আইমু, অউ সময় বাদ-বাকি বেয়াপারে নছিয়ত করমু।

12

আল্লাই পাক রুহর নানান লাখান নিয়ামত

1ও ভাই অকল, আমি চাইরাম আল্লাই পাক রুহর দান-নিয়ামতর বেয়াপারে তুমরার কুন্তাউ অজানা না রউক। 2তুমরার জানা আছে, আগে যেবলা তুমরা আল্লার এবাদত করতায় না, হউ সময় তুমরারে অলাখান দেব-দেবীর বায় টানিয়া নেওয়া অইতো, যেতায় কুন্তা মাতিতো পারে না। 3অইলে আমি তুমরারে জানাইরাম, আল্লার রুহর বলে মাতিলে কুনু মানষে ইখান কয় না, “ইছার উপরে লান্নত পড়উক।” আর আল্লাই পাক রুহর বল ছাড়া কেউ কইতোও পারে না, “হজরত ইছাউ মালিক।”

4অউ একই পাক রুহর নানান নমুনার দান-নিয়ামত আছে। 5আমরা নানান নিয়মে একই মালিকর খেজমত করি। 6আমরা পরতেক জনরে নানান নমুনার কাম-কাজ দেওয়া অইছে, অইলে আল্লা পাক তো একজনউ, তাইন নানান উপায়ে আমরার মাজে কাম করইন। 7হকলর ফায়দার লাগি অউ পাক রুহ একো জনর মাজে একো নমুনায় জাইর অইন। 8অউ পাক রুহর বলে কুনু কুনু জনরে জ্ঞান-বুদ্ধির মাত মাতা, আর কেউররে আখলদারি মাত মাতার নিয়ামত দেওয়া অয়। 9একজনে অউ রুহর বলে গাইবি ভরসা পাইন, আর অউ রুহর বলে দুছরা জনে বেমারিরে ভালা করার খেমতা পাইন, 10কেউ কেউ কেরামতি কাম করার খেমতা, কেউ কেউ পীরাকি মাতার খেমতা, কেউ কেউ বাদ-ভালা রুহ অকল আর জিন-ভুতরে চিনার খেমতা, কেউ কেউ নানান নমুনার গাইবি ভাষায় মাতার খেমতা আর কেউ কেউ ইতার মানি বুজাইয়া দিবার খেমতা পাইন। 11ইতা হকল কাম তো অউ একই পাক রুহে করইন। অউ দান-নিয়ামত অকল তান নিজর খুশি মাফিক পরতেক মুমিনরে বাটিয়া দেইন।

এক শরিলর মাজে বউত অংগ

12ও ভাইয়াইন অকল, এক শরিলর যেলা বউত অংগ থাকে, অলা বউত অংগ মিলিয়া এক শরিল অয়, আল-মসীও তো ঠিক অলাখান। 13আমরা বনি ইছরাইল অই বা ভিন জাতি অই, আজাদ বা গুলাম অই, অউ একই পাক রুহে হকলর তরিকাবন্দি অইছে এক শরিল অওয়ার লাগি। হকলেউ তো অউ একই পাক রুহ পাইছি।

14কুনু মানষর শরিলরে খালি এক অংগ দিয়া বানাইল অইছে না, বরং বউত অংগ জুড়া দেওয়া অইছে। 15অখন পাওয়ে যুদি কয়, “আমার নাম তো আত নায়, তে আমি শরিলর অংগও নায়,” এরলাগি পাও যেন শরিলর অংগ নায়, ইখান তো ঠিক নায়। 16অউলা কানে যুদি কয়, “আমার নাম তো চউখ নায়, তে আমি শরিলর অংগও নায়,” এরলাগি কান যেন শরিলর অংগ নায়, ইখান তো ঠিক নায়। 17মানষর আস্তা শরিলউ যুদি চউখ অইযিতো, তে হুনবার খেমতা কই পাইলো অনে? আর যুদি সারা শরিলউ কান অইযিতো, তে ঘেরান হুংগিবার খেমতা কই রইলো অনে? 18তে আল্লায় তান নিজর খিয়াল-খুশি মাফিক শরিলর নানান অংগরে এক এক করি হাজাইছইন। 19হকল অংগ যুদি এক লাখান অইযিতো, তাইলে শরিলর কুন হালত অইলো অনে? 20শরিলো বউত অংগ আছে, তা-ও শরিল তো একটাউ।

21চউখে আতরে কইতো পারে না, “তুমারে আমার দরকার নাই,” আর মাথায় দুইও পাওরে কইতো পারে না, “তুমরারে আমার দরকার নাই।” 22আসলে শরিলর যে অংগরে কমজুর মনো অয়, অগুইনউ বেশি দরকারি। 23শরিলর যে শরমর অংগরে আমরা হুরু-মুরু মনো করি, ইটারে আমরা বেশি দাম দেই, মানি যে অংগরে বারে দেখানি যায় না, ইতারে আমরা ইজ্জত করিয়া গুরিয়া রাখি। 24অইলে যে অংগরে বারে দেখানি যায়, ইতারে গুরিয়া রাখার দরকার অয় না। আসলে আল্লায় অউ হুরু-মুরু আর কমজুর অংগরে বেশি ইজ্জত দিয়া, হকল অংগরে জুড়া লাগাইয়া এক শরিল বানাইছইন, 25যাতে শরিল ভাগা-ভাগি না অয়, বরং এক অংগয় আরক অংগরে নিজর লাখান মনো করে। 26শরিলর এক অংগর যুদি কষ্ট অয়, তে সারা শরিলে কষ্ট পায়, আর এক অংগে ইজ্জত পাইলে, আস্তা শরিলে খুশি-বাসি করে।

27তে তুমরাউ অইলায় আল-মসীর শরিল, তুমরা একো জন অউ শরিলর একো অংগ। 28জানো নি, আল্লায় তো জমাতর ভিতরে পয়লা সাহাবি, বাদে পীরাকি মাত মাতরা, বাদে উস্তাদ অকল বওয়াল করছইন। এরবাদে বওয়াল করছইন যেরা কেরামতি কাম কররা, বেমার ভালা কররা, সাইয্য-সহায়তা কররা, ইছায়ী জমাতরে চালাওরা আর নানান গাইবি ভাষায় মাতরা জন। 29তে এরা হকলেউ কুনু সাহাবি পদ পাইছইন নি? হকলেউ পীরাকি মাতইন নি? হকলউ উস্তাদ নি? আর হকলে কুনু কেরামতি কাম করার খেমতা পাইছইন নি? 30হকলে কুনু বেমার শিফা করতা পারইন নি? হকলেউ গাইবি ভাষায় মাতইন নি? হকলেউ ইতার মানি বুজাইয়া দিতা পারইন নি? নিচ্চয় না। 31তা-ও আমি কইরাম, তুমরা হকল থাকি দামি নিয়ামত অকল পাওয়ার লাগি আশিক অও।

আর খিয়াল করো, অখন আমি তুমরারে আরো ভালা একখান পথ দেখাইরাম।

13

মহব্বতউ অইলো হকল থাকি বড় ধন

1আমি যুদি জগতর মানুষ বা আছমানি ফিরিস্তার গাইবি ভাষায় মাতি, আর আমার ভিতরে কুনু মহব্বত না থাকে, তে তো আমি জুরে জুরে বাজাইল পিতলর ঘন্টি বা ঝন ঝন করা করতালর লাখান অইগেছি। 2আমার যুদি পীরাকি মাতিবার খেমতা থাকে, হকল বাতুনি বেয়াপার বুজি, হকল নমুনার আখল-বুদ্ধিয়ে কামিল অই, আর আমার ইমানি বলদি উচা পাড়োরেও এক জাগা থাকি আরক জাগাত হরাইলিতাম পারি, অইলে আমার দিলো কুনু মহব্বত না থাকে, তে আল্লার নজরো আমি কুন্তাউ নায়। 3আমার হকল ধন-ছামানা যুদি গরিব-দুখিরে বিলাই দেই, এমনকি আমার শরিলরেও যুদি জালানির লাগি দান করিলাই, আর আমার ভিতরে যুদি মহব্বত না থাকে, তে কুনু ফায়দা নাই।

4মহব্বত হকল সময় ছবর করে, দয়া-মায়া করে, ইংসা করে না, বড়াই করে না, অহংকার করে না, 5বাদ বেবহার করে না, নিজর স্বার্থর চেষ্টা করে না, রাগ-গুছা করে না, কেউ কুনু খেতি করলে মনো রাখে না, 6নাফরমানিত খুশি অয় না, বরং হকিকতিয়ে খুশি করে। 7মহব্বতে হক্কলতা সইয্য করে, হকলতা বিশ্বাস করে, হকল বেয়াপারে মনর মাজে আশা যুগায় আর হকল বেয়াপারে ছবর করিয়া ধৈর্য ধরে।

8হুনো, হকল পীরাকি মাত একদিন ফুড়াইযিবো, নানান ভাষাও শেষ অইযিবো আর আখলদারর আখলও ফুড়াইযিবো, অইলে মহব্বত কুনু সময় ফুড়ায় না। 9তে অখন আমরা তো কুনুতাউ ষোলআনা জানি না, পীরাকি মাতও ষোলআনা কইতাম পারি না। 10অইলে আমরা জানি, ষোলআনা অওয়ার সময় যেবলা আইবো, অউ সময় ভাংগা-চুরা হকলতা ফুড়াইযিবো।

11আমি যেবলা হুরু আছলাম, অউ সময় হুরুতার লাখান মাতিতাম, হুরুতার লাখান চিন্তা-ভাবনা করতাম, আর হুরুতার লাখান বিচার-বিবেচনা করতাম। অইলে অখন তো বড় অইগেছি, এরলাগি হুরুতার লাখান আচার-বেবহার বাদ দিলাইছি। 12অখন তো আমরা জাপসা আয়নার মাজে হকলতা পরিস্কার দেখরাম না, বাদে হউ ষোলআনা অওয়ার সময় আইলে আমরা হকলতা ছামনা-ছামনি দেখমু। অখন আমি হক্কলতা পুরাপুর জানি না, হউ সময় আইলে আমি হকলতা পুরাপুর জানমু, আল্লায় আমারে যেলা পুরাপুর চিনইন, অলা আমিও হকলতা জানমু।

13বুজরায় নি, ইমান, আশা, আর মহব্বত, অউ তিনো ধন হর-হামেশা রইবো, ইতার মাজে মহব্বতউ হকল থাকি বড়।

14

পীরাকি মাত আর গাইবি ভাষায় মাতর তফাত

1এরলাগি ও ভাই অকল, তুমরাও মহব্বতর লাগি আশিক অও, পাক রুহর দেওয়া দান-নিয়ামতর লাগি খিয়ালি অও, খাছ করি পীরাকি মাতিবার খেমতা পাইতে খিয়ালি অও। 2কারন যে মানষে গাইবি কুনু ভাষায় মাতে, হে ইতা মানষর লগে মাতের না, আল্লার লগেউ মাতের। তার মাতর ভাষা কুনু মানষে বুজে না, হে খালি পাক রুহর বলে বাতুনি বুলি কয়। 3অইলে যেইন পীরাকি মাতইন, এইন মানষর গেছেউ মাতইন, এন মাতে মানষর জিন্দেগিরে গড়িয়া তুলে, মানষর দিলো আশা আর সান্তনা যুগায়। 4তে যে জনে গাইবি ভাষায় মাতে, হে খালি নিজরে গড়িয়া তুলে, অইলে যেইন পীরাকি মাতইন, এইন তো আল্লার জমাতরে গড়িয়া তুলইন। 5এরলাগি আমি চাইরাম, তুমরা হকলেউ গাইবি ভাষায় মাতো, অইলে আরো বেশি চাইরাম, তুমরা হকলে পীরাকি মাত মাতো। মনো রাখিও, কুনু মানষে যুদি গাইবি ভাষায় মাতে, আর মাতর বাদে জমাতর মানষরে গড়িয়া তুলার লাগি দুছরা কেউ ইতার মানি বুজাইয়া না দেয়, তে হউ যেইন পীরাকি মাতইন এইনউ বড়।

6ভাইয়াইনরে, আমি যুদি তুমরার গেছে আইয়া খালি গাইবি কুনু ভাষায় মাতি, অইলে এর মাজদি আল্লার বাতুনি মুনশার কথা, আখল-হেকমতর কথা, পীরাকি কুনু মাত বা কিতাবি নছিয়ত না জানাই, তে আমারেদি তুমরার কুনু ফায়দা অইবো নি? 7মনে করো, বাশি, সারিন্দা, আর যেতা বাইদ্য-বাজনার ভিতরে কুনু জান নাই, ইতা যুদি গানর সঠিক সুর-তাল না মানিয়া বাজে, তে অউ বাজনাত কিতা বাজের, মানষে ইতা কেমনে বুজবো? 8যুদ্ধত যাওয়ার লাগি ফৌজি শিংগায় যুদি পরিস্কার আওয়াজ না দেয়, তে কুনু সিপাই রেডি অইবো নি? 9অলাখান তুমি যেবলা অজানা ভাষায় মাতো, তে তুমি কিতা কইরায়, তারা কেমনে বুজবো? তুমার ই মাত খালি বাতাসর লগে মাতরায় নি? 10ই দুনিয়াত নানান জাতর বুলি আছে, ইতা কুনুটাউ মানি ছাড়া নায়। 11আর আমি যুদি অউ বুলি না বুজি, তে যে জনে মাতিরা, তান গেছে তো আমি বিদেশি মানষর লাখান, আর তাইনও আমার গেছে বিদেশি। 12ইখান তো তুমরার বেলায়ও ঠিক। তুমরা যেবলা পাক রুহর দেওয়া দান-নিয়ামতর লাগি খিয়ালি অইরায়, তে যে নিয়ামত দিয়া জমাতরে গড়িয়া তুলা যায়, অউ নিয়ামত পাওয়ার লাগিউ বেশি চেষ্টা করিও।

13এরলাগি যে মানষে গাইবি ভাষায় মাতে, হে আল্লার গেছে মাংগউক, যাতে ইতার মানি বুজাইয়া দিতো পারে। 14আমি যুদি গাইবি ভাষায় দোয়া করি, তে আসলে আমার রুহে দোয়া করের, আমার নিজর মনে কুন্তা করের না। 15অখন আমি কিতা করতাম? আমি রুহ দিয়া দোয়া করতাম, আর বুদ্ধি দিয়াও করতাম। আমি রুহ দিয়া গীত-গজল গাইমু, বুদ্ধি দিয়াও গীত-গজল গাইমু। 16আর তুমি যুদি খালি রুহ দিয়া শুকরিয়া আদায় করো, তে মজলিছর মানষে কিলা আমিন কইতো? তারা তো বুজেরউ না তুমি কিতা কইরায়, তারা তো অচিনা জনর লাখান রইলা। 17তুমি হয়তো ঠিক ভাবেউ শুকরিয়া আদায় কররায়, অইলে অউ মানষরে তো গড়িয়া তুলা অর না।

18আমি আল্লা পাকর শুকরিয়া আদায় করি, কারন আমি গাইবি ভাষায় তুমরার চাইতে বউত বেশি মাতি। 19তা-ও জমাতর মাহফিলর মাজে গাইবি ভাষায় আজার আজার কথার বদলা, মানষর তালিমর লাগি আমি আখল খাটাইয়া খালি পাচখান কথা কইমু।

20ভাইয়াইনরে, তুমরার আখল-বুদ্ধি হুরুতার লাখান না অইয়া বয়স্ক মানষর লাখান অউক। অইলে ইংসা-নিন্দার বেয়াপারে তুমরার মন মাছুম বাইচ্চার লাখান অউক। 21আছমানি কিতাবো আছে,

অচিনা ভাষায় মাতরা মানুষদি,

বিদেশি মানষর মুখদি,

আমি অউ জাতির লগে মাতিমু।

তা-ও আমার মাত তারা হুনতো নায়,

ইখান আমি মাবুদে কইরাম।

22তে বুজা যায়, গাইবি ভাষায় মাতা ইমানদার অকলর লাগি কুনু নিশানা নায়, বরং অ-ইমানদার অকলর লাগি ইতা একটা নিশানা। আর পীরাকি মাত মাতা অ-ইমানদারর লাগি কুনু নিশানা নায়, অইলে ইমানদারর লাগি তো ইতা একটা নিশানা।

23জমাতর হকল মানুষ এক জাগাত মিলার বাদে, হকলে যুদি একলগে গাইবি ভাষায় মাতে, আর অউ সময় জমাতর বাইরর বা অ-ইমানদার কুনু মানুষ ইনো আয়, তে তারা তুমরারে পাগল কইবা না নি? 24আর হকলে যুদি পীরাকি মাতইন, অমন সময় কুনু অ-ইমানদার আইয়া ইনো হামায়, তে অউ হকলর মাতর মাজদি হে নিজর গুনার হালত বুজিলিবো, অউ মাত হুনায় তার নিজর বিচার নিজে করবো। 25তার মনর লুকাইল বিষয় খুলা-মেলা অইবো, তেউ হে সইজদাত পড়িয়া আল্লার গৌরব-তারিফ করিয়া কইবো, “আপনারার মাজে নিচ্চয় আল্লা পাক আজির আছইন।”

ইছায়ী জমাতর নিয়ম-কানুন মানা

26ভাইয়াইনরে, কিতা অইতো? তুমরা যেবলা এক জাগাত জমাতো দলা অও, অউ সময় কেউ গীত-গজল গাইন, কেউ নছিয়ত করইন, কেউ বাতুনি বেয়াপারে কইন, কেউ গাইবি ভাষায় মাতইন, আর কেউ ইতার মানি বুজাইয়া দেইন। তে যেইন যেতাউ করইন না কেনে, ইতা যানু জমাতরে গড়িয়া তুলার নিয়তে অয়। 27কেউ যুদি গাইবি ভাষায় কুন্তা মাতে, তে একোজন করি দুই-তিন জনে মাতউক আর একজনে ইতার মানি বুজাইয়া দেউক। 28মানি বুজাই দিবার কেউ না থাকলে, তারা জমাতো চুপচাপ থাকউক, খালি নিজে নিজে আল্লার লগে মাতউক। 29আর পীরাকি মাতরা অকলে অলা দুই-তিন জনে মাতউক আর বাকি হকলে যাচাই-বাচাই করউক। 30অইলে জমাতো যেরা বওয়াত আছইন, তারা কেউরর গেছে যুদি কুনু ওহী বা বাতুনি খবর নাজিল অয়, তে যেইন বয়ান কররা, তাইন নিরাই অইযাউক্কা। 31অলাখান তুমরা হকলেউ এক এক করি পীরাকি মাতিও, যাতে হুনরা অকলে তালিম আর উত্‍সাহ পায়। 32পীরাকি মাতরার রুহ তো তারার নিজর বশে থাকে, 33আল্লা পাকে নিচ্চয় গোলমাল পছন্দ করইন না, বরং শান্তি পছন্দ করইন।

34আল্লার পাক বন্দা অকলর হকল জমাতর নিয়ম-কানুন অইলো, জমাতর মাজে বেটি মানুষ নিরাই রওয়া উচিত, গফ-সফ করা তারার লাগি ঠিক নায়। শরিয়তর নিয়ম মাফিক তারা অধীনতা মানউক। 35তারা কুনু তালিম জানার খিয়ালি অইলে বাড়িত গিয়া নিজর জামাইর গেছ থাকি জানউক। কারন জমাতর মাজে বেটিন্তে গফ-সফ করা শরম।

36আইচ্ছা কওছাইন, আল্লার কালাম কুনু তুমরার গেছ থাকি বার অইছে নি? খালি তুমরার গেছেউ আইছে নি? 37মনো রাখিও, কুনু মানষে যুদি নিজরে পীর-দরবেশ বা বাতুনি খেমতাআলা মনো করে, তে হে ইখান বুজিলাউক, আমি তুমরার গেছে যেতা লেখলাম, ইতা হক্কলতাউ মালিক ইছার হুকুম। 38আর কেউ ইতা না মানলে, তারেও মাইন্য করা অইতো নায়।

39এরলাগি ও ভাই অকল, তুমরা পীরাকি মাত মাতিবার লাগি খিয়ালি অও, আর গাইবি ভাষায় মাতিতেও বাধা দিও না। 40তা-ও জমাতর হকল কামউ পুরাপুর আদব-কায়দা আর নিয়ম-কানুন মানিয়া করা জরুর।

15

মুর্দা থাকি জিন্দা অইয়া উঠা (১৫:১-৫৮)

ইছা আল-মসী মুর্দা থাকি জিন্দা অইছইন

1ও মুমিন ভাই অকল, আমি আগে যে খুশ-খবরি তবলিগ করছিলাম, হউ কথা অখন ইয়াদ করাই দিরাম। তুমরা তো ইতা কবুল করছলায় আর ইমানে টিকিয়াও রইছো। 2আমি যে কালাম তবলিগ করছি, ইতা যুদি তুমরা মজবুত করি ধরিয়া রাখো, তে অউ খুশ-খবরির মাজদি নাজাত পাইরায়, আর না পাইলে তুমরার ইমান আনাউ বেকামা। 3আসলে আমি নিজে যে তালিম পাইছি, অউ তালিমরে খুব জরুরি মনো করিয়া তুমরারেও জানাইছি। আল্লার কালাম মাফিক আমরার গুনার মাফির লাগি আল-মসীয়ে নিজর জান কুরবানি দিছইন। 4তানরে দাফন করা অইছিল, আর আল্লার কালাম মাফিক মউতর তিন দিনর দিন তাইন মুর্দা থাকি জিন্দা অইছইন। 5জিন্দা অওয়ার বাদে তাইন পয়লা সাহাবি পিতররে, বাদে তান হউ বারোজন সাহাবিরে দেখা দিছইন। 6এরবাদে তাইন একলগে পাচশোরও বেশি মুমিন ভাইরে দেখা দিছইন। এরার মাজে কেউ কেউ মারা গেলেও, অখনও বেশির ভাগ জিন্দা আছইন। 7এরবাদে তান ভাই ইয়াকুবরে, বাদে হকল সাহাবিরে দেখা দিছইন। 8আর আমি তো হকলর হেশর ঝুলি-ঝাড়া পুত, অউ আমারেও তাইন দেখা দিছইন। 9সাহাবি অকলর মাজে আমিউ হকল থাকি নগইন্য, আমি তো সাহাবি কইয়া পরিচয় দিবার লাখ নায়, আগে আমি আল্লার জমাতর উপরে জুলুম করতাম।

10অইলে অখন আমি যেলা অইছি, ইতা আল্লার রহমতেউ অইছি। আমার উপরে তান ই রহমত বেকামা গেছে না, আমি অইন্য সাহাবি অকল থাকি বেশি মেনত করছি। ই মেনত তো আমি নিজে নিজে করতাম পারছি না, বরং আল্লার রহমতেউ ইতা করাইছে। 11এরলাগি আমি বা অইন্য কুনু সাহাবিয়ে যেইনউ তবলিগ করি না কেনে, আমরা অউ একই বেয়াপারেউ তবলিগ করিয়ার, ইতা হুনিয়া তুমরাও ইমান আনছো।

আমরা মরন বাদে জিন্দা অইমু

12তে আল-মসীরে মুর্দা থাকি জিন্দা করা অইছে কইয়া যেবলা তবলিগ করা অয়, তাইলে তুমরার মাজর কেউ কেউ কেমনে কয়, মানুষ মরিগেলে আর জিন্দা অইতা নায়? 13মরন বাদে জিন্দা অইয়া উঠতে না পারলে তো, আল-মসীও জিন্দা অইছইন না। 14আর আল-মসী জিন্দা অইয়া না উঠলে তো আমরার তবলিগও বেকামা আর তুমরার ইমান আনাও বেকামা। 15এমনকি অখানও বুজা যার যেন, আল্লার বেয়াপারে আমরা যেতা তবলিগ করিয়ার ইতা মিছা, কারন আমরার তবলিগ অইলো, আল্লায় আল-মসীরে মুর্দা থাকি জিন্দা করছইন। অইলে মুর্দা অকলরে যুদি জিন্দা করা না অয়, তে তো তাইন আল-মসীরেও জিন্দা করছইন না। 16আর মুর্দা অকল যুদি জিন্দা অইয়া না উঠইন, তে তো আল-মসীও জিন্দা অইয়া উঠছইন না। 17আল-মসীরে যুদি জিন্দা করা না অইয়াউ থাকে, তে তো তুমরার ইমান বেকামা, আর তুমরা অখনও গুনার মাজে হাবু-ডুবু খাইরায়। 18তাইলে আল-মসীর তরিকার যেরার মউত অইগেছে, তারাও তো বিনাশ অইগেছইন। 19আল-মসীর উপরে আমরার যে আশা, ই আশা যুদি খালি অউ দুনিয়াবি জিন্দেগির লাগি অয়, তে তো হকল থাকি আমরারউ বেশি বদ নছিব।

20অইলে আসল কথা অইলো, আল-মসীরে তো হাছাউ মুর্দা থাকি জিন্দা করা অইছে। তাইনউ পয়লা ফসল, মুর্দা থাকি যতো জনরে জিন্দা করা অইবো, এরার মাজে তানরেউ পয়লা জিন্দা করা অইছে। 21বুজরায় নি, একজন মানষর মাজদি যেলা মউত আইছে, অলা জিন্দা অইয়া উঠাও একজন মানষর মাজদি আইছে। 22বাবা আদমর আওলাদ হিসাবে হকল মানষর যেলা মরন অয়, আল-মসীর উম্মত হিসাবে অউলা হকলরে জিন্দা করা অইবো। 23অইলে এর মাজে কথা আছে, আল্লায় তান মর্জি মাফিক ধাপে ধাপে হকলতা করাইবা। খেতো থাকি পয়লা তুলা ফসলর লাখান পয়লা ধাপো আল-মসীরে জিন্দা করা অইছে, বাদে তাইন দুছরা বার তশরিফ আনার কালো তান উম্মত অকলরেও জিন্দা করা অইবো। 24এরবাদে কিয়ামতর কালো আল-মসীয়ে দুনিয়াবি হকল শাসন, অধিকার আর খেমতারে বিনাশ করিয়া গাইবি বাফ আল্লার আতো বাদশাই সমজাইবা। 25কারন, আল্লায় যতো সময় পর্যন্ত আল-মসীর হকল দুশমনরে তান পাওর তলাত না ফালাইন, অতো সময় পর্যন্ত তাইন বাদশাই করতে অইবো। 26আর শেষ দুশমন মউতরেও তাইন বিনাশ করবা। 27পবিত্র জবুর শরিফো আছে, “তাইন হক্কলতারেউ আল-মসীর পাওর তলাত রাখছইন।” তে বুজা যায়, হক্কলতারে আল-মসীর অধীনে রাখার মানি অইলো, আল্লায় তান নিজরে বাদ রাখিয়া অইন্য হকলতারেউ আল-মসীর তলে রাখছইন। 28আর হক্কলতা তান অধীনে আইয়া হারলে, হক্কলতারে লইয়া অউ খাছ মায়ার জন ইবনুল্লাও আল্লা পাকর অধীন অইবা। যাতে যেইন হকলতা তান অধীনে রাখছিলা, হউ আল্লা পাকউ হক্কলতার উপরআলা অইন।

29আইচ্ছা ধরো, মুর্দা অকলর লাগি যেরা তৌবার গোছল করের, মুর্দা অকলরে যুদি কুনুদিনউ জিন্দা করা না অয়, তে এরার ফায়দা কিতা? 30আর আমরা সাহাবি অকলও কেনে ঘন্টায় ঘন্টায় বিপদর মুখামুখি অইয়ার? 31অয়, ভাই অকল, আমি তো পরতেক দিনউ মউতর মুখামুখি অইয়ার! আমরার মালিক ইছা আল-মসীর নামে তুমরারে লইয়া যে বড়াই দেখাই, অউ বড়াইর লাগিউ আমি তুমরারে ইতা জানাইরাম। 32ইফিছ টাউনো জংলি জানুয়ার পালর লগে আমি যে লাড়াই করছি, ইতা যুদি খালি দুনিয়াবি নিয়তে করিয়া থাকি, তে আমার কুনু লাভ অইছে নি? মুর্দা অকলরে যুদি জিন্দা করা না অয়, তে আও, অলা কই, “আও, খাও-দাও ফুর্তি করো, কাইল তো নিচ্চিত মরন অইবো।” 33ভাইয়াইনরে, তুমরা ভুল করিও না, অলা এক ছিল্লেখ আছে, “কু-সংগিয়ে ভালা মানষরেও নাটাইলায়।” 34এরলাগি তুমরা বদ নিশা থাকি হজাগ অও, আর গুনা করিও না। তুমরার মাজর কেউ কেউ তো স্বয়ং আল্লারেউ চিনে না, ইতা বড় শরমর বেয়াপার।

35কুনু কুনু মানষে জিকাইতো পারে, “মুর্দা অকল কেমনে জিন্দা অইবা? তারার শরিলর গঠন কিলাখান অইবো?” 36হায়রে বেআখল! তুমার নিজর খেতর মাজে যে বিচি বাইন করো, ই বিচি না মরলে তো চেরা উঠে না। 37আর তুমার বাইন করা বিচি থাকি যে চেরা বারয়, তুমি তো ই চেরা বাইন করো না, তুমি খালি বিচি বাইন করো ধান বা অইন্য কুনু ফসলর, অগু মরিয়াউ চেরা বারয়। 38বাদে আল্লায় তান মর্জি মাফিক ইতার ছুরত-আকার গঠন করইন। তাইন পরতেক বিছরেউ তার জাত মাফিক চেরার ছুরত-আকার দেইন। 39বুজো না নি, হকল জানদারর গোস্ত তো এক সমান নায়। মানষর গোস্ত এক লাখান, পশুর এক লাখান, পাখির এক লাখান আর মাছর আরক লাখান। 40অউলা আছমানোও বউত নমুনার শরিল আছে, দুনিয়াতও বউত শরিল আছে, তা-ও বেহেস্তি শরিলর তেজ এক লাখান, আর দুনিয়াবি শরিলর তেজ আরক লাখান। 41সুরজর তেজ এক লাখান, চান্দর তেজ আরক লাখান আর তেরার তেজ দুছরা লাখান। এমনকি এক তেরা থাকি আরক তেরার তেজও আলাদা।

42মরন বাদে জিন্দা অইয়া উঠাও অউ লাখান। লাশ মাটি দিয়া হারলে পচিযায়, অইলে অউ লাশরে যেবলা জিন্দা করা অইবো, ইটা আর পচতো নায়। 43অসম্মানি হালতে মাটি দেওয়া অয়, সম্মানি হালতে তুলা অইবো। মাটি দেওয়া অয় দুর্বল হালতে, আর তুলা অইবো বলবান হালতে। 44মাটি দেওয়া অয় রক্ত-মাংসর শরিল, অইলে তুলা অইবো রুহানিক শরিল। রক্ত-মাংসর শরিল যেবলা আছে, তে তো রুহানিক শরিলও আছে। 45যেলা বাবা আদমর বেয়াপারে পবিত্র তৌরাত শরিফো আছে, “অউ পয়লা আদম জিন্দা জানদার অইলা।” তে শেষ আদম, যেইন আল-মসী, তাইন কিতা অইলা? তাইন তো অইলা জিন্দেগি দেওরা রুহ। 46অইলে রুহানিক যে শরিল, ইখান তো পয়লা অয় না, পয়লা অয় রক্ত-মাংসর শরিল, বাদে অয় রুহানিক শরিল। 47যেলা পয়লা আদম মাটি থাকি আইলা, বাদে দুছরা আদম, আল-মসী আইলা বেহেস্ত থাকি। 48জগতর মানুষ অইলা অউ মাটির বানাইল মানষর লাখান, আর বেহেস্তি মানুষ অইলা হউ বেহেস্তি জন আল-মসীর লাখান। 49তে বাবা আদমর লাখান আমরা যেলা মাটির কায়ার ছুরত পাইছি, ঠিক অউলা হউ বেহেস্তি জনর লাখান বেহেস্তি ছুরতও পাইমু।

50ভাইয়াইনরে আমি তুমরারে কইরাম, রক্ত-মাংসর কুনু শরিল আল্লার বাদশাইর অধিকার পায় না। যেতার বিনাশ আছে, ইতা কুনুমন্তেউ চিরস্থায়ী বনে না। 51তে আমি তুমরারে একটা বাতুনি কথা জানাইরাম, জানো নি, আমরা হকলর তো মউত অইতো নায়, অইলে হকলরউ ছুরত বদলিযিবো। 52কিয়ামতর কালো এক মুহুর্তর মাজে, চখুর পলকে, শিংগাত ফু দেওয়ার লগে লগেউ আমরা বদলিযিমু। অউ শিংগা বাজিয়া হারলে, হকল মুর্দা অলা ছুরতে জিন্দা অইবা, যেতা কুনুদিন বিনাশ অইতো নায়, আর আমরাও হউ ছুরতে বদলিযিমু। 53এরলাগি যে শরিল বিনাশ অইযায়, ইতায় অলা ছুরত পাইতে অইবো, যেতা কুনুদিন পচিতো নায়, আর যেতা মরিযিবো, ইতায় অলা ছুরত পাইতে অইবো, যেতা কুনু দিন মরতো নায়। 54আর যে শরিল পচিযায়, ই শরিলে যেবলা চিরস্থায়ী ছুরত পাইবো, যে শরিলর মউত অয়, ইতায় যেবলা চিরকালিন জিন্দেগি পাইবো, হউ সময় আল্লার কালামর অউ লেখা ফলিবো,

মউতর বিনাশ অইয়া জয় আইছে।

55ও মউত, তোর জয় কুয়াই?

মউতরে, তোর বিষ-দাত কুয়াই?

56মউতর বিষ-দাত অইলো গুনা, আর গুনারে খেমতা যুগায় মুছা নবীর শরিয়ত। 57অইলে আল্লা পাকর শুকরিয়া আদায় করি, আমরার মালিক ইছা আল-মসীর উছিলায় তাইন আমরারে জয় দান করইন।

58তে, ও আমার মায়ার ভাইয়াইন, তুমরা ইমানে মজবুত অও, যাতে কুন্তায় তুমরারে আলাইতো না পারে। মালিকর খেজমতর লাগি নিজরে হর-হামেশা পুরাপুর বিলাই দেও, তুমরা তো জানো, তান লাগি মেনত করলে ই মেনত কুনুমন্তেউ বেকামা যায় না।

16

বিদায়ি পরামিশ আর দোয়া (১৬:১-২৪)

রিলিফ চান্দা তুলার বেয়াপারে

1ও ভাই অকল, আল্লার পাক বন্দা অকলরে সাইয্যর লাগি চান্দা তুলার বেয়াপারে আমি অখন কইরাম। গালাতিয়া দেশর ইছায়ী জমাত অকলরে আমি যেলা হুকুম দিছি, তুমরাও অউলা করো। 2তুমরা পরতেক জনে যারযির তৌফিক অনুযায়ী হাপ্তার পয়লা দিন কিছু টেকা-পয়সা দলা করো, যাতে আমি যেবলা আইমু, অউ সময় কুনু চান্দা তুলা না লাগে। 3আমি আইয়া হারলে তুমরার দলা করা অউ দান-খয়রাত জেরুজালেমো লইয়া যাওয়ার লাগি, তুমরা যেরারে পছন্দ করবায়, আমি চিঠি দিয়া তারারে পাঠাইমু। 4আর তুমরা যুদি মনো করো আমিও যাওয়া জরুর, তে তারা আমার লগে অইয়া যাইবা।

হজরত পাউলুছে করিন্থ ছফরর নিয়ত

5আমার খিয়াল অইলো মাকিদনিয়া অইয়া আইতাম, এরলাগি আমি মাকিদনিয়া দেশর ভিতরেদি তুমরার গেছে আইমু। 6আইয়া হয়তো থুড়া কয়দিন তুমরার গেছে রইমু বা আস্তা শীতকাল তুমরার গেছেউ কাটাইমু, যাতে আমি যেনোউ যাই না কেনে তুমরাউ আমারে অউ ছফরর লাগি হকলতা জুইত-জাইত করিয়া দিবায়। 7পথর কুটমর লাখান আমি খালি পথেদি যাওয়ার কালো তুমরার লগে দেখা করতাম চাই না, আমি চাইরাম, আল্লার মর্জি অইলে বাক্কা কয়দিন তুমরার লগে থাকমু। 8অইলে পঞ্চাইশা ইদ পর্যন্ত আমি অউ ইফিছ টাউনোউ রইমু, 9কারন আমার ছামনে অউলা বড় একটা সুযোগ আছে, ই সুযোগে বড় ভালা ফল মিলে। তা-ও বউত মানষে ইতার বিরুধিতা কররা।

10খিয়াল রাখিও, তিমথি ভাই তুমরার অনো আইলে তাইন যানু শান্তিয়ে-নির্ভয়ে রইতা পারইন। জানো তো, আমি যেলা মালিকর খেজমত করিয়ার, তাইনও ঠিক অউলা কররা। 11এরলাগি কেউ যানু তানরে এলামি না করে। বাদে তাইন যেলা আমার গেছে আইতা পারইন, অউলা শান্তি মতো তানরে আগুয়াইয়া দিও। আমি তো তান লাগি বার চাইয়ার, আশা করি ভাইয়াইন্তর লগে তাইনও আইবা।

12আর আপল্লছ ভাইর বেয়াপারে কইরাম, তানরে বউত মিনত করছলাম, ভাইয়াইন্তর লগে অইয়া অখন তুমরার গেছে যাইতা, তা-ও কুনুমন্তেউ রাজি অইলা না। তে সময়-সুযোগ অইলে বাদে যাইবানে।

বিদায়ি ছালাম

13ভাইয়াইনরে, তুমরা হকল হুশিয়ার অও, ইমানে মজবুত অও, সাওসি ভাব দেখাও আর বলবান অও। 14তুমরা যততাউ করো, মহব্বতর সহিত করিও।

15আর তুমরার তো জানা আছে, আস্তা গ্রীস দেশর মাজে আস্তিফান ভাইর পরিবারউ অইলা পয়লা ইমানদার। আল্লার পাক বন্দা অকলর খেজমতর লাগি তারা নিজরে সপি দিছইন। 16এরলাগি মিনত করিয়ার, ইলাখান মানষরে তুমরা ইজ্জতর সহিত ভজিও, আরো যতো জনে অলা খেজমত করইন, আল্লার নামে মেনত করইন, তারারেও অলা ভজিও। 17অউ আস্তিফান ভাই, ফাতুনাত ভাই আর আকিক ভাই আইছইন দেখিয়া আমি খুব খুশি অইছি, এরা আওয়ায় তুমরার অভাব পুরন অইছে। 18এরা আমার আর তুমরার দিলো আরাম দিছইন। তুমরা অউ লাখান মানষরে খাছ ইজ্জত করিও।

19তুরস্কর আছিয়া দেশর জমাতর মানষে তুমরারে ছালাম জানাইরা। আকিল আর ফিছকিলা, আর তারার ঘরর জমাতর মানষে মালিকর মহব্বতর সহিত তুমরারে ছালাম জানাইরা। 20হকল মুমিন ভাইয়াইন্তে তুমরারে ছালাম জানাইরা। তুমরা একে-অইন্যে পবিত্র গলাগলি করিও।

21আমি পাউলুছে নিজর আতে অউ ছালামর কথা লেখলাম। 22মালিক ইছারে যুদি কেউ মহব্বত না করে, তে তার উপরে লান্নত পড়উক। মারানা থা! মানি, ও আমরার মালিক, তশরিফ আনউক্কা! 23মালিক ইছার রহমত তুমরার উপরে জারি রউক। 24তুমরা হকলর লাগি আমার ইছায়ী মহব্বত রইলো। আমিন॥